ঢাকা ০৪:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

৩৮ বছর বয়সে মাসসেরা হয়ে সাকিবকে পেছনে ফেললেন নোমান

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

আইসিসির অক্টোবর মাসের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন পাকিস্তানের স্পিনার নোমান আলী।

মঙ্গলবার অক্টোবর মাসের সেরা ক্রিকেটারের নাম ঘোষণা করেছে আইসিসি। সেখানেই তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা শেষে পুরস্কারটি নিজের করে নেন নোমান। সেই সঙ্গে সাকিব আল হাসানের চেয়ে সবচেয়ে বেশি বয়সে মাসসেরা হওয়ার রেকর্ডও নিজের করে নেন নোমান।

গত মাসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আইসিসির টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ তিন ম্যাচের সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জেতে পাকিস্তান। এর মধ্যে দুই ম্যাচে সুযোগ পেয়েই বাঁহাতি স্পিনে ২০ উইকেট নেন নোমান আলী। বোলিং গড় মাত্র ১৩.৮৫।

ওই দুই ম্যাচের পারফরম্যান্সের জোরেই মাসসেরার লড়াইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার কাগিসো রাবাদা এবং নিউজিল্যান্ডের মিচেল স্যান্টনারকে পেছনে ফেলেছেন নোমান। মাত্র দ্বিতীয় পাকিস্তানি ক্রিকেটার হিসেবে মাসসেরা হলেন নোমান। এর আগে গত আসস্টে প্রথম পাকিস্তানি হিসেবে জেতেন বাবর আজম।

মাসসেরা হয়ে আরও একটি কীর্তি গড়েন নোমান। আইসিসির মাসসেরা পুরস্কার পাওয়াদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বয়সের রেকর্ড এখন তার। তার বয়স ৩৮-এর বেশি। এর আগে রেকর্ডটি ছিল সাকিবের দখলে। ২০২৩ সালের মার্চে ৩৬ বছর বয়সে মাসসেরা হয়েছিলেন সাকিব।

বয়সের কারণেই এতদিন নোমানের কথা ভুলতেই বসেছিলেন অনেকে। জাতীয় দলের বাইরেও ছিলেন অনেকদিন। কিন্তু তার এবারের ফেরাটা হয়েছে দুর্দান্ত। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে ১৪৭ রানে ১১ উইকেট নেওয়ার পর তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে ১৩০ রানে নেন ৯ উইকেট। এর মধ্যে দ্বিতীয় টেস্টের এক ইনিংসে ৪৬ রানে ৮ উইকেট তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং ফিগার।

রাওয়ালপিন্ডিতে শেষ টেস্টে বল হাতে ঘূর্ণিজাদু দেখানোর পাশাপাশি ব্যাট হাতেও কার্যকারিতা দেখান নোমান। পাকিস্তান ১৭৭ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর নয়ে নেমে ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। আর তাতে ৭৭ রানের লিড পায় পাকিস্তান। পরে ৬ উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডকে ১১২ রানেই আটকে দেওয়ায় বড় ভূমিকা রাখেন নোমান। ম্যাচটি ৯ উইকেটে জিতে নেয় স্বাগতিকরা।

আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

৩৮ বছর বয়সে মাসসেরা হয়ে সাকিবকে পেছনে ফেললেন নোমান

আপডেট সময় ০৬:৩৭:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০২৪

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

আইসিসির অক্টোবর মাসের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন পাকিস্তানের স্পিনার নোমান আলী।

মঙ্গলবার অক্টোবর মাসের সেরা ক্রিকেটারের নাম ঘোষণা করেছে আইসিসি। সেখানেই তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা শেষে পুরস্কারটি নিজের করে নেন নোমান। সেই সঙ্গে সাকিব আল হাসানের চেয়ে সবচেয়ে বেশি বয়সে মাসসেরা হওয়ার রেকর্ডও নিজের করে নেন নোমান।

গত মাসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আইসিসির টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ তিন ম্যাচের সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জেতে পাকিস্তান। এর মধ্যে দুই ম্যাচে সুযোগ পেয়েই বাঁহাতি স্পিনে ২০ উইকেট নেন নোমান আলী। বোলিং গড় মাত্র ১৩.৮৫।

ওই দুই ম্যাচের পারফরম্যান্সের জোরেই মাসসেরার লড়াইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার কাগিসো রাবাদা এবং নিউজিল্যান্ডের মিচেল স্যান্টনারকে পেছনে ফেলেছেন নোমান। মাত্র দ্বিতীয় পাকিস্তানি ক্রিকেটার হিসেবে মাসসেরা হলেন নোমান। এর আগে গত আসস্টে প্রথম পাকিস্তানি হিসেবে জেতেন বাবর আজম।

মাসসেরা হয়ে আরও একটি কীর্তি গড়েন নোমান। আইসিসির মাসসেরা পুরস্কার পাওয়াদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বয়সের রেকর্ড এখন তার। তার বয়স ৩৮-এর বেশি। এর আগে রেকর্ডটি ছিল সাকিবের দখলে। ২০২৩ সালের মার্চে ৩৬ বছর বয়সে মাসসেরা হয়েছিলেন সাকিব।

বয়সের কারণেই এতদিন নোমানের কথা ভুলতেই বসেছিলেন অনেকে। জাতীয় দলের বাইরেও ছিলেন অনেকদিন। কিন্তু তার এবারের ফেরাটা হয়েছে দুর্দান্ত। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে ১৪৭ রানে ১১ উইকেট নেওয়ার পর তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে ১৩০ রানে নেন ৯ উইকেট। এর মধ্যে দ্বিতীয় টেস্টের এক ইনিংসে ৪৬ রানে ৮ উইকেট তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং ফিগার।

রাওয়ালপিন্ডিতে শেষ টেস্টে বল হাতে ঘূর্ণিজাদু দেখানোর পাশাপাশি ব্যাট হাতেও কার্যকারিতা দেখান নোমান। পাকিস্তান ১৭৭ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর নয়ে নেমে ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। আর তাতে ৭৭ রানের লিড পায় পাকিস্তান। পরে ৬ উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডকে ১১২ রানেই আটকে দেওয়ায় বড় ভূমিকা রাখেন নোমান। ম্যাচটি ৯ উইকেটে জিতে নেয় স্বাগতিকরা।