ঢাকা ০৭:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কারাগার থেকেই বার কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নিতে চান ব্যারিস্টার সুমন সংসদীয় সার্বভৌমত্বের নামে ‘সংসদীয় স্বৈরতন্ত্র’ কায়েম হচ্ছে: সারোয়ার তুষার টিকার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে আবেদন পহেলা বৈশাখ আমাদের আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক : প্রধানমন্ত্রী গণভোটের রায় মেনে নিন, না হলে করুণ পরিণতি হবে: গোলাম পরওয়ার আগামী শিক্ষাবর্ষে ৪র্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও বোঝাপড়া জোরদার হচ্ছে : ভারতীয় হাইকমিশনার হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু জ্বালানি তেলের মজুদ ও সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বিএনপি এখন একটা কৃত্রিম বিরোধ বা সংকট তৈরি করছে: নাহিদ ইসলাম

ক্যান্সারের টিকা তৈরি রাশিয়ার, শিগগিরিই বিনামূল্যে বিতরণ

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ক্যান্সার প্রতিরোধে সক্ষম একটি টিকা প্রস্তুত করেছে রাশিয়া। শিগগিরই রোগীদের মধ্যে এটি বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে।

রাশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন গবেষণা কেন্দ্র রেডিওলজি মেডিকেল রিসার্চ সেন্টারের মহাপরিচালক আন্দ্রিয়ে ক্যাপরিন এই তথ্য জানিয়েছেন। সম্প্রতি রুশ বেতার সংবাদামাধ্যম রেডিও রোশিয়াকে দেওয়া সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই তথ্য জানান।

“আশা করছি ২০২৫ সালের শুরুর দিকেই জনগণের জন্য আমরা এই টিকা উন্মুক্ত করতে পারব”, বলেন ক্যাপরিন।

সাক্ষাৎকারে রাশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আরও জানান, নতুন এই টিকা প্রস্তুতে সর্বাধুনিক ম্যাসেঞ্জার আরএনএ বা এমআরএনএ প্রযুক্তি অনুসরণ করা হয়েছে। এ প্রযুক্তিতে টিকা প্রস্তুতের মূল উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করা হয় বিশেষভাবে শক্তিশালী তরল প্রোটিনকে। টিকার মাধ্যমে এই প্রোটিন মানবদেহে প্রবেশের পর ক্যান্সার সৃষ্টির জন্য দায়ী কোষগুলোকে ধ্বংসের জন্য রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে প্রশিক্ষিত করে তুলবে।

রাশিয়ার বেশ কয়েকটি প্রথমসারির ক্যান্সার গবেষণাকেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বিতভাবে টিকাটি প্রস্তুত করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। রাশিয়ার শীর্ষস্থানীয় মেডিকেল গবেষনা কেন্দ্র গামালিয়া ন্যাশনাল রিসার্চ সেন্টার ফর এপিডেমিওলিজি অ্যান্ড মাইক্রোবায়োলজির তত্ত্বাবধানে টিকার মেডিকেল ট্রায়ালও শেষ হয়েছে।

ট্রায়ালের ফলাফল পর্যালোচনা করে জানা গেছে, টিউমার গড়ে ওঠা এবং সেখান থেকে ক্যান্সারের কোষ সারা দেহে ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে নতুন এই টিকার কার্যকারিতা বেশ সন্তোষজনক।

এর আগে করোনা মহামারীর সময়ও সেই রোগের টিকা প্রস্তুত করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল রাশিয়া। ২০২০ সালের আগস্টে বাজারে আসা ‘স্পুটনিক’ নামের সেই টিকাটি ছিল করোনার প্রথম টিকা। বিশ্বের অন্তত দেড়শটি দেশে মহামারী প্রতিরোধে ব্যবহার করা হয়েছে স্পুটনিক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

কারাগার থেকেই বার কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নিতে চান ব্যারিস্টার সুমন

ক্যান্সারের টিকা তৈরি রাশিয়ার, শিগগিরিই বিনামূল্যে বিতরণ

আপডেট সময় ০৫:৩২:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ক্যান্সার প্রতিরোধে সক্ষম একটি টিকা প্রস্তুত করেছে রাশিয়া। শিগগিরই রোগীদের মধ্যে এটি বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে।

রাশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন গবেষণা কেন্দ্র রেডিওলজি মেডিকেল রিসার্চ সেন্টারের মহাপরিচালক আন্দ্রিয়ে ক্যাপরিন এই তথ্য জানিয়েছেন। সম্প্রতি রুশ বেতার সংবাদামাধ্যম রেডিও রোশিয়াকে দেওয়া সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই তথ্য জানান।

“আশা করছি ২০২৫ সালের শুরুর দিকেই জনগণের জন্য আমরা এই টিকা উন্মুক্ত করতে পারব”, বলেন ক্যাপরিন।

সাক্ষাৎকারে রাশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আরও জানান, নতুন এই টিকা প্রস্তুতে সর্বাধুনিক ম্যাসেঞ্জার আরএনএ বা এমআরএনএ প্রযুক্তি অনুসরণ করা হয়েছে। এ প্রযুক্তিতে টিকা প্রস্তুতের মূল উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করা হয় বিশেষভাবে শক্তিশালী তরল প্রোটিনকে। টিকার মাধ্যমে এই প্রোটিন মানবদেহে প্রবেশের পর ক্যান্সার সৃষ্টির জন্য দায়ী কোষগুলোকে ধ্বংসের জন্য রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে প্রশিক্ষিত করে তুলবে।

রাশিয়ার বেশ কয়েকটি প্রথমসারির ক্যান্সার গবেষণাকেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বিতভাবে টিকাটি প্রস্তুত করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। রাশিয়ার শীর্ষস্থানীয় মেডিকেল গবেষনা কেন্দ্র গামালিয়া ন্যাশনাল রিসার্চ সেন্টার ফর এপিডেমিওলিজি অ্যান্ড মাইক্রোবায়োলজির তত্ত্বাবধানে টিকার মেডিকেল ট্রায়ালও শেষ হয়েছে।

ট্রায়ালের ফলাফল পর্যালোচনা করে জানা গেছে, টিউমার গড়ে ওঠা এবং সেখান থেকে ক্যান্সারের কোষ সারা দেহে ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে নতুন এই টিকার কার্যকারিতা বেশ সন্তোষজনক।

এর আগে করোনা মহামারীর সময়ও সেই রোগের টিকা প্রস্তুত করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল রাশিয়া। ২০২০ সালের আগস্টে বাজারে আসা ‘স্পুটনিক’ নামের সেই টিকাটি ছিল করোনার প্রথম টিকা। বিশ্বের অন্তত দেড়শটি দেশে মহামারী প্রতিরোধে ব্যবহার করা হয়েছে স্পুটনিক।