ঢাকা ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ই-অরেঞ্জসহ চার প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ স্থগিত করল ই-ক্যাব

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

আলোচিত ই-অরেঞ্জসহ চারটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ স্থগিত করেছে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)। বিভিন্ন অভিযোগে তাদের সদস্যপদ স্থগিত করা হয় বলে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ই-ক্যাব। সদস্যপদ স্থগিত হওয়া বাকি তিনটি প্রতিষ্ঠান হচ্ছে টোয়েন্টিফোর টিকেটি ডটকম, গ্রিন বাংলা ই-কমার্স লিমিটেড ও এক্সিলেন্ট ওয়ার্ল্ড অ্যাগ্রো ফুড অ্যান্ড কনজ্যুমার লিমিটেড।

ই–অরেঞ্জের বিরুদ্ধে সম্প্রতি গ্রাহকের এক হাজার ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। প্রতিষ্ঠানটির মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় প্রতারণার মামলা করেছেন এক ভুক্তভোগী। এই মামলায় প্রতিষ্ঠানটির মালিক সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী মাসুকুর রহমান ও আমানউল্লাহ নামের এক ব্যক্তি কারাগারে রয়েছেন। এজাহারভুক্ত আসামি বীথি আক্তারসহ দুজন পলাতক।

ই-ক্যাবের সভাপতি শমী কায়সার এবং সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহেদ তমাল স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অর্থ আত্মসাৎ, ক্রেতা ও সরবরাহকারীদের অভিযোগ নিষ্পত্তি না করা, ই-ক্যাবের কারণ দর্শানো ও সতর্কীকরণপত্রের জবাব না দেওয়া, ডিজিটাল কমার্স নির্দেশিকা প্রতিপালন না করা এবং এমএলএম ব্যবসা পরিচালনা করায় চার প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছে।

ই-ক্যাব জানায়, ক্রেতা-বিক্রেতাদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি ই-ক্যাব ১৬টি প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিল। অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নয়টি প্রতিষ্ঠানের কেউ কেউ তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। কেউ কেউ অভিযোগ নিষ্পত্তি ও ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তাই প্রতিষ্ঠানগুলোকে পর্যবেক্ষণে রেখে বাড়তি তদন্ত চলছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনের সব সদস্য প্রতিষ্ঠানকে সঠিক নিয়মে ব্যবসা পরিচালনা ও ক্রেতাদের স্বার্থরক্ষার মাধ্যমে ই-কমার্স খাতের সুনাম রক্ষার অনুরোধ করে বার্তা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে অস্বাভাবিক অফার বন্ধ করা, সময়মতো পণ্য সরবরাহ করা, ব্যাংক ডিপোজিটের মাধ্যমে টাকা গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকা, ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা প্রতিপালন করা, ভোক্তা অধিকারে আসা অভিযোগ দ্রুত সমাধান করার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ই-অরেঞ্জসহ চার প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ স্থগিত করল ই-ক্যাব

আপডেট সময় ১০:৪২:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ অগাস্ট ২০২১

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

আলোচিত ই-অরেঞ্জসহ চারটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ স্থগিত করেছে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)। বিভিন্ন অভিযোগে তাদের সদস্যপদ স্থগিত করা হয় বলে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ই-ক্যাব। সদস্যপদ স্থগিত হওয়া বাকি তিনটি প্রতিষ্ঠান হচ্ছে টোয়েন্টিফোর টিকেটি ডটকম, গ্রিন বাংলা ই-কমার্স লিমিটেড ও এক্সিলেন্ট ওয়ার্ল্ড অ্যাগ্রো ফুড অ্যান্ড কনজ্যুমার লিমিটেড।

ই–অরেঞ্জের বিরুদ্ধে সম্প্রতি গ্রাহকের এক হাজার ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। প্রতিষ্ঠানটির মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় প্রতারণার মামলা করেছেন এক ভুক্তভোগী। এই মামলায় প্রতিষ্ঠানটির মালিক সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী মাসুকুর রহমান ও আমানউল্লাহ নামের এক ব্যক্তি কারাগারে রয়েছেন। এজাহারভুক্ত আসামি বীথি আক্তারসহ দুজন পলাতক।

ই-ক্যাবের সভাপতি শমী কায়সার এবং সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহেদ তমাল স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অর্থ আত্মসাৎ, ক্রেতা ও সরবরাহকারীদের অভিযোগ নিষ্পত্তি না করা, ই-ক্যাবের কারণ দর্শানো ও সতর্কীকরণপত্রের জবাব না দেওয়া, ডিজিটাল কমার্স নির্দেশিকা প্রতিপালন না করা এবং এমএলএম ব্যবসা পরিচালনা করায় চার প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছে।

ই-ক্যাব জানায়, ক্রেতা-বিক্রেতাদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি ই-ক্যাব ১৬টি প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিল। অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নয়টি প্রতিষ্ঠানের কেউ কেউ তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। কেউ কেউ অভিযোগ নিষ্পত্তি ও ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তাই প্রতিষ্ঠানগুলোকে পর্যবেক্ষণে রেখে বাড়তি তদন্ত চলছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনের সব সদস্য প্রতিষ্ঠানকে সঠিক নিয়মে ব্যবসা পরিচালনা ও ক্রেতাদের স্বার্থরক্ষার মাধ্যমে ই-কমার্স খাতের সুনাম রক্ষার অনুরোধ করে বার্তা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে অস্বাভাবিক অফার বন্ধ করা, সময়মতো পণ্য সরবরাহ করা, ব্যাংক ডিপোজিটের মাধ্যমে টাকা গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকা, ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা প্রতিপালন করা, ভোক্তা অধিকারে আসা অভিযোগ দ্রুত সমাধান করার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।