ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তরুণদের সঙ্গে জাইমা রহমানের ‘চায়ের আড্ডা’ নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার অপতৎপরতা কঠোর হস্তে দমনের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নারীবিদ্বেষী রাজনীতির বিরুদ্ধে জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে জবাব দেবে : নিপুণ রায় বিমানের এমডি ও তাঁর স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার ৪ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনের কঠোর প্রয়োগ হওয়া দরকার: প্রেস সচিব চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনে কাজ করছি : আমিনুল হক ফ্যাসিবাদী কাঠামো বিলুপ্ত করতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’র বিকল্প নেই: আলী রীয়াজ রাজধানীর ভোটকেন্দ্রে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার নির্বাচনে বিএনপিকে জনগণ লাল কার্ড দেখাবে: জামায়াত আমির পরের সরকারের জন্য অর্থনীতিতে ‘বড় চ্যালেঞ্জ’ রয়েছে: অর্থ উপদেষ্টা

সরকার পতনে সম্মিলিত আন্দোলনে ঐক্যমত বিএনপি-জেএসডি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সরকার পতনে জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি করে সম্মিলিতভাবে আন্দোলন নামতে ঐক্যমত হয়েছে বিএনপি-জেএসডি। রোববার বিকালে আ স ম আবদুর রবের নেতৃত্বাধীন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-ডেএসডির সঙ্গে দেড় ঘন্টার সংলাপ শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের একথা জানান।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার থাকলে আমরা কোনো নির্বাচনে অংশ গ্রহন করব না। শুধু তাই নয়, আমরা এক সঙ্গে এক জোটেই কাজ করব যেন আমরা এই সরকারকে পরাজিত করে সত্যিকার অর্থেই জনগনের কাছে একটা গ্রহনযোগ্য নির্বাচন করতে পারি। সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করতে একমত হয়েছি।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের এই ঐক্যমত শুধু নির্বাচন নয়, আমরা যেন রাষ্ট্রের একটা আমূল পরিবর্তন করতে পারি। ৭১’ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে আমরা যে স্বপ্ন দেখেছিলাম সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে আমরা যৌথভাবে কাজ করার চিন্তা করেছি। আমরা মনে করি, আন্দোলনের মধ্য দিয়েই ঐক্য গড়ে উঠবে। আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ভবিষ্যতই বলে দেবে, আমরা কোন পথে এগুব, আন্দোলনের ধারা ও গতি কি হবে।

এসময় আ স ম আবদুর বর বলেন, এবারের আন্দোলনের লক্ষ্য হবে একই সঙ্গে স্বৈরাচার সরকারের পতন, নিপীড়নমূলক অগণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার উচ্ছেদ, শাসনতন্ত্র পরিবর্তন, দলীয় সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন নয়। আমরা মাঠে নামব। মাঠে জনগন আমাদের থাকবে, তারাই ডিক্টেড করবে আমরা কোথায় যাবো? আন্দোলনের কৌশল ঠিক হবে মাঠে। এই আলোচনায় আমরা ২১ দফা দাবিনামা নিয়ে কথা বলেছি। জাতীয় রাজনীতির প্রয়োজনে আন্দোলনের স্বার্থে আমাদের এই আলোচনা অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, আমরা ২০১৮ সালে একসঙ্গে আন্দোলন করেছি। এবার পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে জাতীয় সরকারের একটা কর্মসূচি ঘোষণা করেছি। আজকে দেশে জনগনের মালিকানা নেই। এবার আমরা স্বাধীনতার আকাংখিত রাষ্ট্র বিনির্মাণ শুরু করব। এই আন্দোলনই হবে আমাদের দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ।

উত্তরার ৩ নং সেক্টরে আ স ম আবদুর বরের বাসায় বিএনপির সঙ্গে এ সংলাপ হয়। বিএনপি প্রতিনিধি দলে মির্জা ফখরুল ছাড়াও স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, ইকবাল হাসান মাহমদু টুকু ও মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক জহিরউদ্দিন স্বপন উপস্থিত ছিলেন। সংলাপে চার সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব।

অন্যরা হলেন, দলটির সাধারণ সম্পাদক ছানোয়ার হোসেন তালুকদার, কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক শহিদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন ও সহসভাপতি তানিয়া রব।

সরকার বিরোধী আন্দোলনে বৃহত্তর প্ল্যাটফর্ম গড়তে তুলতে বিএনপি মহাসচিব ২৪ মে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করে। প্রথম দফায় মাহমুদুর রহমান মান্নার নাগরিক ঐক্য, জোনায়েদ সাকির গনসংহতি আন্দোলন, সাইফুল হকের বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সঙ্গে সংলাপ করেন তিনি।

