ঢাকা ০৮:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

তৈরি পোশাক শিল্পে কিছু ক্ষেত্রে আশানুরূপ উন্নতি হয়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তৈরি পোশাক শিল্পে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আশানুরূপ উন্নতি হয়নি বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, তৈরি পোশাক শিল্পের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মালিক শ্রমিক উভয়কেই দায়িত্বশীল হতে হবে।

অতিসম্প্রতি আমাদের তৈরি পোশাক খাতের গ্রোথ বেশ ভালো। এ ধারাকে আমাদের ধরে রাখতে হবে। এজন্য আমাদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

ব্র্যাক সেন্টারে সিপিডি এবং খ্রিষ্টান এইড বাংলাদেশ যৌথভাবে আয়োজিত রিসেন্ট আরএমজি গ্রোথ হোয়াট লিসনস উই লার্নড অ্যাবাউট ডিসেন্ট এমপ্লয়েমেন্ট শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, তৈরি পোশাক খাতের অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের অনেক উন্নতি হয়েছে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে আশানুরূপ উন্নতি হয়নি। এজন্য আরও কাজ করার সুযোগ আছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা থেকেও এসব ক্ষেত্রে আরও পরিস্থিতির উন্নতির তাগাদা রয়েছে। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, কারখানায় শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় ট্রেড ইউনিয়ন থাকা দরকার। আমরাও সেটা চাই। তবে এ সকল ট্রেড ইউনিয়নের নেতাদের শিক্ষিত হতে হবে। তাদের শ্রমিক ও মালিকের স্বার্থ বুঝতে হবে। প্রতিষ্ঠানকে টিকিয়ে রাখতে হবে, প্রতিষ্ঠানের প্রতি দরদ থাকতে হবে। জাতীয় স্বার্থ দেখতে হবে। শ্রমিকদের স্বার্থ, সুযোগ, সুবিধা দেখার দায়িত্বও কারখানার মালিকের। উভয়ে মিলেমিশে কাজ করলে শোভন বা ডিসেন্ট কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে এবং আমাদের তৈরি পোশাক শিল্প অনেক এগিয়ে যাবে।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতকে অনেক প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে হচ্ছে জানিয়ে টিপু মুনশি বলেন, গ্রিন ফ্যাক্টরি গড়ে তুলতে বিপুল বিনিয়োগ হচ্ছে। ফ্যাক্টরিগুলোকে কর্মবান্ধব করে তুলতে ব্যয় বাড়ছে। কিন্তু সে তুলনায় তৈরি পোশাকের বিক্রয় মূল্য বাড়ছে না বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে মূল্য কমছে। সে বিষয়গুলোকেও বিবেচনায় নিতে হবে। সরকার ফ্যাক্টরির মালিক এবং শ্রমিকদের ভালো চায় এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির রিসার্স ডিরেক্টর ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিপিডির চেয়ারম্যান রেহমান সোবহান।

এছাড়াও বক্তব্য দেন শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) খালেদ মামুন চৌধুরী, গার্মেন্টস ট্রেড ইউনিয়ন সেন্টারের প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট মন্টু ঘোষ, বিজিএমইএ-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. শহিদুল্লাহ আজিম, বিকেএমইএ-এর নির্বাহী প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ হাতেম, বাংলাদেশ সেন্টার ফর ওয়ার্কারস সলিডারেটি-এর নির্বাহী পরিচালক মিসেস কল্পনা আাক্তার ও ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভ. অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের সিনিয়র ফেলো মাহিন সুলতান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন খ্রিষ্টান এইড বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মিসেস নুজহাত জাবিন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

তৈরি পোশাক শিল্পে কিছু ক্ষেত্রে আশানুরূপ উন্নতি হয়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:২৫:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তৈরি পোশাক শিল্পে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আশানুরূপ উন্নতি হয়নি বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, তৈরি পোশাক শিল্পের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মালিক শ্রমিক উভয়কেই দায়িত্বশীল হতে হবে।

অতিসম্প্রতি আমাদের তৈরি পোশাক খাতের গ্রোথ বেশ ভালো। এ ধারাকে আমাদের ধরে রাখতে হবে। এজন্য আমাদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

ব্র্যাক সেন্টারে সিপিডি এবং খ্রিষ্টান এইড বাংলাদেশ যৌথভাবে আয়োজিত রিসেন্ট আরএমজি গ্রোথ হোয়াট লিসনস উই লার্নড অ্যাবাউট ডিসেন্ট এমপ্লয়েমেন্ট শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, তৈরি পোশাক খাতের অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের অনেক উন্নতি হয়েছে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে আশানুরূপ উন্নতি হয়নি। এজন্য আরও কাজ করার সুযোগ আছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা থেকেও এসব ক্ষেত্রে আরও পরিস্থিতির উন্নতির তাগাদা রয়েছে। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, কারখানায় শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় ট্রেড ইউনিয়ন থাকা দরকার। আমরাও সেটা চাই। তবে এ সকল ট্রেড ইউনিয়নের নেতাদের শিক্ষিত হতে হবে। তাদের শ্রমিক ও মালিকের স্বার্থ বুঝতে হবে। প্রতিষ্ঠানকে টিকিয়ে রাখতে হবে, প্রতিষ্ঠানের প্রতি দরদ থাকতে হবে। জাতীয় স্বার্থ দেখতে হবে। শ্রমিকদের স্বার্থ, সুযোগ, সুবিধা দেখার দায়িত্বও কারখানার মালিকের। উভয়ে মিলেমিশে কাজ করলে শোভন বা ডিসেন্ট কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে এবং আমাদের তৈরি পোশাক শিল্প অনেক এগিয়ে যাবে।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতকে অনেক প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে হচ্ছে জানিয়ে টিপু মুনশি বলেন, গ্রিন ফ্যাক্টরি গড়ে তুলতে বিপুল বিনিয়োগ হচ্ছে। ফ্যাক্টরিগুলোকে কর্মবান্ধব করে তুলতে ব্যয় বাড়ছে। কিন্তু সে তুলনায় তৈরি পোশাকের বিক্রয় মূল্য বাড়ছে না বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে মূল্য কমছে। সে বিষয়গুলোকেও বিবেচনায় নিতে হবে। সরকার ফ্যাক্টরির মালিক এবং শ্রমিকদের ভালো চায় এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির রিসার্স ডিরেক্টর ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিপিডির চেয়ারম্যান রেহমান সোবহান।

এছাড়াও বক্তব্য দেন শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) খালেদ মামুন চৌধুরী, গার্মেন্টস ট্রেড ইউনিয়ন সেন্টারের প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট মন্টু ঘোষ, বিজিএমইএ-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. শহিদুল্লাহ আজিম, বিকেএমইএ-এর নির্বাহী প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ হাতেম, বাংলাদেশ সেন্টার ফর ওয়ার্কারস সলিডারেটি-এর নির্বাহী পরিচালক মিসেস কল্পনা আাক্তার ও ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভ. অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের সিনিয়র ফেলো মাহিন সুলতান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন খ্রিষ্টান এইড বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মিসেস নুজহাত জাবিন।