ঢাকা ০৮:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপির সমাবেশে অসুস্থ হয়ে কিশোরের মৃত্যু, আহত আরও ২ চমেকে ভর্তি শেখ হাসিনাকে বক্তব্য দিতে দেওয়া বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘নিরাপত্তা উদ্বেগ সমাধান না হওয়াটা দুঃখজনক’:মোহাম্মদ ইউসুফ ‘বাপ-দাদাদের জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি,আপনাদের আমানতের খেয়ানত করবো না’:মির্জা ফখরুল আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নয়, সরকার অপরাধীদের জামিনের বিরুদ্ধে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থার ত্রুটির বিষয়ে ইসির নীরবতা প্রশ্নবিদ্ধ: নজরুল ইসলাম ৪৫ হাজার কোটি টাকার ২৫ প্রকল্প অনুমোদন নিরপেক্ষ ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই গণতন্ত্র উত্তরণের প্রধান শর্ত: সুজন সম্পাদক ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরার প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানের সমালোচনার মধ্যে থাকলে দেশের মানুষের কোনো উন্নয়ন হবে না: তারেক রহমান

খোলা সয়াবিন তেলের লিটার ১১৫ টাকা, বোতলজাত ১৩৫

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ভোজ্যতেল সয়াবিনের যৌক্তিক মূল্য প্রতি লিটারের (খোলা বাজারে) খুচরা মূল্য ১১৫ টাকা ও বোতলজাত ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

একইসঙ্গে ভোজ্য তেলের মূল্য অস্থিতিশীল থাকায় অত্যাবশ্যকীয় পণ্য বিপণন ও পরিবেশক বিষয়ক জাতীয় কমিটির সভা প্রতিমাসেই আয়োজন করা হবে বলে জানান তিনি।

বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে অত্যাবশকীয় পণ্য বিপণন ও পরিবেশক বিষয়ক জাতীয় কমিটির সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। সভায় বাণিজ্যসচিব জাফর উদ্দিন, সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান, ভোজ্য তেল আমদানিকারক ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতি লিটার সয়াবিন খোলা বাজারে মিল গেটে ১০৭ টাকা, পরিবেশক মূল্য ১১০ টাকা এবং খুচরা মূল্য ১১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিনের মিল গেট মূল্য ১২৩ টাকা, পরিবেশক মূল্য ১২৭ টাকা এবং খুচরা মূল্য ১৩৫ টাকা। ৫ লিটার বোতলজাত সয়াবিনের মিল গেট মূল্য ৫৮৫ টাকা, পরিবেশক মূল্য ৬০০ টাকা এবং খুচরা মূল্য ৬২৫ টাকা। আমাদের দেশে যে তেল ব্যবহার করি, তার ৭০ শতাংশ পাম সুপার, যার প্রতি লিটারের মিল গেট মূল্য (খোলা) ৯৫ টাকা, পরিবেশক মূল্য ৯৮ টাকা এবং খুচরা বাজারে ১০৪ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ভোজ্য তেলের আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে এ দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

সামনে রমজান মাস, বর্তমানে যথেষ্ট মজুদ রয়েছে। সব হিসাব নিকাশ করে এ দাম নির্ধারণ করা হয়েছে জানিয়ে টিপু মুনশি বলেন, ঘোষণার পর শক্ত হাতে দাম নিয়ন্ত্রণ করা হবে। দাম কমে গেলে বিবেচনা করা হবে, বেড়ে গেলেও বিবেচনা করা হবে। আমরা যে তেল ব্যবহার করি, তার ৯০ শতাংশ আমদানি করতে হয়।

আন্তর্জাতিক বাজারে গত ৬ মাসে ৬৫ শতাংশ তেলের দাম বেড়েছে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, শিপিং কস্টও বেড়েছে। জাহাজের তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন খরচও বেড়েছে। অপরিশোধিত সয়াবিন ও পাম তেলের আমদানিতে আরোপিত ভ্যাট ভোক্তার স্বার্থ বিবেচনায় আরও বেশি যৌক্তিকহারে নির্ধারণের জন্য এরই মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে রাজস্ব ব্যুরোকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির সমাবেশে অসুস্থ হয়ে কিশোরের মৃত্যু, আহত আরও ২ চমেকে ভর্তি

খোলা সয়াবিন তেলের লিটার ১১৫ টাকা, বোতলজাত ১৩৫

আপডেট সময় ০৫:২৪:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ভোজ্যতেল সয়াবিনের যৌক্তিক মূল্য প্রতি লিটারের (খোলা বাজারে) খুচরা মূল্য ১১৫ টাকা ও বোতলজাত ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

একইসঙ্গে ভোজ্য তেলের মূল্য অস্থিতিশীল থাকায় অত্যাবশ্যকীয় পণ্য বিপণন ও পরিবেশক বিষয়ক জাতীয় কমিটির সভা প্রতিমাসেই আয়োজন করা হবে বলে জানান তিনি।

বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে অত্যাবশকীয় পণ্য বিপণন ও পরিবেশক বিষয়ক জাতীয় কমিটির সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। সভায় বাণিজ্যসচিব জাফর উদ্দিন, সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান, ভোজ্য তেল আমদানিকারক ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতি লিটার সয়াবিন খোলা বাজারে মিল গেটে ১০৭ টাকা, পরিবেশক মূল্য ১১০ টাকা এবং খুচরা মূল্য ১১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিনের মিল গেট মূল্য ১২৩ টাকা, পরিবেশক মূল্য ১২৭ টাকা এবং খুচরা মূল্য ১৩৫ টাকা। ৫ লিটার বোতলজাত সয়াবিনের মিল গেট মূল্য ৫৮৫ টাকা, পরিবেশক মূল্য ৬০০ টাকা এবং খুচরা মূল্য ৬২৫ টাকা। আমাদের দেশে যে তেল ব্যবহার করি, তার ৭০ শতাংশ পাম সুপার, যার প্রতি লিটারের মিল গেট মূল্য (খোলা) ৯৫ টাকা, পরিবেশক মূল্য ৯৮ টাকা এবং খুচরা বাজারে ১০৪ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ভোজ্য তেলের আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে এ দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

সামনে রমজান মাস, বর্তমানে যথেষ্ট মজুদ রয়েছে। সব হিসাব নিকাশ করে এ দাম নির্ধারণ করা হয়েছে জানিয়ে টিপু মুনশি বলেন, ঘোষণার পর শক্ত হাতে দাম নিয়ন্ত্রণ করা হবে। দাম কমে গেলে বিবেচনা করা হবে, বেড়ে গেলেও বিবেচনা করা হবে। আমরা যে তেল ব্যবহার করি, তার ৯০ শতাংশ আমদানি করতে হয়।

আন্তর্জাতিক বাজারে গত ৬ মাসে ৬৫ শতাংশ তেলের দাম বেড়েছে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, শিপিং কস্টও বেড়েছে। জাহাজের তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন খরচও বেড়েছে। অপরিশোধিত সয়াবিন ও পাম তেলের আমদানিতে আরোপিত ভ্যাট ভোক্তার স্বার্থ বিবেচনায় আরও বেশি যৌক্তিকহারে নির্ধারণের জন্য এরই মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে রাজস্ব ব্যুরোকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।