ঢাকা ০৩:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক যুক্ত হচ্ছে না: ডা. জাহেদ দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু নির্দোষ হয়েও আমি অপরাধী: আইভী বিনিয়োগ সেবা সহজ করতে ৬৬১.৫ কোটি টাকার ‘বাংলাবিজ’ প্রকল্প সরকারের শুধু আইন করে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়: মির্জা ফখরুল মিরসরাই শিল্পাঞ্চলে ৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্কের সানকো যশোরে জামায়াত এমপির বাড়ি ঘেরাও তুরস্ককে ‘এফ-৩৫’ দেওয়া নিয়ে নেতানিয়াহুর আপত্তি উড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ ঠিক হয়নি, তবে প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন : সিইসি ইমরান খানের কারাবাস নিয়ে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞের:অমানবিক আচরণ’ বন্ধের আহ্বান

‘সমুদ্রের সোনা’ পেয়ে রাতারাতি ১১ কোটি টাকার মালিক মৎস্যজীবী!

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

মাসে বড়জোর ২০ হাজার টাকা আয় করতেন থাইল্যান্ডের মৎস্যজীবী নারং ফেটচারাজ। তবে হঠাৎ করেই ১১ কোটি টাকার মালিক হয়ে গেলেন তিনি। মূলত তিনি খুঁজে পেয়েছেন তিমির বমি, যার মূল্য এক মিলিয়ন পাউন্ডের সমান। হতবাক হওয়ার কোনও কারণ নেই। যা বলা হল তার গোটাটাই সত্যি।

সমুদ্রে মাছ ধরে তীরে ফিরছিলেন নারং। সুরাট থানি প্রভিন্সের নিয়োম সৈকতে তার নজরে পড়ে পাথরের মতো একটি বস্তু। জিনিসটা যে কী সে সম্পর্কে নারংয়ের ধারণাই ছিল না। তবু সন্দেহ হয় তার। কাছে গিয়ে ভাল করে পরীক্ষা করেন তিনি। পাথরের মতো দেখতে হলেও মোমের মতো উপাদান দেখে নারং বোঝেন ওটা তিমির বমি হতে পারে। বিনা দ্বিধায় জিনিসটা বগলদাবা করে প্রিন্স অফ সোংক্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞদের কাছে নিয়ে যান তিনি।

নারংয়ের আশা ছিল, যদি কিছু পয়সাকড়ি পাওয়া যায়। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের পরীক্ষার পর জানা গেল, কিছু নয়, নারংয়ের খুঁজে পাওয়া পাথরের দাম ১১ কোটি টাকা। বিশেষজ্ঞেরা জানান, ওই জিনিসটির নাম অ্যামবারগ্রিস, স্পার্ম জাতীয় তিমির বমি যা জমে শক্ত হয়ে যায় এবং সমুদ্রে ভেসে বেড়ায়। নারংয়ের পাওয়া অ্যামবারগ্রিসের ওজন ৩০ কেজি। শেষ যে অ্যামবারগ্রিস পাওয়া গেছিল তার দর অনুযায়ী নারং এখন ১১ কোটি টাকার মালিক। তিমির বমির এই রূপকে ‘সমুদ্রের সোনা’ বলা হয় এবং প্রকৃত সোনার চেয়েও এর দাম বেশি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক যুক্ত হচ্ছে না: ডা. জাহেদ

‘সমুদ্রের সোনা’ পেয়ে রাতারাতি ১১ কোটি টাকার মালিক মৎস্যজীবী!

আপডেট সময় ০৯:২৮:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

মাসে বড়জোর ২০ হাজার টাকা আয় করতেন থাইল্যান্ডের মৎস্যজীবী নারং ফেটচারাজ। তবে হঠাৎ করেই ১১ কোটি টাকার মালিক হয়ে গেলেন তিনি। মূলত তিনি খুঁজে পেয়েছেন তিমির বমি, যার মূল্য এক মিলিয়ন পাউন্ডের সমান। হতবাক হওয়ার কোনও কারণ নেই। যা বলা হল তার গোটাটাই সত্যি।

সমুদ্রে মাছ ধরে তীরে ফিরছিলেন নারং। সুরাট থানি প্রভিন্সের নিয়োম সৈকতে তার নজরে পড়ে পাথরের মতো একটি বস্তু। জিনিসটা যে কী সে সম্পর্কে নারংয়ের ধারণাই ছিল না। তবু সন্দেহ হয় তার। কাছে গিয়ে ভাল করে পরীক্ষা করেন তিনি। পাথরের মতো দেখতে হলেও মোমের মতো উপাদান দেখে নারং বোঝেন ওটা তিমির বমি হতে পারে। বিনা দ্বিধায় জিনিসটা বগলদাবা করে প্রিন্স অফ সোংক্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞদের কাছে নিয়ে যান তিনি।

নারংয়ের আশা ছিল, যদি কিছু পয়সাকড়ি পাওয়া যায়। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের পরীক্ষার পর জানা গেল, কিছু নয়, নারংয়ের খুঁজে পাওয়া পাথরের দাম ১১ কোটি টাকা। বিশেষজ্ঞেরা জানান, ওই জিনিসটির নাম অ্যামবারগ্রিস, স্পার্ম জাতীয় তিমির বমি যা জমে শক্ত হয়ে যায় এবং সমুদ্রে ভেসে বেড়ায়। নারংয়ের পাওয়া অ্যামবারগ্রিসের ওজন ৩০ কেজি। শেষ যে অ্যামবারগ্রিস পাওয়া গেছিল তার দর অনুযায়ী নারং এখন ১১ কোটি টাকার মালিক। তিমির বমির এই রূপকে ‘সমুদ্রের সোনা’ বলা হয় এবং প্রকৃত সোনার চেয়েও এর দাম বেশি।