ঢাকা ০৩:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যেকোনো দুর্যোগে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করতে হবে: জুবাইদা রহমান নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান রিজভীর ভাইরাল ভিডিওর নারীকে ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ দাবি জামায়াত এমপির প্রবাসী কার্ডধারীদের ভূমি সেবা সহজ করতে ভূমিমন্ত্রীর নির্দেশ মানবতাবিরোধী অপরাধে মোজাফফরকে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ রাজধানীতে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড সাইবার বুলিং শক্ত হাতে দমনে সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্য উপদেষ্টা মুন্সীগঞ্জে চাচাতো ভাইকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেফতার ময়মনসিংহে ট্রাক-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৩ চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচির বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ অসত্য: আন্তঃশিক্ষা বোর্ড

ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়ল ২১ হাজার কোটি টাকা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ফ্লোর প্রাইস বেঁধে দেওয়ায় এক সপ্তাহেই ডিএসইর বাজার মূলধন ২১ হাজার কোটি টাকা বেড়েছে। বিদায়ী সপ্তাহে পুঁজিবাজারের সব সূচকে বড় উত্থান হয়েছে।

সূচকের সঙ্গে টাকার পরিমাণে লেনদেনও বেড়েছে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এদিকে বাজার ঊর্ধ্বমুখী রাখতে বড় ভূমিকা রেখেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) থেকে প্রতিটি সিকিউরিটিজের ফ্লোর প্রাইস (দাম কমার সর্বনিম্ন সীমা) বেঁধে দেওয়া এবং পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ হিসাবের ক্ষেত্রে বাজার মূল্যের বদলে ক্রয়মূল্য বিবেচনায় নিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দেওয়া সম্মতি। সব মিলিয়ে এসব ইতিবাচক সিদ্ধান্তে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দেশের পুঁজিবাজার।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিদায়ী সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস লেনদেন শুরুর আগে ডিএসইতে বাজার মূলধন ছিল ৪ লাখ ৯২ হাজার ১১৩ কোটি ৭ লাখ ৭৪ হাজার ৪২১ টাকা। আর সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস লেনদেন শেষে বাজার মূলধন দাঁড়ায় ৫ লাখ ১৩ হাজার ৪৭৭ কোটি ৩৯ লাখ ৯৫ হাজার ৫৪ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন ২১ হাজার ৩৬৪ কোটি ৩২ লাখ ২০ হাজার ৬৩৩ টাকা বেড়েছে।

বিদায়ী সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৩ হাজার ১৬৯ কোটি ১৯ লাখ ৮২ হাজার ৩০১ টাকার লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৩ হাজার ১৬৯ কোটি ১৯ লাখ ৮২ হাজার ৩০১ টাকার। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেনে ১ হাজার ৮৮৯ কোটি ৪৪ লাখ ৪৫ হাজার ৭৭৭ টাকা বেড়েছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৩১.৭৪ পয়েন্ট বা ৫.৫৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৩১২.২৫ পয়েন্টে। অপর সূচকগুলোর মধ্যে ডিএসইর শরিয়াহ সূচক ৬৬.৯৯ পয়েন্ট বা ৫.১২ শতাংশ এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১১৯.৯৫ পয়েন্ট বা ৫.৫৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১ হাজার ৩৭৫.১৯ পয়েন্টে এবং ২ হাজার ২৬৫.২০ পয়েন্টে।

বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩৮৮টি প্রতিষ্ঠান শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ৩৭৩টির, কমেছে ৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৮টির শেয়ার ও ইউনিট দর।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ৯০ কোটি ৫৫ লাখ ৯৬ হাজার ৯৪২ টাকার। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৭৮ কোটি ৭৮ লাখ ৬৫ হাজার ৭৬৩ টাকার। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে সিএসইতে লেনদেন ১১ কোটি ৭৭ লাখ ৩১ হাজার ১৭৯ টাকা বেড়েছে।

সপ্তাহটিতে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৯৪৩.৩৭ পয়েন্ট বা ৫.৩৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৫৪০.৯৩ পয়েন্টে।

সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ৩৪৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৩২৭টির দর বেড়েছে, ৯টির কমেছে এবং ৯টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যেকোনো দুর্যোগে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করতে হবে: জুবাইদা রহমান

ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়ল ২১ হাজার কোটি টাকা

আপডেট সময় ০৪:৪৭:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ফ্লোর প্রাইস বেঁধে দেওয়ায় এক সপ্তাহেই ডিএসইর বাজার মূলধন ২১ হাজার কোটি টাকা বেড়েছে। বিদায়ী সপ্তাহে পুঁজিবাজারের সব সূচকে বড় উত্থান হয়েছে।

সূচকের সঙ্গে টাকার পরিমাণে লেনদেনও বেড়েছে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এদিকে বাজার ঊর্ধ্বমুখী রাখতে বড় ভূমিকা রেখেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) থেকে প্রতিটি সিকিউরিটিজের ফ্লোর প্রাইস (দাম কমার সর্বনিম্ন সীমা) বেঁধে দেওয়া এবং পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ হিসাবের ক্ষেত্রে বাজার মূল্যের বদলে ক্রয়মূল্য বিবেচনায় নিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দেওয়া সম্মতি। সব মিলিয়ে এসব ইতিবাচক সিদ্ধান্তে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দেশের পুঁজিবাজার।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিদায়ী সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস লেনদেন শুরুর আগে ডিএসইতে বাজার মূলধন ছিল ৪ লাখ ৯২ হাজার ১১৩ কোটি ৭ লাখ ৭৪ হাজার ৪২১ টাকা। আর সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস লেনদেন শেষে বাজার মূলধন দাঁড়ায় ৫ লাখ ১৩ হাজার ৪৭৭ কোটি ৩৯ লাখ ৯৫ হাজার ৫৪ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন ২১ হাজার ৩৬৪ কোটি ৩২ লাখ ২০ হাজার ৬৩৩ টাকা বেড়েছে।

বিদায়ী সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৩ হাজার ১৬৯ কোটি ১৯ লাখ ৮২ হাজার ৩০১ টাকার লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৩ হাজার ১৬৯ কোটি ১৯ লাখ ৮২ হাজার ৩০১ টাকার। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেনে ১ হাজার ৮৮৯ কোটি ৪৪ লাখ ৪৫ হাজার ৭৭৭ টাকা বেড়েছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৩১.৭৪ পয়েন্ট বা ৫.৫৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৩১২.২৫ পয়েন্টে। অপর সূচকগুলোর মধ্যে ডিএসইর শরিয়াহ সূচক ৬৬.৯৯ পয়েন্ট বা ৫.১২ শতাংশ এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১১৯.৯৫ পয়েন্ট বা ৫.৫৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১ হাজার ৩৭৫.১৯ পয়েন্টে এবং ২ হাজার ২৬৫.২০ পয়েন্টে।

বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩৮৮টি প্রতিষ্ঠান শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ৩৭৩টির, কমেছে ৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৮টির শেয়ার ও ইউনিট দর।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ৯০ কোটি ৫৫ লাখ ৯৬ হাজার ৯৪২ টাকার। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৭৮ কোটি ৭৮ লাখ ৬৫ হাজার ৭৬৩ টাকার। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে সিএসইতে লেনদেন ১১ কোটি ৭৭ লাখ ৩১ হাজার ১৭৯ টাকা বেড়েছে।

সপ্তাহটিতে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৯৪৩.৩৭ পয়েন্ট বা ৫.৩৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৫৪০.৯৩ পয়েন্টে।

সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ৩৪৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৩২৭টির দর বেড়েছে, ৯টির কমেছে এবং ৯টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।