ঢাকা ০৯:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার পদ নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বকাপে ব্যর্থতা : পাকিস্তান দলের প্রত্যেককে ৫০ লাখ রুপি জরিমানা চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, হটলাইন চালু করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি অভিবাসীদের ভিসা দেওয়া স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র কারচুপির অভিযোগ,ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে বিএনপির আরও ৪ প্রার্থী বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের দায়িত্ব নিল আমিরাত মিসাইলের আঘাতে বিধ্বস্ত মার্কিন এফ-১৫ ফাইটার জেট, দাবি ইরানের

টি-টোয়েন্টিতে এখনো সেরা ওয়েস্ট ইন্ডিজ

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালের শেষ ওভারটা হয়তো এখনো ভুলতে পারেননি ক্রিকেটপ্রেমীরা। টানা চার বলে চারটি ছয় মেরে অবিশ্বাস্যভাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে শিরোপা জিতিয়েছিলেন কার্লোস ব্রেথওয়েট। সেই ম্যাচের প্রায় দেড় বছর পর আবার টি-টোয়েন্টি মুখোমুখি হয়েছিল উইন্ডিজ ও ইংল্যান্ড। ঘরের মাটিতে সেই হারের প্রতিশোধ নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ ছিল ইংল্যান্ডের সামনে। কিন্তু ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটাররা আবারও দেখিয়ে দিলেন যে টি-টোয়েন্টিতে তাঁরা এখনো সেরা।

ইংল্যান্ড সফরে গিয়ে টেস্ট সিরিজে ভালোই লড়াই করেছিল উইন্ডিজ। তবে শেষপর্যন্ত তারা টেস্ট সিরিজটি হেরে গেছে ২-১ ব্যবধানে। ইংল্যান্ড সফরের একমাত্র টি-টোয়েন্টিতে অবশ্য স্বাগতিকদের আর কোনো সুযোগ দেননি গেইল-স্যামুয়েলসরা। তুলে নিয়েছেন ২১ রানের জয়। ১৭৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৫৫ রানেই গুটিয়ে গেছে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের ইনিংস।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমেই তাণ্ডব শুরু করেছিলেন উইন্ডিজের দুই ওপেনার ক্রিস গেইল ও এভিন লুইস। সপ্তম ওভারে রানআউট হওয়ার আগে গেইল খেলেছিলেন ২১ বলে ৪০ রানের ঝড়ো ইনিংস। আর লুইস খেলেছেন ২৮ বলে ৫১ রানের ইনিংস। দুই দুজনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ভর করে ১০ ওভারেই উইন্ডিজের স্কোরবোর্ডে জমা হয়েছিল ১০৬ রান। শেষ ১০ ওভারে অবশ্য ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন ইংলিশ বোলাররা। ফলে স্কোরটা খুব বেশি বড় হয়নি সফরকারীদের। শেষপর্যায়ে রোভমান পাওয়েলের ২৮ ও অ্যাশলে নার্সের ১৩ রানের ছোট দুটি ইনিংসে ভর করে উইন্ডিজের স্কোরবোর্ডে জমা হয়েছিল ১৭৬ রান।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে প্রথম বলেই ইংল্যান্ড হারিয়েছিল জ্যাসন রয়ের উইকেট। ১৭ বলে ৪৭ রানের ইনিংস খেলে ভালোই লড়ছিলেন আরেক ওপেনার অ্যালেক্স হালেস। কিন্তু খুব বেশিক্ষণ উইকেটে থাকতে পারেননি তিনি। বিদায় নিয়েছেন ষষ্ঠ ওভারে। ৮ ওভারের মধ্যে ৬৮ রান সংগ্রহ করতেই ইংল্যান্ড হারিয়েছিল চারটি উইকেট। পঞ্চম উইকেটে ৫০ রানের জুটি গড়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েছিলেন জনি বেয়ারস্টো (২৭) ও জস বাটলার (৩০)। কিন্তু শেষ ছয় ওভারের ব্যাটিং বিপর্যয়ের পর তিন বল বাকি থাকতেই ১৫৫ রানে গুটিয়ে গেছে ইংল্যান্ডের ইনিংস।

