ঢাকা ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘পাঁচ মাসে গণতান্ত্রিক পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে সরকার’:মাহদী আমিন সড়ক থেকে ফিটনেসবিহীন যানবাহন অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জামায়াতের মতো মোনাফেক দল পৃথিবীতে আর জন্ম হয়নি : ফজলুর রহমান তারেক রহমানের নেতৃত্বে মানবকেন্দ্রিক এআই নীতি প্রণয়ন করছে বাংলাদেশ: আইসিটি মন্ত্রী নির্বাচনী ইশতেহার ও জুলাই সনদ একসঙ্গে বাস্তবায়ন হচ্ছে: প্রেস সচিব কাপ্তাই বাঁধের ১৬ গেট খুলে দেওয়া হয়েছে আওয়ামী লীগ জন্মলগ্ন থেকে দেশের ক্ষতি করেছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী স্বৈরাচারের আমলে বাগেরহাটে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি: ডেপুটি স্পিকার চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কেউ বিচ্ছিন্ন করতে পারবে না: মির্জা ফখরুল আমাদের বাণিজ্য পরিপূর্ণভাবে চীন নির্ভর হয়ে পড়েছে: তথ্যমন্ত্রী

নির্বাচন যত দেরি হবে বাংলাদেশ ততো পিছিয়ে যাবে : মির্জা ফখরুল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচন যত দেরি হবে, বাংলাদেশ ততো পিছিয়ে যাবে। বিনিয়োগ আসবে না, চাকরির সুযোগ তৈরি হবে না, জুডিশিয়াল সিস্টেম ভেঙে পড়বে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়বে। এজন্য দরকার একটি নির্বাচিত সরকার। যে সরকারের পেছনে মানুষ আছে, জনসমর্থন আছে। নির্বাচিত সরকারের চাইতে শক্তিশালী কোনো সরকার হতে পারে না।

সোমবার বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফেরাত এবং দলটির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু কামনায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলপূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এমএ মালিক।

লন্ডন সফরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে নির্বাচনের একটি সময় নির্ধারণ করায় তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকেও ধন্যবাদ জানান।

মির্জা ফখরুল বলেন, শেখ হাসিনা এমনি এমনি হঠাৎ করে পালায়নি। বহুদিনের সংগ্রাম, বহু মানুষের ত্যাগ, বহু মানুষের রক্তের বিনিময়ে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে। আমরা ফ্যাসিবাদ মুক্ত হলাম ঠিক আছে, এখন আমরা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই। যেখানে মানুষ ভোট দেবে, কথা বলার সুযোগ পাবে, তরুণরা কাজের, লেখাপড়ার সুযোগ পাবে, নারীরা নিরাপত্তা পাবে, চিকিৎসার সুযোগ পাবে, এ রকম একটি রাষ্ট্র। এজন্য আমরা নতুন করে সংগ্রাম শুরু করেছি।

তিনি বলেন, আমরা সেই দল, যে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান। যিনি দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন, যিনি দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। শেখ মুজিব একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সব মিডিয়া বন্ধ করেছিলেন চারটি রেখে। সেই অবস্থা থেকে জিয়াউর রহমান মানুষের গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়ে নতুন বাংলাদেশ নির্মাণ করেছিলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ চাই। তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চাই, বাংলাদেশকে উন্নত দেশ করতে চাই। এজন্য আমরা ৩১ দফা দিয়েছি। এই ৩১ দফার মধ্যে আছে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন, যা আমাদের সামনের দিকে নিয়ে যাবে। আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও অধ্যাপক ডা. এ. জেড. এম জাহিদ হোসেন।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, হাবিবুর রহমান, আরিফুল হক চৌধুরী, তাহসিনা রুশদীর লুনা, ড. এনামুল হক চৌধুরী, মুহিদুর রহমান, ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক জিকে গউছ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন মিলন ও মিফতাহ সিদ্দিকী, বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এ সালাম, কেন্দ্রীয় সহক্ষুদ্র ও ঋণ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, সদস্য নিপুন রায়, ডা. শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী, আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, মিজানুর রহমান চৌধুরী, অ্যাডভোকেট হাদীয়া চৌধুরী মুন্নী, মহানগরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এমএ মালিক। যৌথভাবে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মহানগরের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী ও জেলার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আহমদ সিদ্দিকী।

এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ও মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘পাঁচ মাসে গণতান্ত্রিক পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে সরকার’:মাহদী আমিন

নির্বাচন যত দেরি হবে বাংলাদেশ ততো পিছিয়ে যাবে : মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় ১১:১৪:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচন যত দেরি হবে, বাংলাদেশ ততো পিছিয়ে যাবে। বিনিয়োগ আসবে না, চাকরির সুযোগ তৈরি হবে না, জুডিশিয়াল সিস্টেম ভেঙে পড়বে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়বে। এজন্য দরকার একটি নির্বাচিত সরকার। যে সরকারের পেছনে মানুষ আছে, জনসমর্থন আছে। নির্বাচিত সরকারের চাইতে শক্তিশালী কোনো সরকার হতে পারে না।

সোমবার বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফেরাত এবং দলটির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু কামনায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলপূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এমএ মালিক।

লন্ডন সফরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে নির্বাচনের একটি সময় নির্ধারণ করায় তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকেও ধন্যবাদ জানান।

মির্জা ফখরুল বলেন, শেখ হাসিনা এমনি এমনি হঠাৎ করে পালায়নি। বহুদিনের সংগ্রাম, বহু মানুষের ত্যাগ, বহু মানুষের রক্তের বিনিময়ে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে। আমরা ফ্যাসিবাদ মুক্ত হলাম ঠিক আছে, এখন আমরা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই। যেখানে মানুষ ভোট দেবে, কথা বলার সুযোগ পাবে, তরুণরা কাজের, লেখাপড়ার সুযোগ পাবে, নারীরা নিরাপত্তা পাবে, চিকিৎসার সুযোগ পাবে, এ রকম একটি রাষ্ট্র। এজন্য আমরা নতুন করে সংগ্রাম শুরু করেছি।

তিনি বলেন, আমরা সেই দল, যে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান। যিনি দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন, যিনি দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। শেখ মুজিব একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সব মিডিয়া বন্ধ করেছিলেন চারটি রেখে। সেই অবস্থা থেকে জিয়াউর রহমান মানুষের গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়ে নতুন বাংলাদেশ নির্মাণ করেছিলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ চাই। তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চাই, বাংলাদেশকে উন্নত দেশ করতে চাই। এজন্য আমরা ৩১ দফা দিয়েছি। এই ৩১ দফার মধ্যে আছে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন, যা আমাদের সামনের দিকে নিয়ে যাবে। আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও অধ্যাপক ডা. এ. জেড. এম জাহিদ হোসেন।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, হাবিবুর রহমান, আরিফুল হক চৌধুরী, তাহসিনা রুশদীর লুনা, ড. এনামুল হক চৌধুরী, মুহিদুর রহমান, ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক জিকে গউছ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন মিলন ও মিফতাহ সিদ্দিকী, বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এ সালাম, কেন্দ্রীয় সহক্ষুদ্র ও ঋণ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, সদস্য নিপুন রায়, ডা. শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী, আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, মিজানুর রহমান চৌধুরী, অ্যাডভোকেট হাদীয়া চৌধুরী মুন্নী, মহানগরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এমএ মালিক। যৌথভাবে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মহানগরের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী ও জেলার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আহমদ সিদ্দিকী।

এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ও মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।