ঢাকা ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ক্ষুধার্তদের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে হবে: জিএম কাদের

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের বলেছেন, লকডাউনে কর্মহীন মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে সরকারিভাবেই। এ দুঃসময়ে সরকারকে অবশ্যই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পাশাপাশি বিত্তবানদের উচিত এ সময় হতদরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানো। লকডাউনে ক্ষুধার্ত মানুষের প্রতি সবাইকে সহানুভূতিশীল হতে হবে। এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

নিজ দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে জিএম কাদের বলেন, আমাদের আদর্শ পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ প্রতিটি দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে ছিলেন। তাই জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি, ক্ষুধার্ত মানুষকে সর্বাত্মক সহায়তা করতে সচেষ্ট থাকুন।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী করোনাকালে নতুন করে আড়াই কোটি মানুষ দরিদ্র হয়েছেন। আগে থেকেই আরও কয়েক কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছেন। তাই দেশে দিন এনে দিন খাওয়া মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। এমন বাস্তবতায় লকডাউনে কর্মহীনদের পরিবারে খাদ্যের অভাব ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। তিনি বলেন, লকডাউনের কারণে যদি একটি শিশুও ক্ষুধার জ্বালায় কাঁদে ও একটি মানুষও না খেয়ে থাকে তা হবে বেদনাদায়ক। অভুক্ত থেকে কেউ যদি মারা যায় তা হবে জাতির জন্য কলঙ্কজনক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্ষুধার্তদের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে হবে: জিএম কাদের

আপডেট সময় ০১:৪৯:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের বলেছেন, লকডাউনে কর্মহীন মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে সরকারিভাবেই। এ দুঃসময়ে সরকারকে অবশ্যই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পাশাপাশি বিত্তবানদের উচিত এ সময় হতদরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানো। লকডাউনে ক্ষুধার্ত মানুষের প্রতি সবাইকে সহানুভূতিশীল হতে হবে। এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

নিজ দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে জিএম কাদের বলেন, আমাদের আদর্শ পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ প্রতিটি দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে ছিলেন। তাই জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি, ক্ষুধার্ত মানুষকে সর্বাত্মক সহায়তা করতে সচেষ্ট থাকুন।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী করোনাকালে নতুন করে আড়াই কোটি মানুষ দরিদ্র হয়েছেন। আগে থেকেই আরও কয়েক কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছেন। তাই দেশে দিন এনে দিন খাওয়া মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। এমন বাস্তবতায় লকডাউনে কর্মহীনদের পরিবারে খাদ্যের অভাব ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। তিনি বলেন, লকডাউনের কারণে যদি একটি শিশুও ক্ষুধার জ্বালায় কাঁদে ও একটি মানুষও না খেয়ে থাকে তা হবে বেদনাদায়ক। অভুক্ত থেকে কেউ যদি মারা যায় তা হবে জাতির জন্য কলঙ্কজনক।