১৯ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের

টি-টোয়েন্টিতে এখনো সেরা ওয়েস্ট ইন্ডিজ

আপডেট সময় ০৪:৪৮:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালের শেষ ওভারটা হয়তো এখনো ভুলতে পারেননি ক্রিকেটপ্রেমীরা। টানা চার বলে চারটি ছয় মেরে অবিশ্বাস্যভাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে শিরোপা জিতিয়েছিলেন কার্লোস ব্রেথওয়েট। সেই ম্যাচের প্রায় দেড় বছর পর আবার টি-টোয়েন্টি মুখোমুখি হয়েছিল উইন্ডিজ ও ইংল্যান্ড। ঘরের মাটিতে সেই হারের প্রতিশোধ নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ ছিল ইংল্যান্ডের সামনে। কিন্তু ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটাররা আবারও দেখিয়ে দিলেন যে টি-টোয়েন্টিতে তাঁরা এখনো সেরা।

ইংল্যান্ড সফরে গিয়ে টেস্ট সিরিজে ভালোই লড়াই করেছিল উইন্ডিজ। তবে শেষপর্যন্ত তারা টেস্ট সিরিজটি হেরে গেছে ২-১ ব্যবধানে। ইংল্যান্ড সফরের একমাত্র টি-টোয়েন্টিতে অবশ্য স্বাগতিকদের আর কোনো সুযোগ দেননি গেইল-স্যামুয়েলসরা। তুলে নিয়েছেন ২১ রানের জয়। ১৭৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৫৫ রানেই গুটিয়ে গেছে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের ইনিংস।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমেই তাণ্ডব শুরু করেছিলেন উইন্ডিজের দুই ওপেনার ক্রিস গেইল ও এভিন লুইস। সপ্তম ওভারে রানআউট হওয়ার আগে গেইল খেলেছিলেন ২১ বলে ৪০ রানের ঝড়ো ইনিংস। আর লুইস খেলেছেন ২৮ বলে ৫১ রানের ইনিংস। দুই দুজনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ভর করে ১০ ওভারেই উইন্ডিজের স্কোরবোর্ডে জমা হয়েছিল ১০৬ রান। শেষ ১০ ওভারে অবশ্য ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন ইংলিশ বোলাররা। ফলে স্কোরটা খুব বেশি বড় হয়নি সফরকারীদের। শেষপর্যায়ে রোভমান পাওয়েলের ২৮ ও অ্যাশলে নার্সের ১৩ রানের ছোট দুটি ইনিংসে ভর করে উইন্ডিজের স্কোরবোর্ডে জমা হয়েছিল ১৭৬ রান।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে প্রথম বলেই ইংল্যান্ড হারিয়েছিল জ্যাসন রয়ের উইকেট। ১৭ বলে ৪৭ রানের ইনিংস খেলে ভালোই লড়ছিলেন আরেক ওপেনার অ্যালেক্স হালেস। কিন্তু খুব বেশিক্ষণ উইকেটে থাকতে পারেননি তিনি। বিদায় নিয়েছেন ষষ্ঠ ওভারে। ৮ ওভারের মধ্যে ৬৮ রান সংগ্রহ করতেই ইংল্যান্ড হারিয়েছিল চারটি উইকেট। পঞ্চম উইকেটে ৫০ রানের জুটি গড়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েছিলেন জনি বেয়ারস্টো (২৭) ও জস বাটলার (৩০)। কিন্তু শেষ ছয় ওভারের ব্যাটিং বিপর্যয়ের পর তিন বল বাকি থাকতেই ১৫৫ রানে গুটিয়ে গেছে ইংল্যান্ডের ইনিংস।

১৯ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ।