ঢাকা ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

রোজার মধ্যে একাধিক ছাত্রকে বলাৎকার, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেফতার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বগুড়ায় গত রমজান মাসে একাধিক শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকার (যৌন নির্যাতন) করার অভিযোগে পুলিশ মাওলানা ওমর ফারুক (৩৮) নামে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেফতার করেছে।

শুক্রবার দুপুরে ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিভাবকদের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সদর থানা পুলিশ বগুড়া সদরের পলাশবাড়ি উত্তরপাড়া এলাকার হাফেজিয়া কওমি মাদ্রাসা থেকে ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, শিক্ষক মাওলানা ওমর ফারুক বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার গুজিয়া গ্রামের মৃত নকিব আলীর ছেলে। তিনি বগুড়া সদরের পলাশবাড়ি উত্তরপাড়া হাফেজিয়া কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক। তিনি মাদ্রাসাতেই থাকতেন। গত রমজান মাসে মাদ্রাসার বোর্ডিংয়ে থাকা কয়েকজন শিশুকে বলাৎকার করেন।

শিশুদের এ ঘটনা প্রকাশ না করতে ভয় দেখিয়ে ঈদের ছুটিতে বাড়ি পাঠানো হয়। ঈদের ছুটি শেষে ছাত্ররা মাদ্রাসায় যেতে আপত্তি করে। এতে অভিভাবকদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। তারা কারণ জানতে চাইলে একপর্যায়ে শিশুরা বাবা-মায়ের কাছে হুজুর ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে তাদের বলাৎকারের অভিযোগ করে।

শুক্রবার ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিভাবকদের মাঝে প্রচণ্ড ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা হুজুরকে গ্রেফতার ও তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মাদ্রাসা ঘেরাও করার প্রস্তুতি নেন। খবর পেয়ে সদর থানার পুলিশ মাদ্রাসায় যায়। এ সময় দুই শিশু শিক্ষার্থী হুজুরের বিরুদ্ধে তাদের বলাৎকারের অভিযোগ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে।

এসআই বেদার উদ্দিন জানান, সমকামী মানসিকতার শিক্ষক মাওলানা ওমর ফারুক গত রোজার মধ্যে কয়েকজন ছাত্রকে বলাৎকার করেছেন। দুই শিশুর স্বীকারোক্তিতে এর সত্যতা মিলেছে। বিকালে এ খবর পাঠানোর সময় অভিভাবকরা সদর থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

ওই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ওই হুজুর আর কয়জন শিশুকে যৌন নির্যাতন (বলাৎকার) করেছেন তা নিশ্চিত হতে তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড চাওয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

রোজার মধ্যে একাধিক ছাত্রকে বলাৎকার, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেফতার

আপডেট সময় ১০:০৫:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ মে ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বগুড়ায় গত রমজান মাসে একাধিক শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকার (যৌন নির্যাতন) করার অভিযোগে পুলিশ মাওলানা ওমর ফারুক (৩৮) নামে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেফতার করেছে।

শুক্রবার দুপুরে ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিভাবকদের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সদর থানা পুলিশ বগুড়া সদরের পলাশবাড়ি উত্তরপাড়া এলাকার হাফেজিয়া কওমি মাদ্রাসা থেকে ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, শিক্ষক মাওলানা ওমর ফারুক বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার গুজিয়া গ্রামের মৃত নকিব আলীর ছেলে। তিনি বগুড়া সদরের পলাশবাড়ি উত্তরপাড়া হাফেজিয়া কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক। তিনি মাদ্রাসাতেই থাকতেন। গত রমজান মাসে মাদ্রাসার বোর্ডিংয়ে থাকা কয়েকজন শিশুকে বলাৎকার করেন।

শিশুদের এ ঘটনা প্রকাশ না করতে ভয় দেখিয়ে ঈদের ছুটিতে বাড়ি পাঠানো হয়। ঈদের ছুটি শেষে ছাত্ররা মাদ্রাসায় যেতে আপত্তি করে। এতে অভিভাবকদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। তারা কারণ জানতে চাইলে একপর্যায়ে শিশুরা বাবা-মায়ের কাছে হুজুর ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে তাদের বলাৎকারের অভিযোগ করে।

শুক্রবার ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিভাবকদের মাঝে প্রচণ্ড ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা হুজুরকে গ্রেফতার ও তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মাদ্রাসা ঘেরাও করার প্রস্তুতি নেন। খবর পেয়ে সদর থানার পুলিশ মাদ্রাসায় যায়। এ সময় দুই শিশু শিক্ষার্থী হুজুরের বিরুদ্ধে তাদের বলাৎকারের অভিযোগ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে।

এসআই বেদার উদ্দিন জানান, সমকামী মানসিকতার শিক্ষক মাওলানা ওমর ফারুক গত রোজার মধ্যে কয়েকজন ছাত্রকে বলাৎকার করেছেন। দুই শিশুর স্বীকারোক্তিতে এর সত্যতা মিলেছে। বিকালে এ খবর পাঠানোর সময় অভিভাবকরা সদর থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

ওই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ওই হুজুর আর কয়জন শিশুকে যৌন নির্যাতন (বলাৎকার) করেছেন তা নিশ্চিত হতে তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড চাওয়া হবে।