ঢাকা ০৭:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা ও অনলাইন প্রচারণা জোরদারের আহ্বান মির্জা ফখরুলের নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা অনুমোদন একই প্রশ্নে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু বৃহস্পতিবার, প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে কঠোর সতর্কতা বর্তমানে সাইবার নিরাপত্তা বেশি গুরুত্বপূর্ণ : তথ্যমন্ত্রী পূর্বাচলে হবে ৪ থানা ও ৬ তদন্ত কেন্দ্র : আইজিপি এবছর ২০০ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দিয়েছে রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও হরমুজে শুল্কারোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল মেক্সিকো বিসিবির বর্তমান কমিটিতে ক্রিকেট গতিশীল হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী নাইজেরিয়ায় স্কুলে হামলায় ৩ জন নিহত, শিক্ষার্থীসহ নিখোঁজ ৩৭

স্ত্রীকে উত্যক্তের প্রতিশোধ নিতেই অটো চালককে গলাকেটে হত্যা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের কাশিমপুর সারদাগঞ্জ এলাকায় অটোরিকশা চালক এক যুবকের স্ত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে উত্যক্ত করে আসছিল প্রতিবেশী অপর অটোরিকশা চালক। এরই প্রতিশোধ নিতে সুযোগ খুঁজছিলেন ওই গৃহবধূর স্বামী। আর সুযোগ মতো তার পরিকল্পনাতেই হত্যাকাণ্ডের শিকার হন ভিকটিম ওই অটোরিকশা চালক।

শনিবার দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) জাকির হাসান।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন-আবু জাফর ওরফে আকাশ (২০), মো. ফরহাদ হোসেন (২১), মো. জহিরুল ইসলাম ওরফে শাকিল (২০) ও মো. রাশেদ আহাম্মেদ (৪০)।

সংবাদ ব্রিফিংয়ে জাকির হাসান জানান, গত বৃহস্পতিবার সারদাগঞ্জ এলাকায় রুবেল হোসেন নামের ওই অটো রিকশা চালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত করে জড়িতদের ধরতে অভিযানে নামা হয়। তদন্তের এক পর্যায়ে পুলিশ জানতে পারে, ভিকটিম রুবেল হোসেন প্রতিবেশী এক নারীকে প্রায় উত্যক্ত করতেন।

এরই জের ধরে ওই নারীর স্বামী আবু জাফর ওরফে আকাশের সঙ্গে তার শত্রুতা তৈরি হয়। আবু জাফর ওরফে আকাশ পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী তার সহযোগীদের নিয়ে রুবেলকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নেয়। পরে সারদাগঞ্জ হাজী মার্কেট এলাকায় পতিত জমির ওপর রুবেলকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে অটো রিকশাটি নিয়ে পালিয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, পুলিশ শুক্রবার রাতে কাশিমপুরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে মূল পরিকল্পনাকারী আকাশকে গ্রেফতার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যমতে অপর আসামি ফরহাদ হোসেন, জহিরুল ইসলাম ও ইজিবাইকের ব্যাটারি ক্রেতা রাশেদ আহাম্মেদকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার আকাশের শনাক্ত মতে হত্যাকাণ্ডের ব্যবহৃত সুইচ গিয়ার উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত রুবেল নওগাঁর রানীনগর থানার দেবরাগাড়ী এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে। তিনি করোনার কারণে কলেজ বন্ধ থাকায় অটো রিকশা চালাতেন বলে জানা গেছে।

এদিকে, জিএমপির কোনাবাড়ী থানা পুলিশ বিভিন্ন জেলায় অভিযান চালিয়ে সাত চোরাই মোটরসাইকেলসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন-দূর্জয় ওরফে সুজন (২৮), মো. হারুন অর রশিদ (৩৫), তার ভাই মো. আল আমিন (৩০) ও মো. রাজীব (২০)।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা ও অনলাইন প্রচারণা জোরদারের আহ্বান মির্জা ফখরুলের

স্ত্রীকে উত্যক্তের প্রতিশোধ নিতেই অটো চালককে গলাকেটে হত্যা

আপডেট সময় ০৬:৩৬:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের কাশিমপুর সারদাগঞ্জ এলাকায় অটোরিকশা চালক এক যুবকের স্ত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে উত্যক্ত করে আসছিল প্রতিবেশী অপর অটোরিকশা চালক। এরই প্রতিশোধ নিতে সুযোগ খুঁজছিলেন ওই গৃহবধূর স্বামী। আর সুযোগ মতো তার পরিকল্পনাতেই হত্যাকাণ্ডের শিকার হন ভিকটিম ওই অটোরিকশা চালক।

শনিবার দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) জাকির হাসান।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন-আবু জাফর ওরফে আকাশ (২০), মো. ফরহাদ হোসেন (২১), মো. জহিরুল ইসলাম ওরফে শাকিল (২০) ও মো. রাশেদ আহাম্মেদ (৪০)।

সংবাদ ব্রিফিংয়ে জাকির হাসান জানান, গত বৃহস্পতিবার সারদাগঞ্জ এলাকায় রুবেল হোসেন নামের ওই অটো রিকশা চালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত করে জড়িতদের ধরতে অভিযানে নামা হয়। তদন্তের এক পর্যায়ে পুলিশ জানতে পারে, ভিকটিম রুবেল হোসেন প্রতিবেশী এক নারীকে প্রায় উত্যক্ত করতেন।

এরই জের ধরে ওই নারীর স্বামী আবু জাফর ওরফে আকাশের সঙ্গে তার শত্রুতা তৈরি হয়। আবু জাফর ওরফে আকাশ পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী তার সহযোগীদের নিয়ে রুবেলকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নেয়। পরে সারদাগঞ্জ হাজী মার্কেট এলাকায় পতিত জমির ওপর রুবেলকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে অটো রিকশাটি নিয়ে পালিয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, পুলিশ শুক্রবার রাতে কাশিমপুরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে মূল পরিকল্পনাকারী আকাশকে গ্রেফতার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যমতে অপর আসামি ফরহাদ হোসেন, জহিরুল ইসলাম ও ইজিবাইকের ব্যাটারি ক্রেতা রাশেদ আহাম্মেদকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার আকাশের শনাক্ত মতে হত্যাকাণ্ডের ব্যবহৃত সুইচ গিয়ার উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত রুবেল নওগাঁর রানীনগর থানার দেবরাগাড়ী এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে। তিনি করোনার কারণে কলেজ বন্ধ থাকায় অটো রিকশা চালাতেন বলে জানা গেছে।

এদিকে, জিএমপির কোনাবাড়ী থানা পুলিশ বিভিন্ন জেলায় অভিযান চালিয়ে সাত চোরাই মোটরসাইকেলসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন-দূর্জয় ওরফে সুজন (২৮), মো. হারুন অর রশিদ (৩৫), তার ভাই মো. আল আমিন (৩০) ও মো. রাজীব (২০)।