ঢাকা ০৫:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বস্ত্র খাতের জন্য উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী জামায়াতের এমপির অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে মোংলায় মানববন্ধন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন শিক্ষা ও কারিগরি খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সিঙ্গাপুর ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য ২০২৬-২০২৭ করবর্ষের ই-রিটার্ন সেবা চালু রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও করিডোর নিয়ে চীন-বাংলাদেশের মধ্যে আলোচনা মোদির ক্ষমা প্রার্থনা ও অমিত শাহের পদত্যাগসহ ৫ দাবি রাহুল গান্ধীর বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের সময় বাড়াতে সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় প্রস্তুত, তবে ইরান আন্তরিক নয়: রুবিও জামায়াত এমপির ঘটনার তদন্ত চান তাসনিম জারা

৩৮ বছর বয়সে মাসসেরা হয়ে সাকিবকে পেছনে ফেললেন নোমান

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

আইসিসির অক্টোবর মাসের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন পাকিস্তানের স্পিনার নোমান আলী।

মঙ্গলবার অক্টোবর মাসের সেরা ক্রিকেটারের নাম ঘোষণা করেছে আইসিসি। সেখানেই তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা শেষে পুরস্কারটি নিজের করে নেন নোমান। সেই সঙ্গে সাকিব আল হাসানের চেয়ে সবচেয়ে বেশি বয়সে মাসসেরা হওয়ার রেকর্ডও নিজের করে নেন নোমান।

গত মাসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আইসিসির টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ তিন ম্যাচের সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জেতে পাকিস্তান। এর মধ্যে দুই ম্যাচে সুযোগ পেয়েই বাঁহাতি স্পিনে ২০ উইকেট নেন নোমান আলী। বোলিং গড় মাত্র ১৩.৮৫।

ওই দুই ম্যাচের পারফরম্যান্সের জোরেই মাসসেরার লড়াইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার কাগিসো রাবাদা এবং নিউজিল্যান্ডের মিচেল স্যান্টনারকে পেছনে ফেলেছেন নোমান। মাত্র দ্বিতীয় পাকিস্তানি ক্রিকেটার হিসেবে মাসসেরা হলেন নোমান। এর আগে গত আসস্টে প্রথম পাকিস্তানি হিসেবে জেতেন বাবর আজম।

মাসসেরা হয়ে আরও একটি কীর্তি গড়েন নোমান। আইসিসির মাসসেরা পুরস্কার পাওয়াদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বয়সের রেকর্ড এখন তার। তার বয়স ৩৮-এর বেশি। এর আগে রেকর্ডটি ছিল সাকিবের দখলে। ২০২৩ সালের মার্চে ৩৬ বছর বয়সে মাসসেরা হয়েছিলেন সাকিব।

বয়সের কারণেই এতদিন নোমানের কথা ভুলতেই বসেছিলেন অনেকে। জাতীয় দলের বাইরেও ছিলেন অনেকদিন। কিন্তু তার এবারের ফেরাটা হয়েছে দুর্দান্ত। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে ১৪৭ রানে ১১ উইকেট নেওয়ার পর তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে ১৩০ রানে নেন ৯ উইকেট। এর মধ্যে দ্বিতীয় টেস্টের এক ইনিংসে ৪৬ রানে ৮ উইকেট তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং ফিগার।

রাওয়ালপিন্ডিতে শেষ টেস্টে বল হাতে ঘূর্ণিজাদু দেখানোর পাশাপাশি ব্যাট হাতেও কার্যকারিতা দেখান নোমান। পাকিস্তান ১৭৭ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর নয়ে নেমে ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। আর তাতে ৭৭ রানের লিড পায় পাকিস্তান। পরে ৬ উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডকে ১১২ রানেই আটকে দেওয়ায় বড় ভূমিকা রাখেন নোমান। ম্যাচটি ৯ উইকেটে জিতে নেয় স্বাগতিকরা।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বস্ত্র খাতের জন্য উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

৩৮ বছর বয়সে মাসসেরা হয়ে সাকিবকে পেছনে ফেললেন নোমান

আপডেট সময় ০৬:৩৭:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০২৪

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

আইসিসির অক্টোবর মাসের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন পাকিস্তানের স্পিনার নোমান আলী।

মঙ্গলবার অক্টোবর মাসের সেরা ক্রিকেটারের নাম ঘোষণা করেছে আইসিসি। সেখানেই তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা শেষে পুরস্কারটি নিজের করে নেন নোমান। সেই সঙ্গে সাকিব আল হাসানের চেয়ে সবচেয়ে বেশি বয়সে মাসসেরা হওয়ার রেকর্ডও নিজের করে নেন নোমান।

গত মাসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আইসিসির টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ তিন ম্যাচের সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জেতে পাকিস্তান। এর মধ্যে দুই ম্যাচে সুযোগ পেয়েই বাঁহাতি স্পিনে ২০ উইকেট নেন নোমান আলী। বোলিং গড় মাত্র ১৩.৮৫।

ওই দুই ম্যাচের পারফরম্যান্সের জোরেই মাসসেরার লড়াইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার কাগিসো রাবাদা এবং নিউজিল্যান্ডের মিচেল স্যান্টনারকে পেছনে ফেলেছেন নোমান। মাত্র দ্বিতীয় পাকিস্তানি ক্রিকেটার হিসেবে মাসসেরা হলেন নোমান। এর আগে গত আসস্টে প্রথম পাকিস্তানি হিসেবে জেতেন বাবর আজম।

মাসসেরা হয়ে আরও একটি কীর্তি গড়েন নোমান। আইসিসির মাসসেরা পুরস্কার পাওয়াদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বয়সের রেকর্ড এখন তার। তার বয়স ৩৮-এর বেশি। এর আগে রেকর্ডটি ছিল সাকিবের দখলে। ২০২৩ সালের মার্চে ৩৬ বছর বয়সে মাসসেরা হয়েছিলেন সাকিব।

বয়সের কারণেই এতদিন নোমানের কথা ভুলতেই বসেছিলেন অনেকে। জাতীয় দলের বাইরেও ছিলেন অনেকদিন। কিন্তু তার এবারের ফেরাটা হয়েছে দুর্দান্ত। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে ১৪৭ রানে ১১ উইকেট নেওয়ার পর তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে ১৩০ রানে নেন ৯ উইকেট। এর মধ্যে দ্বিতীয় টেস্টের এক ইনিংসে ৪৬ রানে ৮ উইকেট তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং ফিগার।

রাওয়ালপিন্ডিতে শেষ টেস্টে বল হাতে ঘূর্ণিজাদু দেখানোর পাশাপাশি ব্যাট হাতেও কার্যকারিতা দেখান নোমান। পাকিস্তান ১৭৭ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর নয়ে নেমে ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। আর তাতে ৭৭ রানের লিড পায় পাকিস্তান। পরে ৬ উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডকে ১১২ রানেই আটকে দেওয়ায় বড় ভূমিকা রাখেন নোমান। ম্যাচটি ৯ উইকেটে জিতে নেয় স্বাগতিকরা।