ঢাকা ১০:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করা উচিত: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রুমিন ফারহানার বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ বরগুনায় ডাকবাংলো থেকে দুই শিশু ও মায়ের মরদেহ উদ্ধার মায়ের প্রতি অবহেলা: শাস্তি পাবেন সেই যুগ্ম সচিব বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক এমপিদের সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির জ্ঞান থাকা আবশ্যক : স্পিকার ইরানের সুপ্রিম লিডার মোজতবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান ট্রাম্প ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, দাবি ট্রাম্পের

রোজার মধ্যে একাধিক ছাত্রকে বলাৎকার, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেফতার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বগুড়ায় গত রমজান মাসে একাধিক শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকার (যৌন নির্যাতন) করার অভিযোগে পুলিশ মাওলানা ওমর ফারুক (৩৮) নামে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেফতার করেছে।

শুক্রবার দুপুরে ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিভাবকদের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সদর থানা পুলিশ বগুড়া সদরের পলাশবাড়ি উত্তরপাড়া এলাকার হাফেজিয়া কওমি মাদ্রাসা থেকে ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, শিক্ষক মাওলানা ওমর ফারুক বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার গুজিয়া গ্রামের মৃত নকিব আলীর ছেলে। তিনি বগুড়া সদরের পলাশবাড়ি উত্তরপাড়া হাফেজিয়া কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক। তিনি মাদ্রাসাতেই থাকতেন। গত রমজান মাসে মাদ্রাসার বোর্ডিংয়ে থাকা কয়েকজন শিশুকে বলাৎকার করেন।

শিশুদের এ ঘটনা প্রকাশ না করতে ভয় দেখিয়ে ঈদের ছুটিতে বাড়ি পাঠানো হয়। ঈদের ছুটি শেষে ছাত্ররা মাদ্রাসায় যেতে আপত্তি করে। এতে অভিভাবকদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। তারা কারণ জানতে চাইলে একপর্যায়ে শিশুরা বাবা-মায়ের কাছে হুজুর ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে তাদের বলাৎকারের অভিযোগ করে।

শুক্রবার ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিভাবকদের মাঝে প্রচণ্ড ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা হুজুরকে গ্রেফতার ও তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মাদ্রাসা ঘেরাও করার প্রস্তুতি নেন। খবর পেয়ে সদর থানার পুলিশ মাদ্রাসায় যায়। এ সময় দুই শিশু শিক্ষার্থী হুজুরের বিরুদ্ধে তাদের বলাৎকারের অভিযোগ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে।

এসআই বেদার উদ্দিন জানান, সমকামী মানসিকতার শিক্ষক মাওলানা ওমর ফারুক গত রোজার মধ্যে কয়েকজন ছাত্রকে বলাৎকার করেছেন। দুই শিশুর স্বীকারোক্তিতে এর সত্যতা মিলেছে। বিকালে এ খবর পাঠানোর সময় অভিভাবকরা সদর থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

ওই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ওই হুজুর আর কয়জন শিশুকে যৌন নির্যাতন (বলাৎকার) করেছেন তা নিশ্চিত হতে তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড চাওয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রোজার মধ্যে একাধিক ছাত্রকে বলাৎকার, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেফতার

আপডেট সময় ১০:০৫:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ মে ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বগুড়ায় গত রমজান মাসে একাধিক শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকার (যৌন নির্যাতন) করার অভিযোগে পুলিশ মাওলানা ওমর ফারুক (৩৮) নামে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেফতার করেছে।

শুক্রবার দুপুরে ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিভাবকদের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সদর থানা পুলিশ বগুড়া সদরের পলাশবাড়ি উত্তরপাড়া এলাকার হাফেজিয়া কওমি মাদ্রাসা থেকে ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, শিক্ষক মাওলানা ওমর ফারুক বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার গুজিয়া গ্রামের মৃত নকিব আলীর ছেলে। তিনি বগুড়া সদরের পলাশবাড়ি উত্তরপাড়া হাফেজিয়া কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক। তিনি মাদ্রাসাতেই থাকতেন। গত রমজান মাসে মাদ্রাসার বোর্ডিংয়ে থাকা কয়েকজন শিশুকে বলাৎকার করেন।

শিশুদের এ ঘটনা প্রকাশ না করতে ভয় দেখিয়ে ঈদের ছুটিতে বাড়ি পাঠানো হয়। ঈদের ছুটি শেষে ছাত্ররা মাদ্রাসায় যেতে আপত্তি করে। এতে অভিভাবকদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। তারা কারণ জানতে চাইলে একপর্যায়ে শিশুরা বাবা-মায়ের কাছে হুজুর ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে তাদের বলাৎকারের অভিযোগ করে।

শুক্রবার ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিভাবকদের মাঝে প্রচণ্ড ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা হুজুরকে গ্রেফতার ও তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মাদ্রাসা ঘেরাও করার প্রস্তুতি নেন। খবর পেয়ে সদর থানার পুলিশ মাদ্রাসায় যায়। এ সময় দুই শিশু শিক্ষার্থী হুজুরের বিরুদ্ধে তাদের বলাৎকারের অভিযোগ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে।

এসআই বেদার উদ্দিন জানান, সমকামী মানসিকতার শিক্ষক মাওলানা ওমর ফারুক গত রোজার মধ্যে কয়েকজন ছাত্রকে বলাৎকার করেছেন। দুই শিশুর স্বীকারোক্তিতে এর সত্যতা মিলেছে। বিকালে এ খবর পাঠানোর সময় অভিভাবকরা সদর থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

ওই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ওই হুজুর আর কয়জন শিশুকে যৌন নির্যাতন (বলাৎকার) করেছেন তা নিশ্চিত হতে তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড চাওয়া হবে।