ঢাকা ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী জঙ্গল সলিমপুরে পানিতে বিষ মিশিয়ে যৌথবাহিনী সদস্যদের হত্যাচেষ্টা! দেশে ১ কোটি লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী তুরাবদের রক্তের বিনিময়েই দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান জনগণের স্বার্থের বিপরীতে কিছু করলে দায়ভার সরকারের ওপরই পড়বে: মান্না অস্ত্র প্রস্তুত, তবে ইরানকে ‘কিছুটা সময়’ দিচ্ছেন ট্রাম্প : মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিএনপি মো. সাহাবুদ্দিনকে ‘সেফ এক্সিট’ দিতে চায়: আখতার প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে ঘিরে উত্তেজনা-ধস্তাধস্তি, বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান গণতন্ত্র যতবারই হোঁচট খেয়েছে, ততবারই মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: ডা. জাহিদ বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢুকে পড়লো কুর্মিটোলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে, নিহত ১

চার কান নিয়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে বিড়াল

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

দু’জোড়া কান এবং ত্রুটিপূর্ণ চোয়াল নিয়ে জন্মেছিল বিড়ালটি। বাড়তি এক জোড়া কানের কারণে দেখতে কিছুটা অদ্ভূত মিডাস নামের বিড়ালটি। তবে এই বাড়তি এক জোড়া কানই তাকে এনে দিয়েছে বাড়তি জনপ্রিয়তা

মাত্র চার মাস বয়সেই ইন্টারনেটে সাড়া ফেলে দিয়েছে মিডাস। তার রয়েছে নিজস্ব ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট। সেখানে তার নিত্যদিনের কাজকর্মের ছবি আপলোড করা হয়। নেটমাধ্যমে ৭৩ হাজার ফলোয়ার আছে তার।

ইনস্টাগ্রামে মিডাসের ছবি আপলোড করার সঙ্গে সঙ্গেই লাইক এবং ভালবাসার বন্যা বয়ে যায়। মিডাসের জন্য শুভেচ্ছার ঢল নেমে আসে। চারটি কান নিয়ে জন্মে তারকা হয়ে গেছে মিডাস।

মিডাসের জন্ম তুরস্কের আঙ্কারাতে । আরও চার ভাইবোন রয়েছে তার। তবে বেশি দিন ভাইবোনেদের সঙ্গে রাস্তায় পড়ে থাকতে হয়নি তাকে।

আঙ্কারারই একটি পরিবার এই অদ্ভুতদর্শন বিড়ালটিকে দত্তক নিয়ে নেয়। সাধ করে তার নাম রাখে মিডাস। গ্রিক পুরাণ অনুযায়ী মিডাস এক রাজার নাম, যার স্পর্শে সব কিছুই সোনায় পরিণত হত। সেই থেকেই বিড়ালছানার এমন নামকরণ করে ওই পরিবার।

ওই পরিবারের মনে হয়েছিল, তার এই অদ্ভুত রূপের জন্যই হয়তো তাকে ভুগতে হবে। তাকে কেউই ভালবাসবে না, কেউ তাকে আশ্রয় দিতে চাইবে না।

আগে থেকেই তাদের বাড়িতে দু’টি কুকুর রয়েছে। মিডাসের সঙ্গে তাদের বেশ ভাব।

মিডাসের এই রূপ তার স্বাস্থ্যে কোনো খারাপ প্রভাব ফেলে না বলে জানিয়েছেন প্রাণী বিশেষজ্ঞেরা। ঠিকমতো শুনতেও পায় সে। তাদের মতে, এটি এক ধরনের জিনগত ত্রুটি।

মিডাসের শারীরিক পরীক্ষা করার পর বিশেষজ্ঞেরা জানান, অনেকের ধারণা মিডাস বুঝি অন্যদের তুলনায় বেশি শুনতে পায়। কিন্তু কান পরীক্ষা করে দেখা গেছে বাইরে থেকে দেখে চারটি কানযুক্ত বিড়াল মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে তা দুটি কানেরই কাজ করে। কারণ মিডাসের কানের পাতাগুলো ভেতরে শ্রবণযন্ত্রের সঙ্গেই যুক্ত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী

চার কান নিয়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে বিড়াল

আপডেট সময় ১০:০১:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ নভেম্বর ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

দু’জোড়া কান এবং ত্রুটিপূর্ণ চোয়াল নিয়ে জন্মেছিল বিড়ালটি। বাড়তি এক জোড়া কানের কারণে দেখতে কিছুটা অদ্ভূত মিডাস নামের বিড়ালটি। তবে এই বাড়তি এক জোড়া কানই তাকে এনে দিয়েছে বাড়তি জনপ্রিয়তা

মাত্র চার মাস বয়সেই ইন্টারনেটে সাড়া ফেলে দিয়েছে মিডাস। তার রয়েছে নিজস্ব ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট। সেখানে তার নিত্যদিনের কাজকর্মের ছবি আপলোড করা হয়। নেটমাধ্যমে ৭৩ হাজার ফলোয়ার আছে তার।

ইনস্টাগ্রামে মিডাসের ছবি আপলোড করার সঙ্গে সঙ্গেই লাইক এবং ভালবাসার বন্যা বয়ে যায়। মিডাসের জন্য শুভেচ্ছার ঢল নেমে আসে। চারটি কান নিয়ে জন্মে তারকা হয়ে গেছে মিডাস।

মিডাসের জন্ম তুরস্কের আঙ্কারাতে । আরও চার ভাইবোন রয়েছে তার। তবে বেশি দিন ভাইবোনেদের সঙ্গে রাস্তায় পড়ে থাকতে হয়নি তাকে।

আঙ্কারারই একটি পরিবার এই অদ্ভুতদর্শন বিড়ালটিকে দত্তক নিয়ে নেয়। সাধ করে তার নাম রাখে মিডাস। গ্রিক পুরাণ অনুযায়ী মিডাস এক রাজার নাম, যার স্পর্শে সব কিছুই সোনায় পরিণত হত। সেই থেকেই বিড়ালছানার এমন নামকরণ করে ওই পরিবার।

ওই পরিবারের মনে হয়েছিল, তার এই অদ্ভুত রূপের জন্যই হয়তো তাকে ভুগতে হবে। তাকে কেউই ভালবাসবে না, কেউ তাকে আশ্রয় দিতে চাইবে না।

আগে থেকেই তাদের বাড়িতে দু’টি কুকুর রয়েছে। মিডাসের সঙ্গে তাদের বেশ ভাব।

মিডাসের এই রূপ তার স্বাস্থ্যে কোনো খারাপ প্রভাব ফেলে না বলে জানিয়েছেন প্রাণী বিশেষজ্ঞেরা। ঠিকমতো শুনতেও পায় সে। তাদের মতে, এটি এক ধরনের জিনগত ত্রুটি।

মিডাসের শারীরিক পরীক্ষা করার পর বিশেষজ্ঞেরা জানান, অনেকের ধারণা মিডাস বুঝি অন্যদের তুলনায় বেশি শুনতে পায়। কিন্তু কান পরীক্ষা করে দেখা গেছে বাইরে থেকে দেখে চারটি কানযুক্ত বিড়াল মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে তা দুটি কানেরই কাজ করে। কারণ মিডাসের কানের পাতাগুলো ভেতরে শ্রবণযন্ত্রের সঙ্গেই যুক্ত।