আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
গাজীপুরের কাশিমপুরে দাবিকৃত ২০ হাজার টাকা না পেয়ে নির্মাণাধীন পাঁচ তলা বাড়ির মালিক আমিনুল ইসলামকে হত্যা করে বাথরুমে রেখে পালিয়ে যায় হত্যাকারী। পরে গত ১৫ জুলাই সকালে নিহতের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। আর এই হত্যায় জড়িত থাকার দায়ে মূল অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর আলম ওরফে সোহাগকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার সোহাগ নীলফামারী সদর উপজেলার পূর্ব কুখাপাড়া এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে। তিনি দক্ষিণপানিশাইল পদ্মা হাউজিং এলাকায় সাদেক আলীর বাড়ির ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
গাজীপুর মেট্টোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার জাকির হাসান জানান, নিহত আমিনুল ইসলাম খন্দকার ওরফে বাবুল দক্ষিণ পানিশাইল এলাকার পদ্মা হাউজিং এ বাড়ি তৈরি কাজ করছিলেন । ১৩ জুলাই রাতে প্রথমে সোহাগ ওই ভবনে গিয়ে কৌশলে মোবাইলে ডেকে আমিনুল ইসলামকে কক্ষ থেকে বের করেন। পরে তার কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করে। আমিনুল টাকা দিতে অস্বীকার করলে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে আমিনুলকে একটি ধারালো ছুড়ি দিয়ে গলায় আঘাত করে সোহাগ। পরে তার মৃত্যু নিশ্চিত জেনে বাথরুমে লাশ লুকিয়ে রেখে তার কাছে থাকা ৯৯৭ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় সোহাগ। পরে এ ঘটনায় কাশিমপুর থানায় হত্যা মামলা করা হয়। মামলার পর পুলিশ তদন্ত করে কাশিমপুর ও আশুলিয়া থানায় এলাকায় অভিযান চালায়। এক পর্যায়ে মামলার আসামি হিসেবে সোহাগকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে জাহাঙ্গীর আলম সোহাগ।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























