ঢাকা ০৬:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সু চির দলের দুই নেতার ১৬৫ বছরের কারাদণ্ড

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সু চির দলের দুই নেতাকে মোট ১৬৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের একটি আদালত সু চির রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসির ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ার পর থান নাইংকে ৯০ বছর এবং নান খিন হইতে মিয়ন্তকে ৭৫ বছরের কারাদণ্ড দেন। তাদের আইনজীবীরা এ খবর নিশ্চিত করেছেন।

আইনজীবীর বরাত দিয়ে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্নীতির ছয়টি অভিযোগে অভিযুক্ত কাইন প্রদেশের সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী থান নাইংকে ৯০ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন প্রাদেশিক আদালত।

একই দিনে কাইন প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ৬৭ বছর বয়সী নান খিন হইতে মিয়ন্তকে মোট পাঁচটি অভিযোগে অভিযুক্ত করেন আদালত। প্রতিটি অভিযোগে ১৫ বছর করে তাকে মোট ৭৫ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

সু চির রাজনৈতিক দলের গ্রেফতার নেতাদের মধ্যে কাউকে এই প্রথম এতো গুরতর সাজা দেওয়া হলো বলে গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দেশটিতে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখলের পর সু চির দলের অনেক নেতা গ্রেফতার হন।

মিয়ানমারে আটক মার্কিন সাংবাদিক ড্যানি ফেনস্টারের বিরুদ্ধে নতুন করে সন্ত্রাসবাদে জড়িত থাকার ও সরকার উৎখাত চেষ্টায় ভিন্নমত উসকে দেওয়ার অভিযোগ আনার দিনই এই দণ্ডাদেশের খবর পাওয়া গেল।

৩৭ বছর বয়সি ফেনস্টার ছিলেন ফ্রন্টিয়ার মিয়ানমারের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক। এ বছরের মে মাসে মিয়ানমার ছাড়ার ফ্লাইটে উঠতে গিয়ে ইয়াঙ্গুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আটক হন তিনি। দোষী সাব্যস্ত হলে সন্ত্রাসবাদ আইনে তার সর্বোচ্চ ২০ এবং সরকার উৎখাতচেষ্টার দায়ে আরও ২০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

ইয়াঙ্গুনের কুখ্যাত ইনসেইন কারাগারে বন্দি ফেনস্টারকে ছাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমারের সামরিক জান্তার ওপর ধারাবাহিক চাপ দিয়ে যাচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

সু চির দলের দুই নেতার ১৬৫ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৬:৫১:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ নভেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সু চির দলের দুই নেতাকে মোট ১৬৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের একটি আদালত সু চির রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসির ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ার পর থান নাইংকে ৯০ বছর এবং নান খিন হইতে মিয়ন্তকে ৭৫ বছরের কারাদণ্ড দেন। তাদের আইনজীবীরা এ খবর নিশ্চিত করেছেন।

আইনজীবীর বরাত দিয়ে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্নীতির ছয়টি অভিযোগে অভিযুক্ত কাইন প্রদেশের সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী থান নাইংকে ৯০ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন প্রাদেশিক আদালত।

একই দিনে কাইন প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ৬৭ বছর বয়সী নান খিন হইতে মিয়ন্তকে মোট পাঁচটি অভিযোগে অভিযুক্ত করেন আদালত। প্রতিটি অভিযোগে ১৫ বছর করে তাকে মোট ৭৫ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

সু চির রাজনৈতিক দলের গ্রেফতার নেতাদের মধ্যে কাউকে এই প্রথম এতো গুরতর সাজা দেওয়া হলো বলে গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দেশটিতে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখলের পর সু চির দলের অনেক নেতা গ্রেফতার হন।

মিয়ানমারে আটক মার্কিন সাংবাদিক ড্যানি ফেনস্টারের বিরুদ্ধে নতুন করে সন্ত্রাসবাদে জড়িত থাকার ও সরকার উৎখাত চেষ্টায় ভিন্নমত উসকে দেওয়ার অভিযোগ আনার দিনই এই দণ্ডাদেশের খবর পাওয়া গেল।

৩৭ বছর বয়সি ফেনস্টার ছিলেন ফ্রন্টিয়ার মিয়ানমারের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক। এ বছরের মে মাসে মিয়ানমার ছাড়ার ফ্লাইটে উঠতে গিয়ে ইয়াঙ্গুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আটক হন তিনি। দোষী সাব্যস্ত হলে সন্ত্রাসবাদ আইনে তার সর্বোচ্চ ২০ এবং সরকার উৎখাতচেষ্টার দায়ে আরও ২০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

ইয়াঙ্গুনের কুখ্যাত ইনসেইন কারাগারে বন্দি ফেনস্টারকে ছাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমারের সামরিক জান্তার ওপর ধারাবাহিক চাপ দিয়ে যাচ্ছে।