ঢাকা ০৬:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডিএসইর লেনদেন ১৬৬৯ কোটি টাকা ছাড়াল ভাঙ্গায় প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা: মামলা হয়নি, ব্রেক ফেলকেই কারণ বলছে পুলিশ জলাবদ্ধ মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আমাদের সবাইকে দৌড়ের উপরে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী গুণগত ও পরিকল্পিত জনসংখ্যা একটি দেশের প্রধান সম্পদ ও শক্তি: রাষ্ট্রপতি দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে আইএমএফের কোনো কর্মসূচিতে সরকার অংশ নেবে না : অর্থমন্ত্রী কানাডার টরন্টোতে বন্দুক হামলায় দুইজন নিহত, আহত ৬ শাহবাগে ফুটপাত থেকে তিন ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার ঢাকার বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, দুই প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা কেন, এখনই ফিরুন’, হাসিনাকে আসিফ নজরুল

মোবাইল ইন্টারনেটের গতি নিয়ে ওকলার তথ্য সঠিক নয়: বিটিআরসি

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

অ্যানালাইসিস কোম্পানি ওকলা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গড় ইন্টারনেট গতির তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে। এক মাসের তথ্য বিশ্লেষণ করে পরবর্তী মাসের মাঝামাঝি প্রতিবেদনে প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানটি।

ওকলার রিপোর্ট অনুযায়ী, চলতি মাসেও মোবাইল ইন্টারনেটের গতিতে বাংলাদেশের অবস্থান বদলায়নি। ১৩৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৫তম। এর আগে জুলাই মাসে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায় ১৩৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ একই অবস্থানে। যদিও ওকলার এই তথ্যের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বিটিআরসি।

ওকলার প্রতিবেদনে অনুযায়ী বাংলাদেশের পেছনে আছে শুধু আফগানিস্তান ও ভেনিজুয়েলা।

বিটিআরসি চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর শিকদার বলছেন, ওকলার এই প্রতিবেদনের প্রতিবাদ করার দায়িত্ব বিটিআরসির। তবে প্রতিবাদ করার আগে এটা নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি করা হয়েছে, ভাইস-চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ওই কমিটি কাজ করছে।

বিটিআরসির সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগের মহপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসিম পারভেজ বলেন, বাংলাদেশে যে পরিমাণ ডিজিটাল গ্রোথ হয়েছে, এক্সপানশন হয়েছে, যে পরিমাণ ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সেবা নিচ্ছি, জুম মিটিং করছি, অনলাইন এক্টিভিটি করছি- এটা কখনই সম্ভব না যে বাংলাদেশ এতটা পিছিয়ে।

তিনি উল্লেখ করেন, কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা এ তথ্য জানায়নি বরং একটি কমার্শিয়াল প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান যারা আইটিইউ স্বীকৃতি ও নয় বা অ্যাফিলিয়েটেড কোনো প্রতিষ্ঠানও না- তাদের তথ্য এটি।

বিটিআরসির এই মহাপরিচালক বলেন, এই ধরনের প্রতিবেদনের পেছন জরিপে স্যাম্পলিং লাগে যে কতজন মানুষের ডেটা পরীক্ষা করা হয়েছে। আমরা এটা তুলনা করে দেখেছি, ওরা প্রতি ১০০০ জনের মধ্যে দশমিক ৪৬, মানে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে একজনেরও কম মানুষের টেস্ট করে এটা বলেছে। মালয়েশিয়ার ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি। অর্থাৎ এখানে ডেটা স্যাম্পলিংয়ের একটা বিষয় রয়েছে। কোনো পরিসংখ্যান করার ক্ষেত্রে বেশি ডেটার মধ্যে রেজাল্টটা চেক করলে রেজাল্টটা অধিক অথেনটিক হবে বলেও উল্লখ করেন তিনি।

২২ আগস্ট রোববার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) গণশুনানিতে ওকলার এই প্রতিবেদনের প্রসঙ্গটি তোলেন গণমাধ্যম কর্মীরা। এসময় বিষয়টি নিয়ে নিজেদের অবস্থানের কথা জানায় বিটিআরসি।

বিভিন্ন দেশের ইন্টারনেট গতির চিত্র দিয়ে জুন মাসে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেটের ডাউনলোড গতি ১২ দশমিক ৪৮ এমবিপিএস। আপলোডের গতি ৭ দশমিক ৯৮ এমবিপিএস।

অপরদিকে চলতি মাসের প্রতিবেদনে দেখা যায়, ডাউনলোড স্পিড ১২ দশমিক ৬০ এমবিপিএস। আপলোডের গতি ৭ দশমিক ৬৫ এমবিপিএস।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিএসইর লেনদেন ১৬৬৯ কোটি টাকা ছাড়াল

মোবাইল ইন্টারনেটের গতি নিয়ে ওকলার তথ্য সঠিক নয়: বিটিআরসি

আপডেট সময় ০৯:০৩:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ অগাস্ট ২০২১

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

অ্যানালাইসিস কোম্পানি ওকলা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গড় ইন্টারনেট গতির তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে। এক মাসের তথ্য বিশ্লেষণ করে পরবর্তী মাসের মাঝামাঝি প্রতিবেদনে প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানটি।

ওকলার রিপোর্ট অনুযায়ী, চলতি মাসেও মোবাইল ইন্টারনেটের গতিতে বাংলাদেশের অবস্থান বদলায়নি। ১৩৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৫তম। এর আগে জুলাই মাসে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায় ১৩৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ একই অবস্থানে। যদিও ওকলার এই তথ্যের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বিটিআরসি।

ওকলার প্রতিবেদনে অনুযায়ী বাংলাদেশের পেছনে আছে শুধু আফগানিস্তান ও ভেনিজুয়েলা।

বিটিআরসি চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর শিকদার বলছেন, ওকলার এই প্রতিবেদনের প্রতিবাদ করার দায়িত্ব বিটিআরসির। তবে প্রতিবাদ করার আগে এটা নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি করা হয়েছে, ভাইস-চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ওই কমিটি কাজ করছে।

বিটিআরসির সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগের মহপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসিম পারভেজ বলেন, বাংলাদেশে যে পরিমাণ ডিজিটাল গ্রোথ হয়েছে, এক্সপানশন হয়েছে, যে পরিমাণ ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সেবা নিচ্ছি, জুম মিটিং করছি, অনলাইন এক্টিভিটি করছি- এটা কখনই সম্ভব না যে বাংলাদেশ এতটা পিছিয়ে।

তিনি উল্লেখ করেন, কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা এ তথ্য জানায়নি বরং একটি কমার্শিয়াল প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান যারা আইটিইউ স্বীকৃতি ও নয় বা অ্যাফিলিয়েটেড কোনো প্রতিষ্ঠানও না- তাদের তথ্য এটি।

বিটিআরসির এই মহাপরিচালক বলেন, এই ধরনের প্রতিবেদনের পেছন জরিপে স্যাম্পলিং লাগে যে কতজন মানুষের ডেটা পরীক্ষা করা হয়েছে। আমরা এটা তুলনা করে দেখেছি, ওরা প্রতি ১০০০ জনের মধ্যে দশমিক ৪৬, মানে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে একজনেরও কম মানুষের টেস্ট করে এটা বলেছে। মালয়েশিয়ার ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি। অর্থাৎ এখানে ডেটা স্যাম্পলিংয়ের একটা বিষয় রয়েছে। কোনো পরিসংখ্যান করার ক্ষেত্রে বেশি ডেটার মধ্যে রেজাল্টটা চেক করলে রেজাল্টটা অধিক অথেনটিক হবে বলেও উল্লখ করেন তিনি।

২২ আগস্ট রোববার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) গণশুনানিতে ওকলার এই প্রতিবেদনের প্রসঙ্গটি তোলেন গণমাধ্যম কর্মীরা। এসময় বিষয়টি নিয়ে নিজেদের অবস্থানের কথা জানায় বিটিআরসি।

বিভিন্ন দেশের ইন্টারনেট গতির চিত্র দিয়ে জুন মাসে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেটের ডাউনলোড গতি ১২ দশমিক ৪৮ এমবিপিএস। আপলোডের গতি ৭ দশমিক ৯৮ এমবিপিএস।

অপরদিকে চলতি মাসের প্রতিবেদনে দেখা যায়, ডাউনলোড স্পিড ১২ দশমিক ৬০ এমবিপিএস। আপলোডের গতি ৭ দশমিক ৬৫ এমবিপিএস।