ঢাকা ১১:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

অস্কার দৌড়ে ‘মাদার’ জেনিফার

অাকাশ বিনোদন ডেস্ক: 

বয়স মাত্র ২৭ বছর, এরই মধ্যে ঘরে তুলেছেন দু-দুটো অস্কার। দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ অস্কারজয়ী অভিনেত্রী হিসেবে রয়েছে তাঁর রেকর্ড। পরপর দুই বছর তিনি অস্কার পদক নিতে উঠেছেন মঞ্চে, এই অভিজ্ঞতাও এক বিরল ব্যাপার। কিন্তু এত ইতিহাস গড়েও কোনো ক্লান্তি নেই জেনিফার লরেন্সের। তিনি এ বছর অস্কার দৌড়ে এরই মধ্যে অন্যদের পেছনে ফেলতে শুরু করেছেন। তাঁর ছবি মাদার! মুক্তি পাবে এ সপ্তাহে। তবে সম্প্রতি ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে এই ছবিকে নানা ধরনের আলোচনা-সমালোচনা ঘিরে ধরেছে। আর এ লক্ষণই আভাস দিচ্ছে যে এমন সমালোচনা হয়তো জেনিফারকে এ বছরও ঘরে অস্কার তুলতে সাহায্য করবে।

নির্মাতা ড্যারেন অ্যারোনোফিস্ক এক অদ্ভুত ভৌতিক গল্প নিয়ে বানিয়েছেন তাঁর মাদার! ছবিটি। ছবিতে কোনো চরিত্রের কোনো নাম নেই। জেনিফার লরেন্সকে পুরো সিনেমায় ‘মাদার’ নামে ডাকা হয়েছে। তাঁর স্বামীকে সম্বোধন করা হয়েছে ‘হিম’ (Him) হিসেবে। আর ছবির আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রকে ‘ম্যান’ ও ‘ওম্যান’ হিসেবে পাওয়া গেছে। পুরো গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে বানানো এ ছবি সদ্য শেষ হওয়া ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে পেয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। একদল বলছে, ছবিটি বোধগম্যের বাইরে। আরেক দলের বিচারে, এমন ছবি পাল্টে দেবে চলচ্চিত্রের ইতিহাস। কিন্তু ড্যারেনের মনে যে কী চলছে, তা বোঝা দায়। আঁচ করে বোঝা যায়, তিনি হয়তো অস্কারকে মনে ধারণ করেই মাদার!–এর জন্ম দিয়েছেন। কারণ ছবির প্রত্যেক শিল্পীকুশলী হলেন একাডেমি কর্তৃপক্ষের প্রিয় নাম। হেভিয়ার বারদেম, এড হ্যারিস ও মিশেল পাইফার—তিন শিল্পীর নামই বিভিন্ন বছর বিভিন্ন কারণেই অস্কার আয়োজনে উচ্চারিত হয়েছে। হেভিয়ার তো ২০০৭ সালে সেরা পার্শ্ব-অভিনেতার একাডেমি পুরস্কারও জিতেছিলেন।

তবে সব হিসাবে এ ছবির জন্য অস্কার দৌড়ে ঘুরেফিরে জেনিফার লরেন্সের নামই এগিয়ে থাকছে। কারণ, ড্যারেনের ছবিগুলোয় অভিনয় মানেই অভিনেত্রীর ভাগ্যদ্বার খুলে যাওয়া। এর আগে ড্যারেনের ব্ল্যাক সোয়ান-এ অভিনয় করে অস্কার ঘরে তুলেছিলেন নাটালি পোর্টম্যান। এ ছাড়া ২০০০ সালে এই নির্মাতার ছবির কল্যাণে এলেন বার্সটেন পেয়েছিলেন অস্কার মনোনয়ন। তাই ড্যারেনের ছবির নায়িকা হিসেবে জেনিফারের অস্কারভাগ্য আবারও জ্বলজ্বল করছে।

সূত্র: ভ্যারাইটি, গসিপ কপ ও ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবের ওয়েবসাইট অবলম্বনে

