ঢাকা ১০:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চীনা ওষুধ নিষিদ্ধ করলেন ‘ক্ষুব্ধ’ কিম

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

উত্তর কোরিয়ার কিম জং ইল যুগের একজন বিশ্বস্ত আমলা ও উচ্চ পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা চীনের ইনজেকশন গ্রহণের পর মারা গেছেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে দেশটির নেতা কিম জং উন পিয়ংইয়ংয়ের প্রধান হাসপাতালগুলোতে চীনা ওষুধ ব্যবহার নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছেন।

কিম এমন একজন প্রতিভাবান কর্মকর্তাকে হারানোর জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি চীনের করোনা ভ্যাকসিনের নমুনা নিয়ে বিশ্লেষণ ও গবেষণা বন্ধ করে দেওয়ারও নির্দেশ দেন।

জানা গেছে, তিনি উচ্চ রক্তচাপের সাথে হৃদযন্ত্রের অসুস্থতায় ভুগছিলেন। পিয়ংইয়ং মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। মৃত্যুর আগে ওই কর্মকর্তার বয়স ছিল ষাট। মৃত্যুর আগে তাকে কোকারবক্সিলেসের একটি ডোজ ইনজেকশন দেওয়া হয়েছিল, যা সাধারণত রোগীদের ক্লান্তি থেকে পুনরুদ্ধার করতে সহায়তা করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

তবে উত্তর কোরিয়ায় এই ওষুধটি ফুসফুসের অসুস্থতা, উচ্চ রক্তচাপ এবং এমনকি সংক্রামক সংক্রমণের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হয়। তদন্তের সময় কর্তৃপক্ষ জানতে পেরেছে, পিয়ংইয়ং-এর প্রধান হাসপাতালগুলো বিভিন্ন ধরনের ওষুধ সঠিকভাবে সংরক্ষণ করছে না।

একটি উচ্চ পর্যায়ের সূত্র থেকে বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে ডেইলি এনকে। যুক্তরাজ্যের মিরর পত্রিকার অনলাইনেও সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে।

এদিকে, বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা ও করোনা মহামারির কারণে বর্তমানে ওষুধের সংকটে পড়েছে উত্তর কোরিয়া। আমদারি পরিবর্তে এবার দেশেই ওষুধ তৈরির কথা ভাবছে দেশটি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনা ওষুধ নিষিদ্ধ করলেন ‘ক্ষুব্ধ’ কিম

আপডেট সময় ০৫:৫৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মে ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

উত্তর কোরিয়ার কিম জং ইল যুগের একজন বিশ্বস্ত আমলা ও উচ্চ পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা চীনের ইনজেকশন গ্রহণের পর মারা গেছেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে দেশটির নেতা কিম জং উন পিয়ংইয়ংয়ের প্রধান হাসপাতালগুলোতে চীনা ওষুধ ব্যবহার নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছেন।

কিম এমন একজন প্রতিভাবান কর্মকর্তাকে হারানোর জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি চীনের করোনা ভ্যাকসিনের নমুনা নিয়ে বিশ্লেষণ ও গবেষণা বন্ধ করে দেওয়ারও নির্দেশ দেন।

জানা গেছে, তিনি উচ্চ রক্তচাপের সাথে হৃদযন্ত্রের অসুস্থতায় ভুগছিলেন। পিয়ংইয়ং মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। মৃত্যুর আগে ওই কর্মকর্তার বয়স ছিল ষাট। মৃত্যুর আগে তাকে কোকারবক্সিলেসের একটি ডোজ ইনজেকশন দেওয়া হয়েছিল, যা সাধারণত রোগীদের ক্লান্তি থেকে পুনরুদ্ধার করতে সহায়তা করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

তবে উত্তর কোরিয়ায় এই ওষুধটি ফুসফুসের অসুস্থতা, উচ্চ রক্তচাপ এবং এমনকি সংক্রামক সংক্রমণের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হয়। তদন্তের সময় কর্তৃপক্ষ জানতে পেরেছে, পিয়ংইয়ং-এর প্রধান হাসপাতালগুলো বিভিন্ন ধরনের ওষুধ সঠিকভাবে সংরক্ষণ করছে না।

একটি উচ্চ পর্যায়ের সূত্র থেকে বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে ডেইলি এনকে। যুক্তরাজ্যের মিরর পত্রিকার অনলাইনেও সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে।

এদিকে, বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা ও করোনা মহামারির কারণে বর্তমানে ওষুধের সংকটে পড়েছে উত্তর কোরিয়া। আমদারি পরিবর্তে এবার দেশেই ওষুধ তৈরির কথা ভাবছে দেশটি।