ঢাকা ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বাহাত্তরের সংবিধান থেকেই ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল: ড. দিলারা চৌধুরী দলীয় পদধারীদের নিয়োগ দিলে গণতন্ত্র অবশিষ্ট থাকে না: আখতার হোসেন তিন সীমান্তে ২২ জনকে পুশইন চেষ্টা নস্যাৎ বিজিবির ভালো কাজ না করলে সমর্থনের প্রয়োজন নেই: সারজিস দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্পে ১০০০ ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল শাহজালাল বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজের পাশে আগুন জুলাই সনদে ফাঁকফোকর ছিল: মান্না ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ থেকে কর্নেল অলির ‘হুংকার’ তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

গবেষণা মতে – যাদের ঘুম থেকে উঠতে সমস্যা হয় তারা বেশি বুদ্ধিমান

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

যদি সকালে ঘুম থেকে উঠতে আপনার সমস্যা হয় তাহলে দুঃখিত হবেন না। পুরাতন একটি গবেষণাকেই নতুনভাবে করা হয়েছে যাতে প্রমাণিত হয়েছে যে যাদের ঘুম থেকে উঠতে সমস্যা হয় তারা অনেক বেশি বুদ্ধিমান।

শীতের সকালে ঘুম থেকে জেগে বিছানা ছেড়ে নামাটা আসলেই খুব কষ্টসাধ্য একটি কাজ। ঘুম থেকে জাগার পরও আরো কিছুটা সময় লেপের নীচে শুয়ে থাকতে ইচ্ছে করে উষ্ণতার জন্য, তাই না! কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি যে সকালে ঘুম থেকে ওঠা সফল জীবনের চাবিকাঠি।

নতুন একটি গবেষণায় প্রকাশ করা হয়েছে যে, সকালে ঘুম ভেঙ্গে যাওয়ার পরও যদি আপনি পুনরায় তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে যান বিছানা থেকে ওঠতে দেরি হয় তাহলে এজন্য আপনার অপরাধবোধে ভোগার কারণ নেই, বরং এ ধরনের আচরণ দ্বারা এটাই বুঝা যায় যে আপনি অনেক বেশি বুদ্ধিমান, সৃজনশীল এবং সুখি।

‘কেন রাত জাগা মানুষেরা অনেক বেশি বুদ্ধিমান’ এই বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করে নেদারল্যান্ড এর এলসভিয়ার কোম্পানি ২০০৯ সালে। যাতে ব্যাখ্যা করা হয় যে, আপনার ঘুমাতে যাওয়া এবং জেগে ওঠা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকলে তা আপনার বুদ্ধিমত্তার লক্ষণ। লেখক সাতোসি কানাজাওয়া এবং কাজা প্যারিনা এর মতে, তন্দ্রা এবং নতুন এই উপায়ে নিজেকে অভিযোজিত করাটা অনেক বেশি বুদ্ধিমত্তার কাজ।

অ্যালার্মের শব্দ শোনা মাত্রই ঘুম থেকে জেগে ওঠাকে উপেক্ষা করা, শরীরের চাওয়া অনুযায়ী কাজ করা অর্থই হচ্ছে আপনি আপনার লক্ষ্যের প্রতি অবিচল এবং আপনি আপনার সমস্যাকে নিজেই সমাধান করতে পারেন। এটি আপনাকে অনেক বেশি সৃজনশীল এবং স্বাধীন হতে সাহায্য করে বলে প্রমাণ দিয়েছেন কানাজাওয়া এবং প্যারিনা।

এই গবেষণা প্রতিবেদনটি ইংল্যান্ডের সাউথাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৯৮ সালের গবেষণাটির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই গবেষণাটিতে ১,২২৯ জন মানুষের সামাজিক-অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং তাদের ঘুমের ধরনের মাঝে সম্পর্কটি দেখা হয়। এতে দেখানো হয়েছে যে যারা রাত ১১ টার পর ঘুমাতে যান এবং সকাল ৮ টার পর ওঠেন তারা অনেকবেশি অর্থ উপার্জন করেন এবং একটি সুখি জীবন উপভোগ করেন।

আপনি সৃজনশীল হওয়া সত্ত্বেও সকালে আরেকটু ঘুমিয়ে নেয়া আপনার বুদ্ধিমত্তার বিকাশে সাহায্য করে। যদিও অনেক বেশি ঘুমানোর পরামর্শ দেয়া হয়নি। ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশনের মতে পূর্ণবয়স্ মানুষের স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন বজায় রাখার জন্য দৈনিক ৭ থেকে ৯ ঘন্টা ঘুমানো প্রয়োজন।

