ঢাকা ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানে উত্তেজনা! পুলিশের সহায়তায় ভাঙা হলো মসজিদ

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের গুজরানওয়ালা জেলার গারমোলা ভিরকান গ্রামে আহমাদি মসজিদ ভেঙে ফেলার ঘটনা ঘটেছে। গত বুধবার পুলিশের সহায়তায় মসজিদটি ভেঙে ফেলা হয়।

পাকিস্তানি সাংবাদিক বিলাল ফারুকি টুইটারে এই তথ্য জানিয়ে পোস্ট দিয়েছেন। মসজিদ ভেঙে ফেলার ছবিও দিয়েছেন তিনি।

তিনি জানিয়েছেন, পুলিশের সহায়তায় মোল্লাদের একটি দল আহমাদি মসজিদটির গম্বুজ এবং মিনার ভেঙে ফেলেছেন। মসজিদে কালিমা লিখে রাখা ছিল। মোল্লারা সেটারও অপমান করেছেন।

বিলাল ফারুকি ওই টুইট বার্তায় লিখেছেন, পুলিশের সহায়তায় মোল্লাদের একটি দল গুজরানওয়ালা জেলার গারমোলা ভিরকান গ্রামের আহমাদি মসজিদের গম্বুজ এবং মিনার ভেঙে ফেলেছেন। মসজিদে লিখে রাখা কালেমারও তারা অপমান করেছেন। পাঞ্জাব সরকার কি এই গুন্ডাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে?

জানা গেছে, পাকিস্তানে আহমাদি সম্প্রদায়ের ৪০ লাখ মানুষ রয়েছে। কয়েক দশক ধরে মৃত্যুর হুমকি, ভয় দেখানো এবং ঘৃণ্য অভিযানের মুখোমুখি হয়ে আসছে তারা।

মোনা ফারুক আহমাদ নামে এক ব্যক্তি টুইট করেছেন, পাঞ্জাব প্রদেশের গুজরানওয়াল জেলার গারমোলা ভিরকান গ্রামে আহমাদি সম্প্রদায়ের একটি মসজিদের মিনার ও গম্বুজ ভেঙে দিতে পুলিশ সহায়তা করেছে। রাজ্য যখন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ওপর অত্যাচার চালানোর সহযোগী, তখন কোনো প্রগতিশীল পাকিস্তানের আশা থাকে?

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তানে উত্তেজনা! পুলিশের সহায়তায় ভাঙা হলো মসজিদ

আপডেট সময় ০৪:৪৮:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ মার্চ ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের গুজরানওয়ালা জেলার গারমোলা ভিরকান গ্রামে আহমাদি মসজিদ ভেঙে ফেলার ঘটনা ঘটেছে। গত বুধবার পুলিশের সহায়তায় মসজিদটি ভেঙে ফেলা হয়।

পাকিস্তানি সাংবাদিক বিলাল ফারুকি টুইটারে এই তথ্য জানিয়ে পোস্ট দিয়েছেন। মসজিদ ভেঙে ফেলার ছবিও দিয়েছেন তিনি।

তিনি জানিয়েছেন, পুলিশের সহায়তায় মোল্লাদের একটি দল আহমাদি মসজিদটির গম্বুজ এবং মিনার ভেঙে ফেলেছেন। মসজিদে কালিমা লিখে রাখা ছিল। মোল্লারা সেটারও অপমান করেছেন।

বিলাল ফারুকি ওই টুইট বার্তায় লিখেছেন, পুলিশের সহায়তায় মোল্লাদের একটি দল গুজরানওয়ালা জেলার গারমোলা ভিরকান গ্রামের আহমাদি মসজিদের গম্বুজ এবং মিনার ভেঙে ফেলেছেন। মসজিদে লিখে রাখা কালেমারও তারা অপমান করেছেন। পাঞ্জাব সরকার কি এই গুন্ডাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে?

জানা গেছে, পাকিস্তানে আহমাদি সম্প্রদায়ের ৪০ লাখ মানুষ রয়েছে। কয়েক দশক ধরে মৃত্যুর হুমকি, ভয় দেখানো এবং ঘৃণ্য অভিযানের মুখোমুখি হয়ে আসছে তারা।

মোনা ফারুক আহমাদ নামে এক ব্যক্তি টুইট করেছেন, পাঞ্জাব প্রদেশের গুজরানওয়াল জেলার গারমোলা ভিরকান গ্রামে আহমাদি সম্প্রদায়ের একটি মসজিদের মিনার ও গম্বুজ ভেঙে দিতে পুলিশ সহায়তা করেছে। রাজ্য যখন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ওপর অত্যাচার চালানোর সহযোগী, তখন কোনো প্রগতিশীল পাকিস্তানের আশা থাকে?