ঢাকা ০৯:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সরকারের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের এমন কথা ছিল না: কাদের

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

স্বাস্থ্যবিধি তোয়াক্কা না করে রাজধানীমুখী জনস্রোতের কারণে করোনা পরিস্থিতির বিপর্যয় এবং করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার ঊর্ধ্বমুখী হবে বলে মনে করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

এই পরিস্থিতির দায় কার প্রশ্ন রেখে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, সরকারের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের এমন কথা ছিল না।

রোববার (১ আগস্ট) সরকারি বাসভবন থেকে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ব্যবসায়ীদের অনুরোধে আজ থেকে রপ্তানিমুখী শিল্প-কলকারখানা বিধি-নিষেধের আওতামুক্ত করেছে সরকার। ব্যবসায়ীরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন আশপাশের শ্রমিকদের নিয়ে প্রথমে কারখানা চালু করবেন। ঈদের ছুটিতে গ্রামে যাওয়া শ্রমিকরা ৫ আগস্টের পর কাজে যোগ দেবেন। এতে কেউ চাকরিচ্যুত হবেন না। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। বাঁধভাঙা জোয়ারের মতো স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করে রাজধানীমুখী জনস্রোত। এতে করোণা সংক্রমণের হার ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, একদিনের মধ্যে শ্রমিকদের ফিরে আসার নির্দেশনায় ফেরিঘাটগুলোতে রীতিমতো ভয়ঙ্কর অবস্থার সৃষ্টি হয়। এভাবে শ্রমিকদের হঠাৎ করে ঢাকায় ফিরে আসতে পথে পথে দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হয়। এ দোষটা কার? এর দায় কে বহন করবে? যারা ভোগান্তিতে আছে তারা এক কথায় সরকারের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। কিন্তু সরকারের সঙ্গে তো ব্যবসায়ীদের এমন কথা ছিল না। এতে করোনা সংক্রমণ বিপর্যস্ত অবস্থায় যাবে এবং সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। দেশ ও সমাজের অপূরণীয় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের এমন কথা ছিল না: কাদের

আপডেট সময় ০৫:২৫:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ অগাস্ট ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

স্বাস্থ্যবিধি তোয়াক্কা না করে রাজধানীমুখী জনস্রোতের কারণে করোনা পরিস্থিতির বিপর্যয় এবং করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার ঊর্ধ্বমুখী হবে বলে মনে করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

এই পরিস্থিতির দায় কার প্রশ্ন রেখে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, সরকারের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের এমন কথা ছিল না।

রোববার (১ আগস্ট) সরকারি বাসভবন থেকে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ব্যবসায়ীদের অনুরোধে আজ থেকে রপ্তানিমুখী শিল্প-কলকারখানা বিধি-নিষেধের আওতামুক্ত করেছে সরকার। ব্যবসায়ীরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন আশপাশের শ্রমিকদের নিয়ে প্রথমে কারখানা চালু করবেন। ঈদের ছুটিতে গ্রামে যাওয়া শ্রমিকরা ৫ আগস্টের পর কাজে যোগ দেবেন। এতে কেউ চাকরিচ্যুত হবেন না। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। বাঁধভাঙা জোয়ারের মতো স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করে রাজধানীমুখী জনস্রোত। এতে করোণা সংক্রমণের হার ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, একদিনের মধ্যে শ্রমিকদের ফিরে আসার নির্দেশনায় ফেরিঘাটগুলোতে রীতিমতো ভয়ঙ্কর অবস্থার সৃষ্টি হয়। এভাবে শ্রমিকদের হঠাৎ করে ঢাকায় ফিরে আসতে পথে পথে দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হয়। এ দোষটা কার? এর দায় কে বহন করবে? যারা ভোগান্তিতে আছে তারা এক কথায় সরকারের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। কিন্তু সরকারের সঙ্গে তো ব্যবসায়ীদের এমন কথা ছিল না। এতে করোনা সংক্রমণ বিপর্যস্ত অবস্থায় যাবে এবং সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। দেশ ও সমাজের অপূরণীয় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।