ঢাকা ০৭:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পরমাণু সমঝোতায় ফেরার ব্যাপারে ইসরায়েলের পরামর্শ চাইছে আমেরিকা

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

ইরানের সঙ্গে পরমাণু সমঝোতায় ফেরার ব্যাপারে ইসরায়েলের পরামর্শ নিচ্ছে মার্কিন সরকার। ২০১৫ সালে সই হওয়া ঐতিহাসিক পরমাণু সমঝোতায় আমেরিকা নতুন করে ফিরে আসবে কিনা ওয়াশিংটন মূলত ইসরায়েলের কাছে সেই পরামর্শ চাইছে। ইসরায়েল হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের একমাত্র পরমাণু অস্ত্রধারী শক্তি যারা পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি বা এনপিটিতে সই করেনি।

মঙ্গলবার ইসরায়েল দখলকৃত পবিত্র জেরুজালেম আল-কুদস শহরে যুদ্ধবাজ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এন্টনি ব্লিঙ্কেন তেল আবিবের পরামর্শ চাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন। খবর রয়টার্সের।

খবরে বলা হয়েছে, ব্লিঙ্কেন বলেছেন আমেরিকা পরমাণু সমঝোতায় ফিরবে কি না সে বিষয়ে ইসরায়েলের সঙ্গে আজ বিস্তারিত আলোচনা ও পরামর্শ করা হয়েছে।

২০১৫ সালে যখন পরমাণু সমঝোতা সই হয় তখন ইসরায়েল এর চরম বিরোধী ছিল। অন্যদিকে, আমেরিকা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো এই সমঝোতার প্রশংসা করে একে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া বলে আখ্যায়িত করেছিল। পরমাণু সমঝোতা সই হওয়ার পর আমেরিকা এবং ইউরোপের পক্ষ থেকে এটিকে নিজেদের সফলতা বলে দাবি করা হয়েছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরমাণু সমঝোতায় ফেরার ব্যাপারে ইসরায়েলের পরামর্শ চাইছে আমেরিকা

আপডেট সময় ০১:৫৭:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মে ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

ইরানের সঙ্গে পরমাণু সমঝোতায় ফেরার ব্যাপারে ইসরায়েলের পরামর্শ নিচ্ছে মার্কিন সরকার। ২০১৫ সালে সই হওয়া ঐতিহাসিক পরমাণু সমঝোতায় আমেরিকা নতুন করে ফিরে আসবে কিনা ওয়াশিংটন মূলত ইসরায়েলের কাছে সেই পরামর্শ চাইছে। ইসরায়েল হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের একমাত্র পরমাণু অস্ত্রধারী শক্তি যারা পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি বা এনপিটিতে সই করেনি।

মঙ্গলবার ইসরায়েল দখলকৃত পবিত্র জেরুজালেম আল-কুদস শহরে যুদ্ধবাজ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এন্টনি ব্লিঙ্কেন তেল আবিবের পরামর্শ চাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন। খবর রয়টার্সের।

খবরে বলা হয়েছে, ব্লিঙ্কেন বলেছেন আমেরিকা পরমাণু সমঝোতায় ফিরবে কি না সে বিষয়ে ইসরায়েলের সঙ্গে আজ বিস্তারিত আলোচনা ও পরামর্শ করা হয়েছে।

২০১৫ সালে যখন পরমাণু সমঝোতা সই হয় তখন ইসরায়েল এর চরম বিরোধী ছিল। অন্যদিকে, আমেরিকা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো এই সমঝোতার প্রশংসা করে একে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া বলে আখ্যায়িত করেছিল। পরমাণু সমঝোতা সই হওয়ার পর আমেরিকা এবং ইউরোপের পক্ষ থেকে এটিকে নিজেদের সফলতা বলে দাবি করা হয়েছিল।