ঢাকা ১০:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন যার ডাকে এতদিন আন্দোলন করেছি সেদিন তিনিই আমাকে তাড়িয়ে দিলেন: ইসহাক সরকার আগুন নিয়ে খেলবেন না: হিজবুল্লাহকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করলেন ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য রাশিয়া সাধ্যের মধ্যে সবকিছু করবে: পুতিন ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প ভুল সংশোধনীর মাধ্যমে জোরদার হবে: অর্থমন্ত্রী হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জামায়াত কর্মীকে হত্যা সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা আমেরিকা অপমানিত, ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: জার্মানি ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি চায় না শিক্ষার্থীরা : হুইপ বকুল

রোহিঙ্গা সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান চায় ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ.এইচ.মাহমুদ আলি বলেছেন, বাংলাদেশ সদ্য সমাপ্ত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উত্থাপিত পাঁচ দফা প্রস্তাব অনুযায়ী যত দ্রুত সম্ভব রোহিঙ্গা সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান চায়। রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে স্মার্ট প্লেজেসের ওপর প্রস্ততিমূলক সভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাঁচ দফা প্রস্তাবের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক এই সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে বিশ্বাসী। আমরা যত দ্রুত সম্ভব এই সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান করতে চাই।’

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডিপার্টমেন্ট অব ফিল্ড সাপোর্টের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মিজ লিসা এম. বুট্টেনহেই।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গারা নিজ দেশে জাতিগত নিধনের শিকার হচ্ছেন। স্থান ও সম্পদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও আমরা পাঁচ লাখের বেশি মিয়ানমার নাগরিককে আশ্রয় দিয়েছি। ইতোমধ্যেই বিগত তিন দশকে মিয়ানমার থেকে আসা প্রায় চার লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে থাকা সত্ত্বেও মানবিক কারণে আমরা নতুন করে আসা রোহিঙ্গাদের ঠাঁই দিয়েছি।

মাহমুদ আলি বলেন, ‘আমাদের দেশে মিয়ানমারের এই জোরপূর্বক বাস্তুচ্যূত নাগরিকদের উপস্থিতি বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করছে।’

জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী অভিযানের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতিতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শান্তিরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের জন্য আগের দিনের তুলনায় বর্তমানে শান্তি অভিযান অনেক বেশি জটিল। তিনি জানান, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীকে আরো কার্যকর করে তুলতে জাতিসংঘ এই বাহিনীতে বেশকিছু সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

মাহমুদ আলি আরো বলেন, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীর অন্যতম সৈন্য ও পুলিশ প্রেরণকারী দেশ হিসেবে আমরা আমাদের অভিজ্ঞতার আলোকে জাতিসংঘের সব ধরনের পদক্ষেপে অবদান রাখছি।

তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষার দায়িত্ব পালন করা এখন আরো জটিল হয়ে পড়ায় চাহিদা ও ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে বাংলাদেশ তার বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি করছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই সভা আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর সম্মুখভাবে থাকার আগ্রহ প্রকাশ পেল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন

রোহিঙ্গা সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান চায় ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:২০:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ.এইচ.মাহমুদ আলি বলেছেন, বাংলাদেশ সদ্য সমাপ্ত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উত্থাপিত পাঁচ দফা প্রস্তাব অনুযায়ী যত দ্রুত সম্ভব রোহিঙ্গা সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান চায়। রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে স্মার্ট প্লেজেসের ওপর প্রস্ততিমূলক সভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাঁচ দফা প্রস্তাবের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক এই সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে বিশ্বাসী। আমরা যত দ্রুত সম্ভব এই সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান করতে চাই।’

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডিপার্টমেন্ট অব ফিল্ড সাপোর্টের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মিজ লিসা এম. বুট্টেনহেই।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গারা নিজ দেশে জাতিগত নিধনের শিকার হচ্ছেন। স্থান ও সম্পদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও আমরা পাঁচ লাখের বেশি মিয়ানমার নাগরিককে আশ্রয় দিয়েছি। ইতোমধ্যেই বিগত তিন দশকে মিয়ানমার থেকে আসা প্রায় চার লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে থাকা সত্ত্বেও মানবিক কারণে আমরা নতুন করে আসা রোহিঙ্গাদের ঠাঁই দিয়েছি।

মাহমুদ আলি বলেন, ‘আমাদের দেশে মিয়ানমারের এই জোরপূর্বক বাস্তুচ্যূত নাগরিকদের উপস্থিতি বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করছে।’

জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী অভিযানের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতিতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শান্তিরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের জন্য আগের দিনের তুলনায় বর্তমানে শান্তি অভিযান অনেক বেশি জটিল। তিনি জানান, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীকে আরো কার্যকর করে তুলতে জাতিসংঘ এই বাহিনীতে বেশকিছু সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

মাহমুদ আলি আরো বলেন, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীর অন্যতম সৈন্য ও পুলিশ প্রেরণকারী দেশ হিসেবে আমরা আমাদের অভিজ্ঞতার আলোকে জাতিসংঘের সব ধরনের পদক্ষেপে অবদান রাখছি।

তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষার দায়িত্ব পালন করা এখন আরো জটিল হয়ে পড়ায় চাহিদা ও ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে বাংলাদেশ তার বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি করছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই সভা আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর সম্মুখভাবে থাকার আগ্রহ প্রকাশ পেল।