ঢাকা ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এবার ইসরায়েলকে ‘বর্ণবিদ্বেষী’ বলল এইচআরডাব্লিউ; আমেরিকার প্রত্যাখ্যান

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইআরডাব্লিউ) ইসরায়েলকে ‘বর্ণবিদ্বেষী সরকার’ উল্লেখ করে যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তা প্রত্যাখ্যান করেছে আমেরিকা।

হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র জেন সাকি বলেছেন, “এইচআরডাব্লিউ তার প্রতিবেদনে ইসরায়েলকে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে বর্ণবিদ্বেষী আচরণ ও তাদের প্রতি নির্যাতনের অপরাধে দায়ী করেছে। তবে মৌলিকভাবে ‘বর্ণবিদ্বেষী’ পরিভাষাটি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রতিফলিত করে না।”

সাকি আরও বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রতি বছর মানবাধিকার পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। কিন্তু এসব প্রতিবেদনে কখনো এরকম পরিভাষা ব্যবহার করা হয় না।”

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ মঙ্গলবার ১২৩ পৃষ্ঠার এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে ইসরায়েলকে ‘বর্ণবিদ্বেষী’ সরকার আখ্যায়িত করে বলেছে, ইসরায়েলি কর্মকর্তারা ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছেন। কাজেই আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালতের উচিত তাদের বিচার করা।

আন্তর্জাতিক আইনে ‘বর্ণবাদ’কে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এবার ইসরায়েলকে ‘বর্ণবিদ্বেষী’ বলল এইচআরডাব্লিউ; আমেরিকার প্রত্যাখ্যান

আপডেট সময় ০৮:৫৩:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ এপ্রিল ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইআরডাব্লিউ) ইসরায়েলকে ‘বর্ণবিদ্বেষী সরকার’ উল্লেখ করে যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তা প্রত্যাখ্যান করেছে আমেরিকা।

হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র জেন সাকি বলেছেন, “এইচআরডাব্লিউ তার প্রতিবেদনে ইসরায়েলকে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে বর্ণবিদ্বেষী আচরণ ও তাদের প্রতি নির্যাতনের অপরাধে দায়ী করেছে। তবে মৌলিকভাবে ‘বর্ণবিদ্বেষী’ পরিভাষাটি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রতিফলিত করে না।”

সাকি আরও বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রতি বছর মানবাধিকার পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। কিন্তু এসব প্রতিবেদনে কখনো এরকম পরিভাষা ব্যবহার করা হয় না।”

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ মঙ্গলবার ১২৩ পৃষ্ঠার এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে ইসরায়েলকে ‘বর্ণবিদ্বেষী’ সরকার আখ্যায়িত করে বলেছে, ইসরায়েলি কর্মকর্তারা ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছেন। কাজেই আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালতের উচিত তাদের বিচার করা।

আন্তর্জাতিক আইনে ‘বর্ণবাদ’কে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।