ঢাকা ১১:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

কারাগারে বন্ধুত্ব, ‘মা’ ডেকে সর্বস্ব লুটে পালালো পাতানো মেয়ে-জামাই!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাদারীপুরে মা ডেকে ঘর থেকে সর্বস্ব লুট করে পালিয়েছে পাতানো মেয়ে ও জামাই। এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার ও এলাকাবাসী। রাজৈর উপজেলার বাজিতপুর ইউনিয়নের গঙ্গাবর্দী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, প্রায় ৬ মাস আগে মাদারীপুর জেলা কারাগারে থাকা অবস্থায় ওই এলাকার মিন্টু তপাদারের সাথে পরিচয় হয় গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার বাগাইদিয়া গ্রামের মিরন শিকদারের। এ সময় দুজনের সাথে ঘটিষ্ঠ বন্ধুত্ব হয়। পরে দুইজনে জামিনে মুক্ত হলে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে মিরন মিন্টুর বাড়িতে আসে। পরবর্তীতে মিন্টুর মা আমেনা বেগমকে মিরনের স্ত্রী মিতা মজুমদার ধর্ম আত্মীয় হিসেবে মা ডাকে। এরপর উভয় পরিবারের মাঝে শুরু হয় যাতায়াত, বাড়ে আত্মীয়তা। এরই অংশ হিসেবে গত ১০ জুন মিরন ও মিতা দুইজনে মিন্টুর বাড়িতে বেড়াতে আসে। পরে গত বুধবার সকালে ঘর থাকা পাওয়ার গ্রিডের থেকে পাওয়া নগদ ৬ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ ১০ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে কৌশলে পালিয়ে যায় মিরন ও মিতা। তাদের ব্যবহৃত মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করে তা বন্ধ পায় ভুক্তভোগীর পরিবার। এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার ও এলাকাবাসী। এ ব্যাপারে রাজৈর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তারা। এদিকে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

ভুক্তভোগী আমেনা বেগম বলেন, ঘরের ভেতর গোপন কক্ষের বিশেষভাবে রক্ষিত নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে গেছে মিতা ও তার স্বামী। মেয়ে হিসেবে আশ্রয় দিয়েই এই ঘটনার স্বীকার হতে হয়েছে। প্রশাসনের সহযোগিতা ও প্রতারকদের বিচার চাই।

আমেনার ছেলে মিন্টু তপাদার অভিযোগ করে বলেন, টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে লাপাত্তা মিরন ও মিতা। এই ঘটনায় থানায় লিখিত জানালেও ব্যবস্থা নিচ্ছে না পুলিশ। ঘটনার তদন্ত করে সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

রাজৈর থানার ওসি (তদন্ত) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কারাগারে বন্ধুত্ব, ‘মা’ ডেকে সর্বস্ব লুটে পালালো পাতানো মেয়ে-জামাই!

আপডেট সময় ১১:৪০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাদারীপুরে মা ডেকে ঘর থেকে সর্বস্ব লুট করে পালিয়েছে পাতানো মেয়ে ও জামাই। এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার ও এলাকাবাসী। রাজৈর উপজেলার বাজিতপুর ইউনিয়নের গঙ্গাবর্দী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, প্রায় ৬ মাস আগে মাদারীপুর জেলা কারাগারে থাকা অবস্থায় ওই এলাকার মিন্টু তপাদারের সাথে পরিচয় হয় গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার বাগাইদিয়া গ্রামের মিরন শিকদারের। এ সময় দুজনের সাথে ঘটিষ্ঠ বন্ধুত্ব হয়। পরে দুইজনে জামিনে মুক্ত হলে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে মিরন মিন্টুর বাড়িতে আসে। পরবর্তীতে মিন্টুর মা আমেনা বেগমকে মিরনের স্ত্রী মিতা মজুমদার ধর্ম আত্মীয় হিসেবে মা ডাকে। এরপর উভয় পরিবারের মাঝে শুরু হয় যাতায়াত, বাড়ে আত্মীয়তা। এরই অংশ হিসেবে গত ১০ জুন মিরন ও মিতা দুইজনে মিন্টুর বাড়িতে বেড়াতে আসে। পরে গত বুধবার সকালে ঘর থাকা পাওয়ার গ্রিডের থেকে পাওয়া নগদ ৬ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ ১০ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে কৌশলে পালিয়ে যায় মিরন ও মিতা। তাদের ব্যবহৃত মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করে তা বন্ধ পায় ভুক্তভোগীর পরিবার। এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার ও এলাকাবাসী। এ ব্যাপারে রাজৈর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তারা। এদিকে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

ভুক্তভোগী আমেনা বেগম বলেন, ঘরের ভেতর গোপন কক্ষের বিশেষভাবে রক্ষিত নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে গেছে মিতা ও তার স্বামী। মেয়ে হিসেবে আশ্রয় দিয়েই এই ঘটনার স্বীকার হতে হয়েছে। প্রশাসনের সহযোগিতা ও প্রতারকদের বিচার চাই।

আমেনার ছেলে মিন্টু তপাদার অভিযোগ করে বলেন, টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে লাপাত্তা মিরন ও মিতা। এই ঘটনায় থানায় লিখিত জানালেও ব্যবস্থা নিচ্ছে না পুলিশ। ঘটনার তদন্ত করে সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

রাজৈর থানার ওসি (তদন্ত) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।