ঢাকা ০৯:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নির্বাচন ব্যবস্থাকে আরও কলঙ্কিত করলো আওয়ামী লীগ: চরমোনাই পীর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম চরমোনাই পীর বলেছেন, প্রথম দফায় ২০৪টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ক্ষমতাসীনদের অতীত স্বভাবের প্রতিফলনে এই নির্বাচনেও কেন্দ্র দখল, ব্যালট ছিনিয়ে নেওয়া, ভোটদানে বাধা, এজেন্ট বের করে দেয়া ও সশস্ত্র মাস্তানির মহড়া দিয়ে নির্বাচন ব্যবস্থাকে আরও একবার কলঙ্কিত করলো আওয়ামী লীগ। মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগে ক্রমাগতই এই বাধা আওয়ামী লীগকে জনতার শত্রুতে পরিণত করেছে।

আজ মঙ্গলবার নির্বাচনোত্তর পর্যালোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্লজ্জ দালালি, নগ্ন পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে প্রমাণিত অক্ষমতা সত্বেও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২০৪টি ইউনিয়নেই প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকে হুমকি-ধামকি, মনোনয়ন জমাদানে বাধা ও অব্যাহত ত্রাস অতিক্রম করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১৪০টি ইউপিতে নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশগ্রহণ করেছে।

চরমোনাই পীর বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ প্রচারণা ও জনতার ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে বারংবার নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছি। তারপরেও যা হয়েছে তা এই সরকারের পূর্বতন নোংরামির পুনরাবৃত্তি। শক্তি প্রয়োগ করে আক্ষরিক অর্থেই ভোট ডাকাতি করা হয়েছে। আমরা এই নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করছি এবং এই ভোট ডাকাতির তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন ব্যবস্থাকে আরও কলঙ্কিত করলো আওয়ামী লীগ: চরমোনাই পীর

আপডেট সময় ০৬:৫৮:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম চরমোনাই পীর বলেছেন, প্রথম দফায় ২০৪টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ক্ষমতাসীনদের অতীত স্বভাবের প্রতিফলনে এই নির্বাচনেও কেন্দ্র দখল, ব্যালট ছিনিয়ে নেওয়া, ভোটদানে বাধা, এজেন্ট বের করে দেয়া ও সশস্ত্র মাস্তানির মহড়া দিয়ে নির্বাচন ব্যবস্থাকে আরও একবার কলঙ্কিত করলো আওয়ামী লীগ। মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগে ক্রমাগতই এই বাধা আওয়ামী লীগকে জনতার শত্রুতে পরিণত করেছে।

আজ মঙ্গলবার নির্বাচনোত্তর পর্যালোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্লজ্জ দালালি, নগ্ন পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে প্রমাণিত অক্ষমতা সত্বেও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২০৪টি ইউনিয়নেই প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকে হুমকি-ধামকি, মনোনয়ন জমাদানে বাধা ও অব্যাহত ত্রাস অতিক্রম করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১৪০টি ইউপিতে নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশগ্রহণ করেছে।

চরমোনাই পীর বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ প্রচারণা ও জনতার ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে বারংবার নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছি। তারপরেও যা হয়েছে তা এই সরকারের পূর্বতন নোংরামির পুনরাবৃত্তি। শক্তি প্রয়োগ করে আক্ষরিক অর্থেই ভোট ডাকাতি করা হয়েছে। আমরা এই নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করছি এবং এই ভোট ডাকাতির তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।