ঢাকা ০২:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বনিবনা না হলে কবে আবার তিনিও জামায়াত থেকে বের হয়ে যান: রাশেদ খাঁন হজ্জ ক্যাম্পে প্রবাসীদের জন্য ১০০ শয্যার আবাসন ব্যবস্থার ঘোষণা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর নিউইয়র্কে দুর্বৃত্তের গুলিতে আহত বাংলাদেশি ট্যাক্সি ড্রাইভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বৈশ্বিক পোশাক রপ্তানিতে ভিয়েতনামের কাছে দ্বিতীয় স্থান হারিয়েছে বাংলাদেশ: বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি সেনাসদর নির্বাচনি পর্ষদ-২০২৬’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে কেমিক্যাল কারখানায় আগুন, ফায়ার ফাইটারসহ আহত ৫ দেশে আরও এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বাহাত্তরের সংবিধান থেকেই ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল: ড. দিলারা চৌধুরী

রান্নার পাত্রে চড়ে বিয়ে সারলেন পাত্র-পাত্রী!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

বন্যায় ভাসছে ভারতের কেরালা রাজ্য। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গাতে বন্যায় প্রাণ হারিয়েছে কমপক্ষে ৫৫ জন। এরই মধ্যে বিয়ের লগ্ন পেরিয়ে যাচ্ছিল কেরালার আকাশ ও ঐশ্বরিয়ার। তাই রান্নার পাত্রে চড়ে বিয়ে সারলেন তারা।

জানা যায়, একবার তারা বিয়ের জন্য ছুটি নিয়েছেন। এই দফায় পিছিয়ে দিলে, আর ছুটি পাবেন না। তাই বিকল্প এক আয়োজন করলেন তারা। গ্রামের একটি ছোট্ট মন্দিরে গেলেন। তাও আংশিক প্লাবিত। আরেকটি মন্দির থেকে অ্যালুমিনিয়ামে তৈরি বিশাল একটি রান্নার পাত্র নিলেন। অগত্যা তাতেই চড়ে বসলেন বর-কনে। গেলেন নিজেদের গ্রাম থালাভাদির ছোট্ট মন্দিরে। অবশ্য বন্যার পানিতে ডুবে থাকা রাস্তার ওপর দিয়ে তাদেরকে ঠেলে ওই মন্দিরে নিয়ে গেলেন আত্মীয়রা। সেখানেই ওই অ্যালুমিনিয়াম পাত্রে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হলো।

তাদের এই মজার পন্থা ধরা পড়ল বন্যা-কভারেজে উপস্থিত থাকা সাংবাদিকদের ক্যামেরায়। তারপরই বিষয়টি সংবাদমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়ে যায়। আকাশ এবং ঐশ্বরিয়া দু’জনেই স্বাস্থ্যকর্মী।

বিয়ের পর এই দম্পতি সাংবাদিকদের বলেন, যেহেতু তারা গতকাল সোমবারের জন্য বিয়ের সময়সূচি নির্ধারণ করেছিল, তাই তারা এই শুভ অনুষ্ঠানটিকে পিছাতে চাননি। বিয়েতে দেরি না করে একসঙ্গে সমানের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ঐশ্বরিয়া জানিয়েছেন, যখন তারা কিছুদিন আগে মন্দিরে গিয়েছিলেন সেখানে পানি ছিল না। কিন্তু গত দু’দিনের প্রবল বৃষ্টির পর জায়গাটি প্লাবিত হয়। এরপরই তারা অ্যালুমিনিয়াম পাত্রে চড়ে মন্ডপে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং বিয়ে সারেন।

ভারী বর্ষণে কেরালা রাজ্যে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এ পর্যন্ত বন্যায় ও ভূমিধসে কমপক্ষে ৫৫ জন মারা গেছে বলে বিভিন্ন মাধ্যমে খবর পাওয়া যাচ্ছে। নদীগুলো বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ব্রিজ ও সড়ক পানিতে ভাসিয়ে নিয়েছে। বহু শহর ও গ্রাম বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বনিবনা না হলে কবে আবার তিনিও জামায়াত থেকে বের হয়ে যান: রাশেদ খাঁন

রান্নার পাত্রে চড়ে বিয়ে সারলেন পাত্র-পাত্রী!

আপডেট সময় ০৯:২৪:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

বন্যায় ভাসছে ভারতের কেরালা রাজ্য। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গাতে বন্যায় প্রাণ হারিয়েছে কমপক্ষে ৫৫ জন। এরই মধ্যে বিয়ের লগ্ন পেরিয়ে যাচ্ছিল কেরালার আকাশ ও ঐশ্বরিয়ার। তাই রান্নার পাত্রে চড়ে বিয়ে সারলেন তারা।

জানা যায়, একবার তারা বিয়ের জন্য ছুটি নিয়েছেন। এই দফায় পিছিয়ে দিলে, আর ছুটি পাবেন না। তাই বিকল্প এক আয়োজন করলেন তারা। গ্রামের একটি ছোট্ট মন্দিরে গেলেন। তাও আংশিক প্লাবিত। আরেকটি মন্দির থেকে অ্যালুমিনিয়ামে তৈরি বিশাল একটি রান্নার পাত্র নিলেন। অগত্যা তাতেই চড়ে বসলেন বর-কনে। গেলেন নিজেদের গ্রাম থালাভাদির ছোট্ট মন্দিরে। অবশ্য বন্যার পানিতে ডুবে থাকা রাস্তার ওপর দিয়ে তাদেরকে ঠেলে ওই মন্দিরে নিয়ে গেলেন আত্মীয়রা। সেখানেই ওই অ্যালুমিনিয়াম পাত্রে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হলো।

তাদের এই মজার পন্থা ধরা পড়ল বন্যা-কভারেজে উপস্থিত থাকা সাংবাদিকদের ক্যামেরায়। তারপরই বিষয়টি সংবাদমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়ে যায়। আকাশ এবং ঐশ্বরিয়া দু’জনেই স্বাস্থ্যকর্মী।

বিয়ের পর এই দম্পতি সাংবাদিকদের বলেন, যেহেতু তারা গতকাল সোমবারের জন্য বিয়ের সময়সূচি নির্ধারণ করেছিল, তাই তারা এই শুভ অনুষ্ঠানটিকে পিছাতে চাননি। বিয়েতে দেরি না করে একসঙ্গে সমানের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ঐশ্বরিয়া জানিয়েছেন, যখন তারা কিছুদিন আগে মন্দিরে গিয়েছিলেন সেখানে পানি ছিল না। কিন্তু গত দু’দিনের প্রবল বৃষ্টির পর জায়গাটি প্লাবিত হয়। এরপরই তারা অ্যালুমিনিয়াম পাত্রে চড়ে মন্ডপে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং বিয়ে সারেন।

ভারী বর্ষণে কেরালা রাজ্যে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এ পর্যন্ত বন্যায় ও ভূমিধসে কমপক্ষে ৫৫ জন মারা গেছে বলে বিভিন্ন মাধ্যমে খবর পাওয়া যাচ্ছে। নদীগুলো বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ব্রিজ ও সড়ক পানিতে ভাসিয়ে নিয়েছে। বহু শহর ও গ্রাম বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।