ঢাকা ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্রশিবিরকে তরুণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সন্তানেরা যুগ্মসচিব-বুয়েট শিক্ষক, তবুও একা ঘরে মরতে হলো বৃদ্ধ মাকে ‘ইরান সরকারের ভিত্তি নড়ে গেছে, এটি ভেঙে পড়তে বাধ্য’ খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭ বর্তমান সরকার সব মানুষের ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: মঈন খান জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শীতে নলেন গুড়ের ৫ রসালো খাবার

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

বাঙ্গালীর কাছে শীতকাল মানেই যেমন কমলালেবু, সবুজ সবজি, বিট-গাজরের সমাহার, তেমনই শীতকাল মানেই কিন্তু নলেন গুড়। মিষ্টিপ্রিয় বাঙালির ঘরে ঘরে এ সময় নলেন গুড় পাওয়া যায়।

কেউ গুড় দিয়ে রুটি খেতে পছন্দ করেন। কেউ চিড়ের সঙ্গে, কেউ বা পিঠার সঙ্গে। কিন্তু এসব ছাড়াও গুড়ের একাধিক রেসিপি হয়। তার মধ্যেই বিখ্যাত কয়েকটি বাঙালির অতি প্রিয়।

আসুন জেনে নেই খাবারগুলো সম্পর্কে-

নলেন গুড়ের রসগোল্লা: রসে টইটম্বুর, লালচে গোলাকার মিষ্টি মানেই শীতকালে বাঙালির কাছে নলেন গুড়ের রসগোল্লা। সাদা রসগোল্লার থেকে এ সময়ে গুড়ের রসগোল্লাই বেশিরভাগ মানুষের প্রিয়। এ ক্ষেত্রে রসগোল্লার রসে চিনির বদলে অল্প গুড় মেশানো হয়, রসগোল্লার মন্ডতেও গুড় মেশানো হয়ে থাকে। তাই মুখে দিলেই গলে যাওয়া আর সঙ্গে গুড়ের গন্ধ, যেকোনো মিষ্টিপ্রিয় মানুষ একসঙ্গে পাঁচ-ছয়টা খেয়ে নিতে পারে। আর যদি রসগোল্লা হয় গরম তা হলে তো কথাই নেই!

নলেন গুড়ের সন্দেশ: শীতে নলেন গুড় হল বাঙালির মাস্ট হ্যাভ। রসগোল্লা খেতে পছন্দ না করলেও অপশন রেডি। রয়েছে নলেন গুড়ের সন্দেশ। লালচে রঙের বিভিন্ন ছাঁচে তৈরি এই সন্দেশও কিন্তু হৃদয় হরণ করতে পারে যে কারও। সাধারণত, ছানা, দুধ, আর চিনি দিয়ে তৈরি হয় সন্দেশ। এ ক্ষেত্রে চিনির পরিবর্তে নলেন গুড় ব্যবহার করা হয়। সন্দেশের ওপরে অনেক সময় বিভিন্ন বাদামও ব্যবহার করা হয়। কড়া পাকের সন্দেশ, নরম পাকের সন্দেশ- উভয়ই পাওয়া যায়।

নলেন গুড়ের কাঁচাগোল্লা: সন্দেশ যে উপকরণ দিয়ে তৈরি হয়, কাঁচাগোল্লাও সাধারণত সেই উপকরণ দিয়েই তৈরি হয়। কিন্তু পাক কম হয় এবং খুবই নরম হয়। প্রাণহরা বা কাঁচাগোল্লা এ সময়ে চিনির পরিবর্তে খেজুর গুড়ের রস দিয়ে তৈরি হয়।

নলেন গুড়ের পায়েস: শীতে পায়েস মানেই বেশিরভাগ বাড়িতে নলেন গুড়ের পায়েস তৈরি করা হয়। গোবিন্দভোগ চালের গন্ধ সঙ্গে গুড়ের গন্ধ একদম স্পেশাল একটা আমেজ তৈরি করে।

নলেন গুড়ের পাটিসাপটা: ইংরেজিতে বোঝাতে গেলে প্যানকেক রোল বলা যেতে পারে। কিন্তু বাঙালিদের কাছে জনপ্রিয় পাটিসাপটা নামেই! মাঝে ক্ষীর বা নারকেলের পুর আর বাইরে হালকা একটা লেয়ার এই খাবারের টেক্সচারই বদলে দেয়। অনেকেই পাটি সাপটার ব্যাটারে গুড়ের ব্যবহার করে থাকেন। অনেকে আবার নারকেলের পুর গুড় দিয়ে করে থাকেন। সাধারণত, পৌষ সংক্রান্তিতে এ খাবার সকলের ঘরে ঘরে হয়ে থাকে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি

শীতে নলেন গুড়ের ৫ রসালো খাবার

আপডেট সময় ১১:০৯:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ নভেম্বর ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

বাঙ্গালীর কাছে শীতকাল মানেই যেমন কমলালেবু, সবুজ সবজি, বিট-গাজরের সমাহার, তেমনই শীতকাল মানেই কিন্তু নলেন গুড়। মিষ্টিপ্রিয় বাঙালির ঘরে ঘরে এ সময় নলেন গুড় পাওয়া যায়।

কেউ গুড় দিয়ে রুটি খেতে পছন্দ করেন। কেউ চিড়ের সঙ্গে, কেউ বা পিঠার সঙ্গে। কিন্তু এসব ছাড়াও গুড়ের একাধিক রেসিপি হয়। তার মধ্যেই বিখ্যাত কয়েকটি বাঙালির অতি প্রিয়।

আসুন জেনে নেই খাবারগুলো সম্পর্কে-

নলেন গুড়ের রসগোল্লা: রসে টইটম্বুর, লালচে গোলাকার মিষ্টি মানেই শীতকালে বাঙালির কাছে নলেন গুড়ের রসগোল্লা। সাদা রসগোল্লার থেকে এ সময়ে গুড়ের রসগোল্লাই বেশিরভাগ মানুষের প্রিয়। এ ক্ষেত্রে রসগোল্লার রসে চিনির বদলে অল্প গুড় মেশানো হয়, রসগোল্লার মন্ডতেও গুড় মেশানো হয়ে থাকে। তাই মুখে দিলেই গলে যাওয়া আর সঙ্গে গুড়ের গন্ধ, যেকোনো মিষ্টিপ্রিয় মানুষ একসঙ্গে পাঁচ-ছয়টা খেয়ে নিতে পারে। আর যদি রসগোল্লা হয় গরম তা হলে তো কথাই নেই!

নলেন গুড়ের সন্দেশ: শীতে নলেন গুড় হল বাঙালির মাস্ট হ্যাভ। রসগোল্লা খেতে পছন্দ না করলেও অপশন রেডি। রয়েছে নলেন গুড়ের সন্দেশ। লালচে রঙের বিভিন্ন ছাঁচে তৈরি এই সন্দেশও কিন্তু হৃদয় হরণ করতে পারে যে কারও। সাধারণত, ছানা, দুধ, আর চিনি দিয়ে তৈরি হয় সন্দেশ। এ ক্ষেত্রে চিনির পরিবর্তে নলেন গুড় ব্যবহার করা হয়। সন্দেশের ওপরে অনেক সময় বিভিন্ন বাদামও ব্যবহার করা হয়। কড়া পাকের সন্দেশ, নরম পাকের সন্দেশ- উভয়ই পাওয়া যায়।

নলেন গুড়ের কাঁচাগোল্লা: সন্দেশ যে উপকরণ দিয়ে তৈরি হয়, কাঁচাগোল্লাও সাধারণত সেই উপকরণ দিয়েই তৈরি হয়। কিন্তু পাক কম হয় এবং খুবই নরম হয়। প্রাণহরা বা কাঁচাগোল্লা এ সময়ে চিনির পরিবর্তে খেজুর গুড়ের রস দিয়ে তৈরি হয়।

নলেন গুড়ের পায়েস: শীতে পায়েস মানেই বেশিরভাগ বাড়িতে নলেন গুড়ের পায়েস তৈরি করা হয়। গোবিন্দভোগ চালের গন্ধ সঙ্গে গুড়ের গন্ধ একদম স্পেশাল একটা আমেজ তৈরি করে।

নলেন গুড়ের পাটিসাপটা: ইংরেজিতে বোঝাতে গেলে প্যানকেক রোল বলা যেতে পারে। কিন্তু বাঙালিদের কাছে জনপ্রিয় পাটিসাপটা নামেই! মাঝে ক্ষীর বা নারকেলের পুর আর বাইরে হালকা একটা লেয়ার এই খাবারের টেক্সচারই বদলে দেয়। অনেকেই পাটি সাপটার ব্যাটারে গুড়ের ব্যবহার করে থাকেন। অনেকে আবার নারকেলের পুর গুড় দিয়ে করে থাকেন। সাধারণত, পৌষ সংক্রান্তিতে এ খাবার সকলের ঘরে ঘরে হয়ে থাকে।