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

অস্কার দৌড়ে ‘মাদার’ জেনিফার

আপডেট সময় ১২:৩৭:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ বিনোদন ডেস্ক: 

বয়স মাত্র ২৭ বছর, এরই মধ্যে ঘরে তুলেছেন দু-দুটো অস্কার। দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ অস্কারজয়ী অভিনেত্রী হিসেবে রয়েছে তাঁর রেকর্ড। পরপর দুই বছর তিনি অস্কার পদক নিতে উঠেছেন মঞ্চে, এই অভিজ্ঞতাও এক বিরল ব্যাপার। কিন্তু এত ইতিহাস গড়েও কোনো ক্লান্তি নেই জেনিফার লরেন্সের। তিনি এ বছর অস্কার দৌড়ে এরই মধ্যে অন্যদের পেছনে ফেলতে শুরু করেছেন। তাঁর ছবি মাদার! মুক্তি পাবে এ সপ্তাহে। তবে সম্প্রতি ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে এই ছবিকে নানা ধরনের আলোচনা-সমালোচনা ঘিরে ধরেছে। আর এ লক্ষণই আভাস দিচ্ছে যে এমন সমালোচনা হয়তো জেনিফারকে এ বছরও ঘরে অস্কার তুলতে সাহায্য করবে।

নির্মাতা ড্যারেন অ্যারোনোফিস্ক এক অদ্ভুত ভৌতিক গল্প নিয়ে বানিয়েছেন তাঁর মাদার! ছবিটি। ছবিতে কোনো চরিত্রের কোনো নাম নেই। জেনিফার লরেন্সকে পুরো সিনেমায় ‘মাদার’ নামে ডাকা হয়েছে। তাঁর স্বামীকে সম্বোধন করা হয়েছে ‘হিম’ (Him) হিসেবে। আর ছবির আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রকে ‘ম্যান’ ও ‘ওম্যান’ হিসেবে পাওয়া গেছে। পুরো গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে বানানো এ ছবি সদ্য শেষ হওয়া ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে পেয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। একদল বলছে, ছবিটি বোধগম্যের বাইরে। আরেক দলের বিচারে, এমন ছবি পাল্টে দেবে চলচ্চিত্রের ইতিহাস। কিন্তু ড্যারেনের মনে যে কী চলছে, তা বোঝা দায়। আঁচ করে বোঝা যায়, তিনি হয়তো অস্কারকে মনে ধারণ করেই মাদার!–এর জন্ম দিয়েছেন। কারণ ছবির প্রত্যেক শিল্পীকুশলী হলেন একাডেমি কর্তৃপক্ষের প্রিয় নাম। হেভিয়ার বারদেম, এড হ্যারিস ও মিশেল পাইফার—তিন শিল্পীর নামই বিভিন্ন বছর বিভিন্ন কারণেই অস্কার আয়োজনে উচ্চারিত হয়েছে। হেভিয়ার তো ২০০৭ সালে সেরা পার্শ্ব-অভিনেতার একাডেমি পুরস্কারও জিতেছিলেন।

তবে সব হিসাবে এ ছবির জন্য অস্কার দৌড়ে ঘুরেফিরে জেনিফার লরেন্সের নামই এগিয়ে থাকছে। কারণ, ড্যারেনের ছবিগুলোয় অভিনয় মানেই অভিনেত্রীর ভাগ্যদ্বার খুলে যাওয়া। এর আগে ড্যারেনের ব্ল্যাক সোয়ান-এ অভিনয় করে অস্কার ঘরে তুলেছিলেন নাটালি পোর্টম্যান। এ ছাড়া ২০০০ সালে এই নির্মাতার ছবির কল্যাণে এলেন বার্সটেন পেয়েছিলেন অস্কার মনোনয়ন। তাই ড্যারেনের ছবির নায়িকা হিসেবে জেনিফারের অস্কারভাগ্য আবারও জ্বলজ্বল করছে।

সূত্র: ভ্যারাইটি, গসিপ কপ ও ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবের ওয়েবসাইট অবলম্বনে