ঢাকা ০৬:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে পুলিশ সদস্য কাইয়ুম হত্যা মামলায়, ১০ জনের যাবজ্জীবন ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেল পিকআপ, দুই ভাইসহ নিহত ৩ দেশ গড়ার ক্ষেত্রে শ্রমিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : মঈন খান মোস্তাফিজকে বাদ দিয়ে বিশ্বকাপ দল গঠনের সুপারিশ আইসিসির আমরা মা-বোনদের নিরাপত্তার ব্যাপারে অত্যন্ত এটেন্টিভ : ডা. শফিকুর রহমান আন্তর্জাতিক আদালতে সাক্ষ্য দিতে যাচ্ছেন তিন রোহিঙ্গা নির্বাচনে ৫ লাখ ৫৫ হাজার আনসার-ভিডিপি দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে গুলি ছুড়ে যুবককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ ইরানি কর্তৃপক্ষকে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ প্রদর্শনের আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের দাঁড়িপাল্লার পক্ষে না থাকলে মাহফিল শোনার দরকার নেই :জামায়াতের আমির মো. মিজানুর রহমান

৩৮ বছর বয়সে মাসসেরা হয়ে সাকিবকে পেছনে ফেললেন নোমান

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

আইসিসির অক্টোবর মাসের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন পাকিস্তানের স্পিনার নোমান আলী।

মঙ্গলবার অক্টোবর মাসের সেরা ক্রিকেটারের নাম ঘোষণা করেছে আইসিসি। সেখানেই তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা শেষে পুরস্কারটি নিজের করে নেন নোমান। সেই সঙ্গে সাকিব আল হাসানের চেয়ে সবচেয়ে বেশি বয়সে মাসসেরা হওয়ার রেকর্ডও নিজের করে নেন নোমান।

গত মাসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আইসিসির টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ তিন ম্যাচের সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জেতে পাকিস্তান। এর মধ্যে দুই ম্যাচে সুযোগ পেয়েই বাঁহাতি স্পিনে ২০ উইকেট নেন নোমান আলী। বোলিং গড় মাত্র ১৩.৮৫।

ওই দুই ম্যাচের পারফরম্যান্সের জোরেই মাসসেরার লড়াইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার কাগিসো রাবাদা এবং নিউজিল্যান্ডের মিচেল স্যান্টনারকে পেছনে ফেলেছেন নোমান। মাত্র দ্বিতীয় পাকিস্তানি ক্রিকেটার হিসেবে মাসসেরা হলেন নোমান। এর আগে গত আসস্টে প্রথম পাকিস্তানি হিসেবে জেতেন বাবর আজম।

মাসসেরা হয়ে আরও একটি কীর্তি গড়েন নোমান। আইসিসির মাসসেরা পুরস্কার পাওয়াদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বয়সের রেকর্ড এখন তার। তার বয়স ৩৮-এর বেশি। এর আগে রেকর্ডটি ছিল সাকিবের দখলে। ২০২৩ সালের মার্চে ৩৬ বছর বয়সে মাসসেরা হয়েছিলেন সাকিব।

বয়সের কারণেই এতদিন নোমানের কথা ভুলতেই বসেছিলেন অনেকে। জাতীয় দলের বাইরেও ছিলেন অনেকদিন। কিন্তু তার এবারের ফেরাটা হয়েছে দুর্দান্ত। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে ১৪৭ রানে ১১ উইকেট নেওয়ার পর তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে ১৩০ রানে নেন ৯ উইকেট। এর মধ্যে দ্বিতীয় টেস্টের এক ইনিংসে ৪৬ রানে ৮ উইকেট তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং ফিগার।

রাওয়ালপিন্ডিতে শেষ টেস্টে বল হাতে ঘূর্ণিজাদু দেখানোর পাশাপাশি ব্যাট হাতেও কার্যকারিতা দেখান নোমান। পাকিস্তান ১৭৭ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর নয়ে নেমে ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। আর তাতে ৭৭ রানের লিড পায় পাকিস্তান। পরে ৬ উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডকে ১১২ রানেই আটকে দেওয়ায় বড় ভূমিকা রাখেন নোমান। ম্যাচটি ৯ উইকেটে জিতে নেয় স্বাগতিকরা।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে পুলিশ সদস্য কাইয়ুম হত্যা মামলায়, ১০ জনের যাবজ্জীবন

৩৮ বছর বয়সে মাসসেরা হয়ে সাকিবকে পেছনে ফেললেন নোমান

আপডেট সময় ০৬:৩৭:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০২৪

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

আইসিসির অক্টোবর মাসের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন পাকিস্তানের স্পিনার নোমান আলী।

মঙ্গলবার অক্টোবর মাসের সেরা ক্রিকেটারের নাম ঘোষণা করেছে আইসিসি। সেখানেই তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা শেষে পুরস্কারটি নিজের করে নেন নোমান। সেই সঙ্গে সাকিব আল হাসানের চেয়ে সবচেয়ে বেশি বয়সে মাসসেরা হওয়ার রেকর্ডও নিজের করে নেন নোমান।

গত মাসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আইসিসির টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ তিন ম্যাচের সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জেতে পাকিস্তান। এর মধ্যে দুই ম্যাচে সুযোগ পেয়েই বাঁহাতি স্পিনে ২০ উইকেট নেন নোমান আলী। বোলিং গড় মাত্র ১৩.৮৫।

ওই দুই ম্যাচের পারফরম্যান্সের জোরেই মাসসেরার লড়াইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার কাগিসো রাবাদা এবং নিউজিল্যান্ডের মিচেল স্যান্টনারকে পেছনে ফেলেছেন নোমান। মাত্র দ্বিতীয় পাকিস্তানি ক্রিকেটার হিসেবে মাসসেরা হলেন নোমান। এর আগে গত আসস্টে প্রথম পাকিস্তানি হিসেবে জেতেন বাবর আজম।

মাসসেরা হয়ে আরও একটি কীর্তি গড়েন নোমান। আইসিসির মাসসেরা পুরস্কার পাওয়াদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বয়সের রেকর্ড এখন তার। তার বয়স ৩৮-এর বেশি। এর আগে রেকর্ডটি ছিল সাকিবের দখলে। ২০২৩ সালের মার্চে ৩৬ বছর বয়সে মাসসেরা হয়েছিলেন সাকিব।

বয়সের কারণেই এতদিন নোমানের কথা ভুলতেই বসেছিলেন অনেকে। জাতীয় দলের বাইরেও ছিলেন অনেকদিন। কিন্তু তার এবারের ফেরাটা হয়েছে দুর্দান্ত। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে ১৪৭ রানে ১১ উইকেট নেওয়ার পর তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে ১৩০ রানে নেন ৯ উইকেট। এর মধ্যে দ্বিতীয় টেস্টের এক ইনিংসে ৪৬ রানে ৮ উইকেট তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং ফিগার।

রাওয়ালপিন্ডিতে শেষ টেস্টে বল হাতে ঘূর্ণিজাদু দেখানোর পাশাপাশি ব্যাট হাতেও কার্যকারিতা দেখান নোমান। পাকিস্তান ১৭৭ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর নয়ে নেমে ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। আর তাতে ৭৭ রানের লিড পায় পাকিস্তান। পরে ৬ উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডকে ১১২ রানেই আটকে দেওয়ায় বড় ভূমিকা রাখেন নোমান। ম্যাচটি ৯ উইকেটে জিতে নেয় স্বাগতিকরা।