ঢাকা ০৪:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভাঙ্গায় প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা: মামলা হয়নি, ব্রেক ফেলকেই কারণ বলছে পুলিশ জলাবদ্ধ মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গুণগত ও পরিকল্পিত জনসংখ্যা একটি দেশের প্রধান সম্পদ ও শক্তি: রাষ্ট্রপতি দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে আইএমএফের কোনো কর্মসূচিতে সরকার অংশ নেবে না : অর্থমন্ত্রী কানাডার টরন্টোতে বন্দুক হামলায় দুইজন নিহত, আহত ৬ শাহবাগে ফুটপাত থেকে তিন ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার ঢাকার বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, দুই প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা কেন, এখনই ফিরুন’, হাসিনাকে আসিফ নজরুল এক্সপ্রেসওয়ের কাকলী র‍্যাম্পের নিচে জলাবদ্ধতা, সতর্ক করল পুলিশ প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, বৃত্তি পেল ৭৯২৪৬ শিক্ষার্থী

ই-অরেঞ্জসহ চার প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ স্থগিত করল ই-ক্যাব

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

আলোচিত ই-অরেঞ্জসহ চারটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ স্থগিত করেছে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)। বিভিন্ন অভিযোগে তাদের সদস্যপদ স্থগিত করা হয় বলে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ই-ক্যাব। সদস্যপদ স্থগিত হওয়া বাকি তিনটি প্রতিষ্ঠান হচ্ছে টোয়েন্টিফোর টিকেটি ডটকম, গ্রিন বাংলা ই-কমার্স লিমিটেড ও এক্সিলেন্ট ওয়ার্ল্ড অ্যাগ্রো ফুড অ্যান্ড কনজ্যুমার লিমিটেড।

ই–অরেঞ্জের বিরুদ্ধে সম্প্রতি গ্রাহকের এক হাজার ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। প্রতিষ্ঠানটির মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় প্রতারণার মামলা করেছেন এক ভুক্তভোগী। এই মামলায় প্রতিষ্ঠানটির মালিক সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী মাসুকুর রহমান ও আমানউল্লাহ নামের এক ব্যক্তি কারাগারে রয়েছেন। এজাহারভুক্ত আসামি বীথি আক্তারসহ দুজন পলাতক।

ই-ক্যাবের সভাপতি শমী কায়সার এবং সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহেদ তমাল স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অর্থ আত্মসাৎ, ক্রেতা ও সরবরাহকারীদের অভিযোগ নিষ্পত্তি না করা, ই-ক্যাবের কারণ দর্শানো ও সতর্কীকরণপত্রের জবাব না দেওয়া, ডিজিটাল কমার্স নির্দেশিকা প্রতিপালন না করা এবং এমএলএম ব্যবসা পরিচালনা করায় চার প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছে।

ই-ক্যাব জানায়, ক্রেতা-বিক্রেতাদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি ই-ক্যাব ১৬টি প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিল। অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নয়টি প্রতিষ্ঠানের কেউ কেউ তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। কেউ কেউ অভিযোগ নিষ্পত্তি ও ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তাই প্রতিষ্ঠানগুলোকে পর্যবেক্ষণে রেখে বাড়তি তদন্ত চলছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনের সব সদস্য প্রতিষ্ঠানকে সঠিক নিয়মে ব্যবসা পরিচালনা ও ক্রেতাদের স্বার্থরক্ষার মাধ্যমে ই-কমার্স খাতের সুনাম রক্ষার অনুরোধ করে বার্তা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে অস্বাভাবিক অফার বন্ধ করা, সময়মতো পণ্য সরবরাহ করা, ব্যাংক ডিপোজিটের মাধ্যমে টাকা গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকা, ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা প্রতিপালন করা, ভোক্তা অধিকারে আসা অভিযোগ দ্রুত সমাধান করার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাঙ্গায় প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা: মামলা হয়নি, ব্রেক ফেলকেই কারণ বলছে পুলিশ

ই-অরেঞ্জসহ চার প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ স্থগিত করল ই-ক্যাব

আপডেট সময় ১০:৪২:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ অগাস্ট ২০২১

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

আলোচিত ই-অরেঞ্জসহ চারটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ স্থগিত করেছে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)। বিভিন্ন অভিযোগে তাদের সদস্যপদ স্থগিত করা হয় বলে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ই-ক্যাব। সদস্যপদ স্থগিত হওয়া বাকি তিনটি প্রতিষ্ঠান হচ্ছে টোয়েন্টিফোর টিকেটি ডটকম, গ্রিন বাংলা ই-কমার্স লিমিটেড ও এক্সিলেন্ট ওয়ার্ল্ড অ্যাগ্রো ফুড অ্যান্ড কনজ্যুমার লিমিটেড।

ই–অরেঞ্জের বিরুদ্ধে সম্প্রতি গ্রাহকের এক হাজার ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। প্রতিষ্ঠানটির মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় প্রতারণার মামলা করেছেন এক ভুক্তভোগী। এই মামলায় প্রতিষ্ঠানটির মালিক সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী মাসুকুর রহমান ও আমানউল্লাহ নামের এক ব্যক্তি কারাগারে রয়েছেন। এজাহারভুক্ত আসামি বীথি আক্তারসহ দুজন পলাতক।

ই-ক্যাবের সভাপতি শমী কায়সার এবং সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহেদ তমাল স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অর্থ আত্মসাৎ, ক্রেতা ও সরবরাহকারীদের অভিযোগ নিষ্পত্তি না করা, ই-ক্যাবের কারণ দর্শানো ও সতর্কীকরণপত্রের জবাব না দেওয়া, ডিজিটাল কমার্স নির্দেশিকা প্রতিপালন না করা এবং এমএলএম ব্যবসা পরিচালনা করায় চার প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছে।

ই-ক্যাব জানায়, ক্রেতা-বিক্রেতাদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি ই-ক্যাব ১৬টি প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিল। অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নয়টি প্রতিষ্ঠানের কেউ কেউ তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। কেউ কেউ অভিযোগ নিষ্পত্তি ও ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তাই প্রতিষ্ঠানগুলোকে পর্যবেক্ষণে রেখে বাড়তি তদন্ত চলছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনের সব সদস্য প্রতিষ্ঠানকে সঠিক নিয়মে ব্যবসা পরিচালনা ও ক্রেতাদের স্বার্থরক্ষার মাধ্যমে ই-কমার্স খাতের সুনাম রক্ষার অনুরোধ করে বার্তা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে অস্বাভাবিক অফার বন্ধ করা, সময়মতো পণ্য সরবরাহ করা, ব্যাংক ডিপোজিটের মাধ্যমে টাকা গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকা, ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা প্রতিপালন করা, ভোক্তা অধিকারে আসা অভিযোগ দ্রুত সমাধান করার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।