ঢাকা ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

রোজার মধ্যে একাধিক ছাত্রকে বলাৎকার, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেফতার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বগুড়ায় গত রমজান মাসে একাধিক শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকার (যৌন নির্যাতন) করার অভিযোগে পুলিশ মাওলানা ওমর ফারুক (৩৮) নামে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেফতার করেছে।

শুক্রবার দুপুরে ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিভাবকদের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সদর থানা পুলিশ বগুড়া সদরের পলাশবাড়ি উত্তরপাড়া এলাকার হাফেজিয়া কওমি মাদ্রাসা থেকে ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, শিক্ষক মাওলানা ওমর ফারুক বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার গুজিয়া গ্রামের মৃত নকিব আলীর ছেলে। তিনি বগুড়া সদরের পলাশবাড়ি উত্তরপাড়া হাফেজিয়া কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক। তিনি মাদ্রাসাতেই থাকতেন। গত রমজান মাসে মাদ্রাসার বোর্ডিংয়ে থাকা কয়েকজন শিশুকে বলাৎকার করেন।

শিশুদের এ ঘটনা প্রকাশ না করতে ভয় দেখিয়ে ঈদের ছুটিতে বাড়ি পাঠানো হয়। ঈদের ছুটি শেষে ছাত্ররা মাদ্রাসায় যেতে আপত্তি করে। এতে অভিভাবকদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। তারা কারণ জানতে চাইলে একপর্যায়ে শিশুরা বাবা-মায়ের কাছে হুজুর ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে তাদের বলাৎকারের অভিযোগ করে।

শুক্রবার ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিভাবকদের মাঝে প্রচণ্ড ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা হুজুরকে গ্রেফতার ও তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মাদ্রাসা ঘেরাও করার প্রস্তুতি নেন। খবর পেয়ে সদর থানার পুলিশ মাদ্রাসায় যায়। এ সময় দুই শিশু শিক্ষার্থী হুজুরের বিরুদ্ধে তাদের বলাৎকারের অভিযোগ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে।

এসআই বেদার উদ্দিন জানান, সমকামী মানসিকতার শিক্ষক মাওলানা ওমর ফারুক গত রোজার মধ্যে কয়েকজন ছাত্রকে বলাৎকার করেছেন। দুই শিশুর স্বীকারোক্তিতে এর সত্যতা মিলেছে। বিকালে এ খবর পাঠানোর সময় অভিভাবকরা সদর থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

ওই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ওই হুজুর আর কয়জন শিশুকে যৌন নির্যাতন (বলাৎকার) করেছেন তা নিশ্চিত হতে তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড চাওয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রোজার মধ্যে একাধিক ছাত্রকে বলাৎকার, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেফতার

আপডেট সময় ১০:০৫:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ মে ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বগুড়ায় গত রমজান মাসে একাধিক শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকার (যৌন নির্যাতন) করার অভিযোগে পুলিশ মাওলানা ওমর ফারুক (৩৮) নামে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেফতার করেছে।

শুক্রবার দুপুরে ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিভাবকদের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সদর থানা পুলিশ বগুড়া সদরের পলাশবাড়ি উত্তরপাড়া এলাকার হাফেজিয়া কওমি মাদ্রাসা থেকে ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, শিক্ষক মাওলানা ওমর ফারুক বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার গুজিয়া গ্রামের মৃত নকিব আলীর ছেলে। তিনি বগুড়া সদরের পলাশবাড়ি উত্তরপাড়া হাফেজিয়া কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক। তিনি মাদ্রাসাতেই থাকতেন। গত রমজান মাসে মাদ্রাসার বোর্ডিংয়ে থাকা কয়েকজন শিশুকে বলাৎকার করেন।

শিশুদের এ ঘটনা প্রকাশ না করতে ভয় দেখিয়ে ঈদের ছুটিতে বাড়ি পাঠানো হয়। ঈদের ছুটি শেষে ছাত্ররা মাদ্রাসায় যেতে আপত্তি করে। এতে অভিভাবকদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। তারা কারণ জানতে চাইলে একপর্যায়ে শিশুরা বাবা-মায়ের কাছে হুজুর ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে তাদের বলাৎকারের অভিযোগ করে।

শুক্রবার ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিভাবকদের মাঝে প্রচণ্ড ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা হুজুরকে গ্রেফতার ও তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মাদ্রাসা ঘেরাও করার প্রস্তুতি নেন। খবর পেয়ে সদর থানার পুলিশ মাদ্রাসায় যায়। এ সময় দুই শিশু শিক্ষার্থী হুজুরের বিরুদ্ধে তাদের বলাৎকারের অভিযোগ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে।

এসআই বেদার উদ্দিন জানান, সমকামী মানসিকতার শিক্ষক মাওলানা ওমর ফারুক গত রোজার মধ্যে কয়েকজন ছাত্রকে বলাৎকার করেছেন। দুই শিশুর স্বীকারোক্তিতে এর সত্যতা মিলেছে। বিকালে এ খবর পাঠানোর সময় অভিভাবকরা সদর থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

ওই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ওই হুজুর আর কয়জন শিশুকে যৌন নির্যাতন (বলাৎকার) করেছেন তা নিশ্চিত হতে তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড চাওয়া হবে।