ঢাকা ০৩:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

৩ দেশের নতুন জোট নিয়ে ফ্রান্সের ক্ষোভ, কী বলছে যুক্তরাষ্ট্র?

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র মিলে নতুন জোট গঠনের তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে ফ্রান্স। এটিকে দেশটি ‘পেছন থেকে আঘাত হিসেবে’ দেখছে।

ওই চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য অস্ট্রেলিয়াকে পরমাণু চালিত সাবমেরিন নির্মাণের প্রযুক্তি দিয়ে সহযোগিতা করবে। এখানেই ফ্রান্স অসন্তুষ্ট। কারণ এ চুক্তির কারণে অস্ট্রেলিয়া ১২টি সাবমেরিন নির্মাণের জন্য যে ৪০ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করেছিল, তা বাতিল হয়ে গেছে।

ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটি সত্যিকার অর্থেই পেছন থেকে আঘাত।

তিনি বলেন, আমরা অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে একটি আস্থার সম্পর্ক তৈরি করেছিলাম, কিন্তু সেই আস্থার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে। তবে ফ্রান্সের ক্ষোভ কমাতে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ফ্রান্স অনেক বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ‘গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার’ হিসেবে রয়েছে।

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিঙ্কেন এ কথা বলেন। খবর আলজাজিরার।

ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে কেন্দ্র করে এইউকেইউস নামে সম্প্রতি যে জোট গঠিত হয় সেখানে কোনো ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

অস্ট্রেলিয়ার কর্মকর্তাদের নিয়ে আয়োজিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ব্লিঙ্কেন বলেন, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলোকে আহ্বান জানাই।

তিনি আরও বলেন, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলসহ ফ্রান্সের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে যুক্তরাষ্ট্র ‘সম্ভাব্য সব সুযোগ’ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।

নতুন জোট গঠনের ঘোষণার একদিন পর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এমন বক্তব্য এল। এর আগে বুধবার অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতারা এক ভার্চুয়াল সভায় নতুন এ জোট গঠনের ঘোষণা দেন।

ভার্চুয়াল সভায় অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এ নতুন জোটকে তাদের সম্পর্ক জোরদারে ‘ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

 

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৩ দেশের নতুন জোট নিয়ে ফ্রান্সের ক্ষোভ, কী বলছে যুক্তরাষ্ট্র?

আপডেট সময় ০১:৩৯:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র মিলে নতুন জোট গঠনের তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে ফ্রান্স। এটিকে দেশটি ‘পেছন থেকে আঘাত হিসেবে’ দেখছে।

ওই চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য অস্ট্রেলিয়াকে পরমাণু চালিত সাবমেরিন নির্মাণের প্রযুক্তি দিয়ে সহযোগিতা করবে। এখানেই ফ্রান্স অসন্তুষ্ট। কারণ এ চুক্তির কারণে অস্ট্রেলিয়া ১২টি সাবমেরিন নির্মাণের জন্য যে ৪০ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করেছিল, তা বাতিল হয়ে গেছে।

ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটি সত্যিকার অর্থেই পেছন থেকে আঘাত।

তিনি বলেন, আমরা অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে একটি আস্থার সম্পর্ক তৈরি করেছিলাম, কিন্তু সেই আস্থার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে। তবে ফ্রান্সের ক্ষোভ কমাতে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ফ্রান্স অনেক বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ‘গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার’ হিসেবে রয়েছে।

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিঙ্কেন এ কথা বলেন। খবর আলজাজিরার।

ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে কেন্দ্র করে এইউকেইউস নামে সম্প্রতি যে জোট গঠিত হয় সেখানে কোনো ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

অস্ট্রেলিয়ার কর্মকর্তাদের নিয়ে আয়োজিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ব্লিঙ্কেন বলেন, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলোকে আহ্বান জানাই।

তিনি আরও বলেন, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলসহ ফ্রান্সের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে যুক্তরাষ্ট্র ‘সম্ভাব্য সব সুযোগ’ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।

নতুন জোট গঠনের ঘোষণার একদিন পর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এমন বক্তব্য এল। এর আগে বুধবার অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতারা এক ভার্চুয়াল সভায় নতুন এ জোট গঠনের ঘোষণা দেন।

ভার্চুয়াল সভায় অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এ নতুন জোটকে তাদের সম্পর্ক জোরদারে ‘ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।