ঢাকা ১২:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ধরা খেয়ে দ্বিতীয় বিয়ের নাটক সাজাবেন, সেটা কেমন চরিত্র আর হেকমত?’ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা জুলাই সনদ অসাংবিধানিক হলে বিএনপি সরকারও অবৈধ: সারজিস আলম বিএনপি শুধু গণভোট নয়, নিজেদের ৩১ দফার অঙ্গীকার থেকেও সরে এসেছে: আখতার হোসেন চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্ত হত্যাকে বৈধতা দিয়েছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির বর্ষপূতি: শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগোতে হবে: ডা. জুবাইদা লুটপাটের জন্য ছাত্রজনতা রক্ত দেয়নি: হাসনাত আবদুল্লাহ যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আঘাত না হানলে আজ ইসরাইলের অস্তিত্ব থাকত না: ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

শীতে নলেন গুড়ের ৫ রসালো খাবার

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

বাঙ্গালীর কাছে শীতকাল মানেই যেমন কমলালেবু, সবুজ সবজি, বিট-গাজরের সমাহার, তেমনই শীতকাল মানেই কিন্তু নলেন গুড়। মিষ্টিপ্রিয় বাঙালির ঘরে ঘরে এ সময় নলেন গুড় পাওয়া যায়।

কেউ গুড় দিয়ে রুটি খেতে পছন্দ করেন। কেউ চিড়ের সঙ্গে, কেউ বা পিঠার সঙ্গে। কিন্তু এসব ছাড়াও গুড়ের একাধিক রেসিপি হয়। তার মধ্যেই বিখ্যাত কয়েকটি বাঙালির অতি প্রিয়।

আসুন জেনে নেই খাবারগুলো সম্পর্কে-

নলেন গুড়ের রসগোল্লা: রসে টইটম্বুর, লালচে গোলাকার মিষ্টি মানেই শীতকালে বাঙালির কাছে নলেন গুড়ের রসগোল্লা। সাদা রসগোল্লার থেকে এ সময়ে গুড়ের রসগোল্লাই বেশিরভাগ মানুষের প্রিয়। এ ক্ষেত্রে রসগোল্লার রসে চিনির বদলে অল্প গুড় মেশানো হয়, রসগোল্লার মন্ডতেও গুড় মেশানো হয়ে থাকে। তাই মুখে দিলেই গলে যাওয়া আর সঙ্গে গুড়ের গন্ধ, যেকোনো মিষ্টিপ্রিয় মানুষ একসঙ্গে পাঁচ-ছয়টা খেয়ে নিতে পারে। আর যদি রসগোল্লা হয় গরম তা হলে তো কথাই নেই!

নলেন গুড়ের সন্দেশ: শীতে নলেন গুড় হল বাঙালির মাস্ট হ্যাভ। রসগোল্লা খেতে পছন্দ না করলেও অপশন রেডি। রয়েছে নলেন গুড়ের সন্দেশ। লালচে রঙের বিভিন্ন ছাঁচে তৈরি এই সন্দেশও কিন্তু হৃদয় হরণ করতে পারে যে কারও। সাধারণত, ছানা, দুধ, আর চিনি দিয়ে তৈরি হয় সন্দেশ। এ ক্ষেত্রে চিনির পরিবর্তে নলেন গুড় ব্যবহার করা হয়। সন্দেশের ওপরে অনেক সময় বিভিন্ন বাদামও ব্যবহার করা হয়। কড়া পাকের সন্দেশ, নরম পাকের সন্দেশ- উভয়ই পাওয়া যায়।

নলেন গুড়ের কাঁচাগোল্লা: সন্দেশ যে উপকরণ দিয়ে তৈরি হয়, কাঁচাগোল্লাও সাধারণত সেই উপকরণ দিয়েই তৈরি হয়। কিন্তু পাক কম হয় এবং খুবই নরম হয়। প্রাণহরা বা কাঁচাগোল্লা এ সময়ে চিনির পরিবর্তে খেজুর গুড়ের রস দিয়ে তৈরি হয়।

নলেন গুড়ের পায়েস: শীতে পায়েস মানেই বেশিরভাগ বাড়িতে নলেন গুড়ের পায়েস তৈরি করা হয়। গোবিন্দভোগ চালের গন্ধ সঙ্গে গুড়ের গন্ধ একদম স্পেশাল একটা আমেজ তৈরি করে।

নলেন গুড়ের পাটিসাপটা: ইংরেজিতে বোঝাতে গেলে প্যানকেক রোল বলা যেতে পারে। কিন্তু বাঙালিদের কাছে জনপ্রিয় পাটিসাপটা নামেই! মাঝে ক্ষীর বা নারকেলের পুর আর বাইরে হালকা একটা লেয়ার এই খাবারের টেক্সচারই বদলে দেয়। অনেকেই পাটি সাপটার ব্যাটারে গুড়ের ব্যবহার করে থাকেন। অনেকে আবার নারকেলের পুর গুড় দিয়ে করে থাকেন। সাধারণত, পৌষ সংক্রান্তিতে এ খাবার সকলের ঘরে ঘরে হয়ে থাকে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ধরা খেয়ে দ্বিতীয় বিয়ের নাটক সাজাবেন, সেটা কেমন চরিত্র আর হেকমত?’

