ঢাকা ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রশাসনে নিজেদের লোক নিয়োগ বহির্বিশ্বেও প্রচলিত: রিজভী শহীদুল্লাহ হলে ‘সমকামী কর্মকাণ্ডের’ তদন্তকে কেন্দ্র করে শিবির-ছাত্রদল সংঘর্ষ পাকিস্তানে ‘শান্তি সমাবেশ’ চলাকালে বিস্ফোরণ, নিহত ১৩ ৭২-এর সংবিধান শুরু থেকেই দেশকে বিভাজিত করে রেখেছে: নাহিদ ইসলাম ‘জনগণকে মালিক মনে করে সরকার কাজ করছে’ ‘নিজস্ব মব না থাকলে মাইর একটাও মাটিতে পড়বে না’ মিয়ানমার থেকে গ্যাস আমদানি করতে চায় বাংলাদেশ জামায়াতের পরামর্শে রাজনৈতিক পরিবেশ নষ্ট করছে এনসিপি : রাশেদ খান জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাবা-দাদার বয়সী নেতাদের প্রতারণা বুঝতে পারিনি: আসিফ মাহমুদ

দলীয় পদ হারাচ্ছেন এমপি একরাম চৌধুরী!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরীকে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে নোয়াখালীর রাজনীতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে।

শনিবার বিকালে এসব আলোচনার বিষয়ে নিজের ফেসবুক লাইভে এসে নিজেই মুখ খুললেন এমপি একরামুল করিম চৌধুরী।

তিনি বলেন, ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। আমি তো ২৫ বছর চালিয়েছি, তিনবার এমপিগিরি করছি। আর নির্বাচনী এলাকায় মানুষদের সেবা করতে আমার কোনো পোস্ট (পদ) লাগে না। আমি আপনাদের পাশে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকব।

একরাম চৌধুরী আরও বলেন, আমি আপনাদের নেতা। আপনাদের ভোটে তিনবার এমপি নির্বাচিত হয়েছি। এই করোনাভাইরাস খুব ভয়ঙ্কর রোগ। প্লিজ আপনারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। সরকারের দেয়া নির্দেশনাগুলো মেনে চলুন। কেউ যদি খাদ্য সংকটে পড়েন তাহলে ৩৩৩ নম্বরে অবশ্যই ফোন করবেন।

এদিকে নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি নিয়ে নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র শহীদল্লাহ খান সোহেল, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শিহাব উদ্দিন শাহীন, চৌমুহনী পৌরসভার সাবেক মেয়র আকতার হোসেন ফয়সাল, বেগমগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহনাজ বেগমসহ জেলার বিভিন্ন নেতাকর্মী বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎ করেন।

রোববার সকালে নোয়াখালী জেলা রাজনীতি ও বিভিন্ন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা নিয়ে মেয়র আবদুল কাদের মির্জা ও তার প্রতিপক্ষ উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মাহবুবুর রশীদ মঞ্জুর সঙ্গে আলোচনা করেন নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ খায়রুল আনাম সেলিম।

উল্লেখ্য, বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা দীর্ঘ ৬ মাস যাবত নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ খায়রুল আনম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক এমপি একরামুল করিম চৌধুরীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগে সমালোচনা করেন এবং তাদের জেলা কমিটি থেকে বাদ দেয়ার দাবি করে আসছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রশাসনে নিজেদের লোক নিয়োগ বহির্বিশ্বেও প্রচলিত: রিজভী

দলীয় পদ হারাচ্ছেন এমপি একরাম চৌধুরী!

আপডেট সময় ০৬:২৩:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরীকে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে নোয়াখালীর রাজনীতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে।

শনিবার বিকালে এসব আলোচনার বিষয়ে নিজের ফেসবুক লাইভে এসে নিজেই মুখ খুললেন এমপি একরামুল করিম চৌধুরী।

তিনি বলেন, ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। আমি তো ২৫ বছর চালিয়েছি, তিনবার এমপিগিরি করছি। আর নির্বাচনী এলাকায় মানুষদের সেবা করতে আমার কোনো পোস্ট (পদ) লাগে না। আমি আপনাদের পাশে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকব।

একরাম চৌধুরী আরও বলেন, আমি আপনাদের নেতা। আপনাদের ভোটে তিনবার এমপি নির্বাচিত হয়েছি। এই করোনাভাইরাস খুব ভয়ঙ্কর রোগ। প্লিজ আপনারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। সরকারের দেয়া নির্দেশনাগুলো মেনে চলুন। কেউ যদি খাদ্য সংকটে পড়েন তাহলে ৩৩৩ নম্বরে অবশ্যই ফোন করবেন।

এদিকে নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি নিয়ে নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র শহীদল্লাহ খান সোহেল, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শিহাব উদ্দিন শাহীন, চৌমুহনী পৌরসভার সাবেক মেয়র আকতার হোসেন ফয়সাল, বেগমগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহনাজ বেগমসহ জেলার বিভিন্ন নেতাকর্মী বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎ করেন।

রোববার সকালে নোয়াখালী জেলা রাজনীতি ও বিভিন্ন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা নিয়ে মেয়র আবদুল কাদের মির্জা ও তার প্রতিপক্ষ উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মাহবুবুর রশীদ মঞ্জুর সঙ্গে আলোচনা করেন নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ খায়রুল আনাম সেলিম।

উল্লেখ্য, বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা দীর্ঘ ৬ মাস যাবত নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ খায়রুল আনম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক এমপি একরামুল করিম চৌধুরীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগে সমালোচনা করেন এবং তাদের জেলা কমিটি থেকে বাদ দেয়ার দাবি করে আসছেন।