ঢাকা ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয় আর্জেন্টিনাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে গান গাওয়ায় ১৭ শিক্ষার্থীকে পেটালেন শিক্ষক গাজী নজরুলের আরেকটি ভিডিও ভাইরাল, ‘নতুন তরুণীকে’ ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শেখ হাসিনার ফোনালাপ, যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তিন দাবিতে শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সুফিবাদী সুন্নি মহাসমাবেশ ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি সরকারের স্বচ্ছতার নিদর্শন: ত্রাণমন্ত্রী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে সরকারের আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ককরোচ জনতা পার্টির চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করলো বিজিবি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা চলছে

রোজার মধ্যে একাধিক ছাত্রকে বলাৎকার, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেফতার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বগুড়ায় গত রমজান মাসে একাধিক শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকার (যৌন নির্যাতন) করার অভিযোগে পুলিশ মাওলানা ওমর ফারুক (৩৮) নামে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেফতার করেছে।

শুক্রবার দুপুরে ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিভাবকদের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সদর থানা পুলিশ বগুড়া সদরের পলাশবাড়ি উত্তরপাড়া এলাকার হাফেজিয়া কওমি মাদ্রাসা থেকে ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, শিক্ষক মাওলানা ওমর ফারুক বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার গুজিয়া গ্রামের মৃত নকিব আলীর ছেলে। তিনি বগুড়া সদরের পলাশবাড়ি উত্তরপাড়া হাফেজিয়া কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক। তিনি মাদ্রাসাতেই থাকতেন। গত রমজান মাসে মাদ্রাসার বোর্ডিংয়ে থাকা কয়েকজন শিশুকে বলাৎকার করেন।

শিশুদের এ ঘটনা প্রকাশ না করতে ভয় দেখিয়ে ঈদের ছুটিতে বাড়ি পাঠানো হয়। ঈদের ছুটি শেষে ছাত্ররা মাদ্রাসায় যেতে আপত্তি করে। এতে অভিভাবকদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। তারা কারণ জানতে চাইলে একপর্যায়ে শিশুরা বাবা-মায়ের কাছে হুজুর ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে তাদের বলাৎকারের অভিযোগ করে।

শুক্রবার ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিভাবকদের মাঝে প্রচণ্ড ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা হুজুরকে গ্রেফতার ও তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মাদ্রাসা ঘেরাও করার প্রস্তুতি নেন। খবর পেয়ে সদর থানার পুলিশ মাদ্রাসায় যায়। এ সময় দুই শিশু শিক্ষার্থী হুজুরের বিরুদ্ধে তাদের বলাৎকারের অভিযোগ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে।

এসআই বেদার উদ্দিন জানান, সমকামী মানসিকতার শিক্ষক মাওলানা ওমর ফারুক গত রোজার মধ্যে কয়েকজন ছাত্রকে বলাৎকার করেছেন। দুই শিশুর স্বীকারোক্তিতে এর সত্যতা মিলেছে। বিকালে এ খবর পাঠানোর সময় অভিভাবকরা সদর থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

ওই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ওই হুজুর আর কয়জন শিশুকে যৌন নির্যাতন (বলাৎকার) করেছেন তা নিশ্চিত হতে তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড চাওয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়

রোজার মধ্যে একাধিক ছাত্রকে বলাৎকার, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেফতার

আপডেট সময় ১০:০৫:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ মে ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বগুড়ায় গত রমজান মাসে একাধিক শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকার (যৌন নির্যাতন) করার অভিযোগে পুলিশ মাওলানা ওমর ফারুক (৩৮) নামে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেফতার করেছে।

শুক্রবার দুপুরে ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিভাবকদের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সদর থানা পুলিশ বগুড়া সদরের পলাশবাড়ি উত্তরপাড়া এলাকার হাফেজিয়া কওমি মাদ্রাসা থেকে ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, শিক্ষক মাওলানা ওমর ফারুক বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার গুজিয়া গ্রামের মৃত নকিব আলীর ছেলে। তিনি বগুড়া সদরের পলাশবাড়ি উত্তরপাড়া হাফেজিয়া কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক। তিনি মাদ্রাসাতেই থাকতেন। গত রমজান মাসে মাদ্রাসার বোর্ডিংয়ে থাকা কয়েকজন শিশুকে বলাৎকার করেন।

শিশুদের এ ঘটনা প্রকাশ না করতে ভয় দেখিয়ে ঈদের ছুটিতে বাড়ি পাঠানো হয়। ঈদের ছুটি শেষে ছাত্ররা মাদ্রাসায় যেতে আপত্তি করে। এতে অভিভাবকদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। তারা কারণ জানতে চাইলে একপর্যায়ে শিশুরা বাবা-মায়ের কাছে হুজুর ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে তাদের বলাৎকারের অভিযোগ করে।

শুক্রবার ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিভাবকদের মাঝে প্রচণ্ড ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা হুজুরকে গ্রেফতার ও তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মাদ্রাসা ঘেরাও করার প্রস্তুতি নেন। খবর পেয়ে সদর থানার পুলিশ মাদ্রাসায় যায়। এ সময় দুই শিশু শিক্ষার্থী হুজুরের বিরুদ্ধে তাদের বলাৎকারের অভিযোগ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে।

এসআই বেদার উদ্দিন জানান, সমকামী মানসিকতার শিক্ষক মাওলানা ওমর ফারুক গত রোজার মধ্যে কয়েকজন ছাত্রকে বলাৎকার করেছেন। দুই শিশুর স্বীকারোক্তিতে এর সত্যতা মিলেছে। বিকালে এ খবর পাঠানোর সময় অভিভাবকরা সদর থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

ওই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ওই হুজুর আর কয়জন শিশুকে যৌন নির্যাতন (বলাৎকার) করেছেন তা নিশ্চিত হতে তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড চাওয়া হবে।