এছাড়া এই পর্যন্ত বিএনপি ২০ দলীয় জোটের শরিক জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর), জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), বাংলাদেশ লেবার পার্টি, ন্যাপ-ভাসানী, মুসলিম লীগ, ইসলামী ঐক্যজোট, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, সাম্যবাদী দল, ডেমোক্রেটিক দলের সঙ্গেও সংলাপ শেষ করেছে বিএনপি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এ আর রহমানকে অতিথি করায় বিজেপি নেতার তোপের মুখে কপিল শর্মা

সরকার পতনে সম্মিলিত আন্দোলনে ঐক্যমত বিএনপি-জেএসডি

আপডেট সময় ১১:২২:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ জুলাই ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সরকার পতনে জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি করে সম্মিলিতভাবে আন্দোলন নামতে ঐক্যমত হয়েছে বিএনপি-জেএসডি। রোববার বিকালে আ স ম আবদুর রবের নেতৃত্বাধীন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-ডেএসডির সঙ্গে দেড় ঘন্টার সংলাপ শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের একথা জানান।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার থাকলে আমরা কোনো নির্বাচনে অংশ গ্রহন করব না। শুধু তাই নয়, আমরা এক সঙ্গে এক জোটেই কাজ করব যেন আমরা এই সরকারকে পরাজিত করে সত্যিকার অর্থেই জনগনের কাছে একটা গ্রহনযোগ্য নির্বাচন করতে পারি। সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করতে একমত হয়েছি।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের এই ঐক্যমত শুধু নির্বাচন নয়, আমরা যেন রাষ্ট্রের একটা আমূল পরিবর্তন করতে পারি। ৭১’ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে আমরা যে স্বপ্ন দেখেছিলাম সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে আমরা যৌথভাবে কাজ করার চিন্তা করেছি। আমরা মনে করি, আন্দোলনের মধ্য দিয়েই ঐক্য গড়ে উঠবে। আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ভবিষ্যতই বলে দেবে, আমরা কোন পথে এগুব, আন্দোলনের ধারা ও গতি কি হবে।

এসময় আ স ম আবদুর বর বলেন, এবারের আন্দোলনের লক্ষ্য হবে একই সঙ্গে স্বৈরাচার সরকারের পতন, নিপীড়নমূলক অগণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার উচ্ছেদ, শাসনতন্ত্র পরিবর্তন, দলীয় সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন নয়। আমরা মাঠে নামব। মাঠে জনগন আমাদের থাকবে, তারাই ডিক্টেড করবে আমরা কোথায় যাবো? আন্দোলনের কৌশল ঠিক হবে মাঠে। এই আলোচনায় আমরা ২১ দফা দাবিনামা নিয়ে কথা বলেছি। জাতীয় রাজনীতির প্রয়োজনে আন্দোলনের স্বার্থে আমাদের এই আলোচনা অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, আমরা ২০১৮ সালে একসঙ্গে আন্দোলন করেছি। এবার পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে জাতীয় সরকারের একটা কর্মসূচি ঘোষণা করেছি। আজকে দেশে জনগনের মালিকানা নেই। এবার আমরা স্বাধীনতার আকাংখিত রাষ্ট্র বিনির্মাণ শুরু করব। এই আন্দোলনই হবে আমাদের দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ।

উত্তরার ৩ নং সেক্টরে আ স ম আবদুর বরের বাসায় বিএনপির সঙ্গে এ সংলাপ হয়। বিএনপি প্রতিনিধি দলে মির্জা ফখরুল ছাড়াও স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, ইকবাল হাসান মাহমদু টুকু ও মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক জহিরউদ্দিন স্বপন উপস্থিত ছিলেন। সংলাপে চার সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব।

অন্যরা হলেন, দলটির সাধারণ সম্পাদক ছানোয়ার হোসেন তালুকদার, কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক শহিদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন ও সহসভাপতি তানিয়া রব।

সরকার বিরোধী আন্দোলনে বৃহত্তর প্ল্যাটফর্ম গড়তে তুলতে বিএনপি মহাসচিব ২৪ মে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করে। প্রথম দফায় মাহমুদুর রহমান মান্নার নাগরিক ঐক্য, জোনায়েদ সাকির গনসংহতি আন্দোলন, সাইফুল হকের বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সঙ্গে সংলাপ করেন তিনি।

এছাড়া এই পর্যন্ত বিএনপি ২০ দলীয় জোটের শরিক জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর), জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), বাংলাদেশ লেবার পার্টি, ন্যাপ-ভাসানী, মুসলিম লীগ, ইসলামী ঐক্যজোট, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, সাম্যবাদী দল, ডেমোক্রেটিক দলের সঙ্গেও সংলাপ শেষ করেছে বিএনপি।