ঢাকা ০৬:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী জঙ্গল সলিমপুরে পানিতে বিষ মিশিয়ে যৌথবাহিনী সদস্যদের হত্যাচেষ্টা! দেশে ১ কোটি লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী তুরাবদের রক্তের বিনিময়েই দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান জনগণের স্বার্থের বিপরীতে কিছু করলে দায়ভার সরকারের ওপরই পড়বে: মান্না অস্ত্র প্রস্তুত, তবে ইরানকে ‘কিছুটা সময়’ দিচ্ছেন ট্রাম্প : মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিএনপি মো. সাহাবুদ্দিনকে ‘সেফ এক্সিট’ দিতে চায়: আখতার প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে ঘিরে উত্তেজনা-ধস্তাধস্তি, বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান গণতন্ত্র যতবারই হোঁচট খেয়েছে, ততবারই মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: ডা. জাহিদ বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢুকে পড়লো কুর্মিটোলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে, নিহত ১

ছয় মাসে কালো টাকা থেকে সরকারের আয় ৯৬২ কোটি টাকা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

১ জুলাই থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলতি অর্থবছরের ছয় মাসে কালো টাকা সাদা করার মাধ্যমে ৭৬৫০ জন ব্যক্তি শ্রেণির করদাতার কাছ থেকে সরকার রাজস্ব পেয়েছে ৯৬২ কোটি টাকা।

সোমবার (৪ জানুয়ারি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সিনিয়র তথ্য অফিসার সৈয়দ এ মু’মেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

জানা যায়, কালো টাকা বিনিয়োগের মাধ্যমে ৭৬৫০ জন ব্যক্তি শ্রেণির করদাতার কাছ থেকে সরকার মোট ৯৬২ কোটি টাকা রাজস্ব পেয়েছে। তবে ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের রিটার্ন দেওয়ার হার গত বছরের তুলনায় বেড়েছে এ অর্থবছরে। ১ জুলাই থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত আয়কর রিটার্ন দিয়েছেন ২১ লাখ ৫১ হাজার ৩২৬ করদাতা। ২০১৯ সালের একই সময়ে এটি ছিল ১৯ লাখ ২৫ হাজার ৭৭৭ জন। আগের বছরের চেয়ে এই সময়ের মধ্যে করদাতা বেড়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার ৫৪৯ জন।

এনবিআরে জমা দেওয়া রিটার্ন থেকে জানা যায়, নগদ অর্থ, ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, ফ্ল্যাট ও জমি কিনে কালো টাকা সাদা করেছেন ৭ হাজার ৪৪৫ জন। সরকার এই খাত থেকে কর পেয়েছে ৯৩৯ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। আর শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করেছেন ২০৫ জন। তাদের কাছ থেকে সরকার কর পেয়েছে ২২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা।

এর আগে মহামারির কারণে দেশের অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাবে আয়কর আদায়ে যে প্রভাব পড়বে, তা কাটিয়ে উঠতে আয়কর দেওয়ার মাধ্যমে অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার সুযোগ দেয় সরকার।

নতুন বিধানে করদাতারা তাদের আয়কর রিটার্নে অপ্রদর্শিত আয়ের নগদ অর্থ, ব্যাংক আমানত, সঞ্চয়পত্র, শেয়ার, বন্ড বা অন্য কোনো যেকোনো সম্পদের ওপর ১০ শতাংশ কর দেওয়ার মাধ্যমে বৈধ করতে পারবে।

ব্যক্তি পর্যায়ে প্রদর্শিত আয়ের ওপর সর্বোচ্চ প্রদেয় কর ২৫ শতাংশ। সেখানে অপ্রদর্শিত আয়ের ওপর এই হার মাত্র ১০ শতাংশ।

এনবিআর কালো টাকা সাদা করার এই সুযোগ দিচ্ছে এক বছরের জন্য। ২০২০ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কালো টাকার উৎস না জানিয়েই সাদা করা যাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী

ছয় মাসে কালো টাকা থেকে সরকারের আয় ৯৬২ কোটি টাকা

আপডেট সময় ০৪:৫৭:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

১ জুলাই থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলতি অর্থবছরের ছয় মাসে কালো টাকা সাদা করার মাধ্যমে ৭৬৫০ জন ব্যক্তি শ্রেণির করদাতার কাছ থেকে সরকার রাজস্ব পেয়েছে ৯৬২ কোটি টাকা।

সোমবার (৪ জানুয়ারি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সিনিয়র তথ্য অফিসার সৈয়দ এ মু’মেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

জানা যায়, কালো টাকা বিনিয়োগের মাধ্যমে ৭৬৫০ জন ব্যক্তি শ্রেণির করদাতার কাছ থেকে সরকার মোট ৯৬২ কোটি টাকা রাজস্ব পেয়েছে। তবে ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের রিটার্ন দেওয়ার হার গত বছরের তুলনায় বেড়েছে এ অর্থবছরে। ১ জুলাই থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত আয়কর রিটার্ন দিয়েছেন ২১ লাখ ৫১ হাজার ৩২৬ করদাতা। ২০১৯ সালের একই সময়ে এটি ছিল ১৯ লাখ ২৫ হাজার ৭৭৭ জন। আগের বছরের চেয়ে এই সময়ের মধ্যে করদাতা বেড়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার ৫৪৯ জন।

এনবিআরে জমা দেওয়া রিটার্ন থেকে জানা যায়, নগদ অর্থ, ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, ফ্ল্যাট ও জমি কিনে কালো টাকা সাদা করেছেন ৭ হাজার ৪৪৫ জন। সরকার এই খাত থেকে কর পেয়েছে ৯৩৯ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। আর শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করেছেন ২০৫ জন। তাদের কাছ থেকে সরকার কর পেয়েছে ২২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা।

এর আগে মহামারির কারণে দেশের অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাবে আয়কর আদায়ে যে প্রভাব পড়বে, তা কাটিয়ে উঠতে আয়কর দেওয়ার মাধ্যমে অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার সুযোগ দেয় সরকার।

নতুন বিধানে করদাতারা তাদের আয়কর রিটার্নে অপ্রদর্শিত আয়ের নগদ অর্থ, ব্যাংক আমানত, সঞ্চয়পত্র, শেয়ার, বন্ড বা অন্য কোনো যেকোনো সম্পদের ওপর ১০ শতাংশ কর দেওয়ার মাধ্যমে বৈধ করতে পারবে।

ব্যক্তি পর্যায়ে প্রদর্শিত আয়ের ওপর সর্বোচ্চ প্রদেয় কর ২৫ শতাংশ। সেখানে অপ্রদর্শিত আয়ের ওপর এই হার মাত্র ১০ শতাংশ।

এনবিআর কালো টাকা সাদা করার এই সুযোগ দিচ্ছে এক বছরের জন্য। ২০২০ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কালো টাকার উৎস না জানিয়েই সাদা করা যাবে।