শীতে নলেন গুড়ের ৫ রসালো খাবার

আপডেট সময় ১১:০৯:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ নভেম্বর ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

বাঙ্গালীর কাছে শীতকাল মানেই যেমন কমলালেবু, সবুজ সবজি, বিট-গাজরের সমাহার, তেমনই শীতকাল মানেই কিন্তু নলেন গুড়। মিষ্টিপ্রিয় বাঙালির ঘরে ঘরে এ সময় নলেন গুড় পাওয়া যায়।

কেউ গুড় দিয়ে রুটি খেতে পছন্দ করেন। কেউ চিড়ের সঙ্গে, কেউ বা পিঠার সঙ্গে। কিন্তু এসব ছাড়াও গুড়ের একাধিক রেসিপি হয়। তার মধ্যেই বিখ্যাত কয়েকটি বাঙালির অতি প্রিয়।

আসুন জেনে নেই খাবারগুলো সম্পর্কে-

নলেন গুড়ের রসগোল্লা: রসে টইটম্বুর, লালচে গোলাকার মিষ্টি মানেই শীতকালে বাঙালির কাছে নলেন গুড়ের রসগোল্লা। সাদা রসগোল্লার থেকে এ সময়ে গুড়ের রসগোল্লাই বেশিরভাগ মানুষের প্রিয়। এ ক্ষেত্রে রসগোল্লার রসে চিনির বদলে অল্প গুড় মেশানো হয়, রসগোল্লার মন্ডতেও গুড় মেশানো হয়ে থাকে। তাই মুখে দিলেই গলে যাওয়া আর সঙ্গে গুড়ের গন্ধ, যেকোনো মিষ্টিপ্রিয় মানুষ একসঙ্গে পাঁচ-ছয়টা খেয়ে নিতে পারে। আর যদি রসগোল্লা হয় গরম তা হলে তো কথাই নেই!

নলেন গুড়ের সন্দেশ: শীতে নলেন গুড় হল বাঙালির মাস্ট হ্যাভ। রসগোল্লা খেতে পছন্দ না করলেও অপশন রেডি। রয়েছে নলেন গুড়ের সন্দেশ। লালচে রঙের বিভিন্ন ছাঁচে তৈরি এই সন্দেশও কিন্তু হৃদয় হরণ করতে পারে যে কারও। সাধারণত, ছানা, দুধ, আর চিনি দিয়ে তৈরি হয় সন্দেশ। এ ক্ষেত্রে চিনির পরিবর্তে নলেন গুড় ব্যবহার করা হয়। সন্দেশের ওপরে অনেক সময় বিভিন্ন বাদামও ব্যবহার করা হয়। কড়া পাকের সন্দেশ, নরম পাকের সন্দেশ- উভয়ই পাওয়া যায়।

নলেন গুড়ের কাঁচাগোল্লা: সন্দেশ যে উপকরণ দিয়ে তৈরি হয়, কাঁচাগোল্লাও সাধারণত সেই উপকরণ দিয়েই তৈরি হয়। কিন্তু পাক কম হয় এবং খুবই নরম হয়। প্রাণহরা বা কাঁচাগোল্লা এ সময়ে চিনির পরিবর্তে খেজুর গুড়ের রস দিয়ে তৈরি হয়।

নলেন গুড়ের পায়েস: শীতে পায়েস মানেই বেশিরভাগ বাড়িতে নলেন গুড়ের পায়েস তৈরি করা হয়। গোবিন্দভোগ চালের গন্ধ সঙ্গে গুড়ের গন্ধ একদম স্পেশাল একটা আমেজ তৈরি করে।

নলেন গুড়ের পাটিসাপটা: ইংরেজিতে বোঝাতে গেলে প্যানকেক রোল বলা যেতে পারে। কিন্তু বাঙালিদের কাছে জনপ্রিয় পাটিসাপটা নামেই! মাঝে ক্ষীর বা নারকেলের পুর আর বাইরে হালকা একটা লেয়ার এই খাবারের টেক্সচারই বদলে দেয়। অনেকেই পাটি সাপটার ব্যাটারে গুড়ের ব্যবহার করে থাকেন। অনেকে আবার নারকেলের পুর গুড় দিয়ে করে থাকেন। সাধারণত, পৌষ সংক্রান্তিতে এ খাবার সকলের ঘরে ঘরে হয়ে থাকে।