সকালের তন্দ্রার কারণে আপনাকে অলস অথবা শৃঙ্খলাহীন বলা হবে না আর! তাই নিশ্চিন্তে উপভোগ করুন সকালের তন্দ্রা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

গবেষণা মতে – যাদের ঘুম থেকে উঠতে সমস্যা হয় তারা বেশি বুদ্ধিমান

আপডেট সময় ১১:৫২:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

যদি সকালে ঘুম থেকে উঠতে আপনার সমস্যা হয় তাহলে দুঃখিত হবেন না। পুরাতন একটি গবেষণাকেই নতুনভাবে করা হয়েছে যাতে প্রমাণিত হয়েছে যে যাদের ঘুম থেকে উঠতে সমস্যা হয় তারা অনেক বেশি বুদ্ধিমান।

শীতের সকালে ঘুম থেকে জেগে বিছানা ছেড়ে নামাটা আসলেই খুব কষ্টসাধ্য একটি কাজ। ঘুম থেকে জাগার পরও আরো কিছুটা সময় লেপের নীচে শুয়ে থাকতে ইচ্ছে করে উষ্ণতার জন্য, তাই না! কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি যে সকালে ঘুম থেকে ওঠা সফল জীবনের চাবিকাঠি।

নতুন একটি গবেষণায় প্রকাশ করা হয়েছে যে, সকালে ঘুম ভেঙ্গে যাওয়ার পরও যদি আপনি পুনরায় তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে যান বিছানা থেকে ওঠতে দেরি হয় তাহলে এজন্য আপনার অপরাধবোধে ভোগার কারণ নেই, বরং এ ধরনের আচরণ দ্বারা এটাই বুঝা যায় যে আপনি অনেক বেশি বুদ্ধিমান, সৃজনশীল এবং সুখি।

‘কেন রাত জাগা মানুষেরা অনেক বেশি বুদ্ধিমান’ এই বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করে নেদারল্যান্ড এর এলসভিয়ার কোম্পানি ২০০৯ সালে। যাতে ব্যাখ্যা করা হয় যে, আপনার ঘুমাতে যাওয়া এবং জেগে ওঠা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকলে তা আপনার বুদ্ধিমত্তার লক্ষণ। লেখক সাতোসি কানাজাওয়া এবং কাজা প্যারিনা এর মতে, তন্দ্রা এবং নতুন এই উপায়ে নিজেকে অভিযোজিত করাটা অনেক বেশি বুদ্ধিমত্তার কাজ।

অ্যালার্মের শব্দ শোনা মাত্রই ঘুম থেকে জেগে ওঠাকে উপেক্ষা করা, শরীরের চাওয়া অনুযায়ী কাজ করা অর্থই হচ্ছে আপনি আপনার লক্ষ্যের প্রতি অবিচল এবং আপনি আপনার সমস্যাকে নিজেই সমাধান করতে পারেন। এটি আপনাকে অনেক বেশি সৃজনশীল এবং স্বাধীন হতে সাহায্য করে বলে প্রমাণ দিয়েছেন কানাজাওয়া এবং প্যারিনা।

এই গবেষণা প্রতিবেদনটি ইংল্যান্ডের সাউথাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৯৮ সালের গবেষণাটির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই গবেষণাটিতে ১,২২৯ জন মানুষের সামাজিক-অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং তাদের ঘুমের ধরনের মাঝে সম্পর্কটি দেখা হয়। এতে দেখানো হয়েছে যে যারা রাত ১১ টার পর ঘুমাতে যান এবং সকাল ৮ টার পর ওঠেন তারা অনেকবেশি অর্থ উপার্জন করেন এবং একটি সুখি জীবন উপভোগ করেন।

আপনি সৃজনশীল হওয়া সত্ত্বেও সকালে আরেকটু ঘুমিয়ে নেয়া আপনার বুদ্ধিমত্তার বিকাশে সাহায্য করে। যদিও অনেক বেশি ঘুমানোর পরামর্শ দেয়া হয়নি। ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশনের মতে পূর্ণবয়স্ মানুষের স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন বজায় রাখার জন্য দৈনিক ৭ থেকে ৯ ঘন্টা ঘুমানো প্রয়োজন।

সকালের তন্দ্রার কারণে আপনাকে অলস অথবা শৃঙ্খলাহীন বলা হবে না আর! তাই নিশ্চিন্তে উপভোগ করুন সকালের তন্দ্রা।