ঢাকা ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাকরাইলে মা-ছেলে হত্যায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

রাজধানীর কাকরাইলে মা ও ছেলেকে গলাকেটে হত্যা মামলায় নিহত নারীর স্বামীসহ তিনজনের ফাঁসির রায় হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, স্বামী আব্দুল করিম, তার তৃতীয় স্ত্রী শারমিন আক্তার মুক্তা ও শ্যালক আল-আমিন ওরফে জনি।

গত ১০ জানুয়ারি একই আদালত রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের এই তারিখ ধার্য করে।

২০১৭ সালের ১ নভেম্বর কাকরাইলের পাইওনিয়র গলির ৭৯/১ নম্বর বাসায় আব্দুল করিমের প্রথম স্ত্রী শামসুন্নাহার করিম (৪৬) ও তার ছেলে সাজ্জাদুল করিম শাওনকে (১৯) গলাকেটে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় স্বামী আব্দুল করিম, তার তৃতীয় স্ত্রী মুক্তা ও মুক্তার ভাই জনিকে আসামি করে মামলা করেন নিহত শামসুননাহারের ভাই আশরাফ আলী।

রাষ্ট্রপক্ষ যুক্তি উপস্থাপনকালে মামলার তিন আসামির সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড দাবি করে। আর রাষ্ট্রপক্ষ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি মর্মে খালাস চেয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী।

২০১৮ সালের ১৬ জুলাই ওই তিন জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা থানার পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. আলী হোসেন। গত বছর ৩১ জানুয়ারি তিনজনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাকরাইলে মা-ছেলে হত্যায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ১২:২৫:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

রাজধানীর কাকরাইলে মা ও ছেলেকে গলাকেটে হত্যা মামলায় নিহত নারীর স্বামীসহ তিনজনের ফাঁসির রায় হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, স্বামী আব্দুল করিম, তার তৃতীয় স্ত্রী শারমিন আক্তার মুক্তা ও শ্যালক আল-আমিন ওরফে জনি।

গত ১০ জানুয়ারি একই আদালত রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের এই তারিখ ধার্য করে।

২০১৭ সালের ১ নভেম্বর কাকরাইলের পাইওনিয়র গলির ৭৯/১ নম্বর বাসায় আব্দুল করিমের প্রথম স্ত্রী শামসুন্নাহার করিম (৪৬) ও তার ছেলে সাজ্জাদুল করিম শাওনকে (১৯) গলাকেটে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় স্বামী আব্দুল করিম, তার তৃতীয় স্ত্রী মুক্তা ও মুক্তার ভাই জনিকে আসামি করে মামলা করেন নিহত শামসুননাহারের ভাই আশরাফ আলী।

রাষ্ট্রপক্ষ যুক্তি উপস্থাপনকালে মামলার তিন আসামির সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড দাবি করে। আর রাষ্ট্রপক্ষ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি মর্মে খালাস চেয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী।

২০১৮ সালের ১৬ জুলাই ওই তিন জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা থানার পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. আলী হোসেন। গত বছর ৩১ জানুয়ারি তিনজনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত।