ঢাকা ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইরানে ‘বড় হামলা’ এখনো শুরুই হয়নি: ট্রাম্প হামলা ও সংঘাতের ঘটনা বিশ্ব সভ্যতার জন্য ভয়াবহ বার্তা দিচ্ছে: মির্জা ফখরুল জুলাই সনদের বিরুদ্ধে রায় এলে সংসদ বাতিল হয়ে যাবে: আসিফ সরকারকে বলব, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন: নাহিদ ইসলাম শ্রমিক হত্যা মামলায় আইভীর গ্রেপ্তার আবেদন মঞ্জুর মধ্যপ্রাচ্য সংকটে প্রবাসীদের নিরাপত্তাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী ছয় মাসে কী করবো জানতে চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে এবার বাহরাইনে বাংলাদেশি নিহত সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরু‌রি বিজ্ঞ‌প্তি দূতাবাসের মোহাম্মদপুরে সার্ভিসিং সেন্টারে প্রাইভেটকারে আগুন, দগ্ধ ৮

কুয়ালালামপুরে নাইট ক্লাবে অভিযান, বাংলাদেশিসহ গ্রেফতার ৮৯

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

শনিবার মধ্য রাতে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে একটি নাইট ক্লাবে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশিসহ ৮৯ জনকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। বিনোদন কেন্দ্রটিতে বিদেশি ওয়েট্রেসের আড়ালে অনৈতিক কার্যক্রম পরিচালিত হতো বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।

কুয়ালালামপুরের ফেডারেল টেরিটরি ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টের (জেআইএম) পরিচালক ওয়ান মোহাম্মদ সাউপি ওয়ান ইউসুফ রোববার এক বিবৃতিতে বলেছেন, জনসাধারণের কাছ থেকে প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে অপারেশন গেগার নামে কুয়ালালামপুর স্ট্রাইক ফোর্সের মাধ্যমে অভিযান চালানো হয়।

তিনি বলেন, জনসাধারণের পাশাপাশি গোয়েন্দা সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, এ বিনোদন কেন্দ্রে অবৈধ অভিবাসী নিয়োগের কাজ ছাড়াও অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়ে আসছিল। কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশনের ২৯ সদস্যের সমন্বয়ে দলটি মধ্যরাতে অপারেশন শুরু করে।

এ অপারেশনে গ্রাহক ও কর্মচারীসহ মোট ২১৫ জনের কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ২৩ থেকে ৫৮ বছর বয়সি বিদেশি ও স্থানীয় মিলিয়ে মোট ৮৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারদের মধ্যে ৬১ জন থাই নারী, ১০ জন ভিয়েতনামী এবং একজন লাওতিয়ান, ছয়জন বাংলাদেশি পুরুষ এবং দুইজন চীনা পুরুষ এবং স্থানীয় নাগরিকদের মধ্যে আটজন পুরুষ এবং একজন মহিলা রয়েছে।

ওয়ান ইউসুফ বলেন, বৈধ পারমিট না থাকা, পারমিটের অপব্যবহার, অতিবাহিত করা এবং অবৈধ অভিবাসীদের রক্ষা করার অপরাধের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তার মতে, প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া গেছে গ্রেফতারকৃত বিদেশিরা পর্যটক হিসেবে দেশে প্রবেশ করেছে এবং পরে এসব কাজে যোগ দিয়েছে। এই স্থানীয় ব্যক্তিদের ব্যাপারে প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে তারা তত্ত্বাবধায়ক এবং ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করে।

ওয়ান মোহাম্মদ সাউপি বলেছেন, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশন বিভাগের অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বৈধ ভ্রমণ নথি না থাকার জন্য ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ১৯৫৯/১৯৬৩-এর ধারা ৬(১)(সি) অনুযায়ী মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্ট রাখা এবং অতিরিক্ত থাকার কারণে একই আইনের ধারা ১৫ এবং(১)(সি) উপধারায় গ্রেফতার বিদেশিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুয়ালালামপুরে নাইট ক্লাবে অভিযান, বাংলাদেশিসহ গ্রেফতার ৮৯

আপডেট সময় ১০:২৪:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ নভেম্বর ২০২৪

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

শনিবার মধ্য রাতে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে একটি নাইট ক্লাবে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশিসহ ৮৯ জনকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। বিনোদন কেন্দ্রটিতে বিদেশি ওয়েট্রেসের আড়ালে অনৈতিক কার্যক্রম পরিচালিত হতো বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।

কুয়ালালামপুরের ফেডারেল টেরিটরি ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টের (জেআইএম) পরিচালক ওয়ান মোহাম্মদ সাউপি ওয়ান ইউসুফ রোববার এক বিবৃতিতে বলেছেন, জনসাধারণের কাছ থেকে প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে অপারেশন গেগার নামে কুয়ালালামপুর স্ট্রাইক ফোর্সের মাধ্যমে অভিযান চালানো হয়।

তিনি বলেন, জনসাধারণের পাশাপাশি গোয়েন্দা সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, এ বিনোদন কেন্দ্রে অবৈধ অভিবাসী নিয়োগের কাজ ছাড়াও অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়ে আসছিল। কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশনের ২৯ সদস্যের সমন্বয়ে দলটি মধ্যরাতে অপারেশন শুরু করে।

এ অপারেশনে গ্রাহক ও কর্মচারীসহ মোট ২১৫ জনের কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ২৩ থেকে ৫৮ বছর বয়সি বিদেশি ও স্থানীয় মিলিয়ে মোট ৮৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারদের মধ্যে ৬১ জন থাই নারী, ১০ জন ভিয়েতনামী এবং একজন লাওতিয়ান, ছয়জন বাংলাদেশি পুরুষ এবং দুইজন চীনা পুরুষ এবং স্থানীয় নাগরিকদের মধ্যে আটজন পুরুষ এবং একজন মহিলা রয়েছে।

ওয়ান ইউসুফ বলেন, বৈধ পারমিট না থাকা, পারমিটের অপব্যবহার, অতিবাহিত করা এবং অবৈধ অভিবাসীদের রক্ষা করার অপরাধের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তার মতে, প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া গেছে গ্রেফতারকৃত বিদেশিরা পর্যটক হিসেবে দেশে প্রবেশ করেছে এবং পরে এসব কাজে যোগ দিয়েছে। এই স্থানীয় ব্যক্তিদের ব্যাপারে প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে তারা তত্ত্বাবধায়ক এবং ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করে।

ওয়ান মোহাম্মদ সাউপি বলেছেন, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশন বিভাগের অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বৈধ ভ্রমণ নথি না থাকার জন্য ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ১৯৫৯/১৯৬৩-এর ধারা ৬(১)(সি) অনুযায়ী মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্ট রাখা এবং অতিরিক্ত থাকার কারণে একই আইনের ধারা ১৫ এবং(১)(সি) উপধারায় গ্রেফতার বিদেশিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।