ঢাকা ০৩:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ছয় মাসে কালো টাকা থেকে সরকারের আয় ৯৬২ কোটি টাকা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

১ জুলাই থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলতি অর্থবছরের ছয় মাসে কালো টাকা সাদা করার মাধ্যমে ৭৬৫০ জন ব্যক্তি শ্রেণির করদাতার কাছ থেকে সরকার রাজস্ব পেয়েছে ৯৬২ কোটি টাকা।

সোমবার (৪ জানুয়ারি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সিনিয়র তথ্য অফিসার সৈয়দ এ মু’মেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

জানা যায়, কালো টাকা বিনিয়োগের মাধ্যমে ৭৬৫০ জন ব্যক্তি শ্রেণির করদাতার কাছ থেকে সরকার মোট ৯৬২ কোটি টাকা রাজস্ব পেয়েছে। তবে ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের রিটার্ন দেওয়ার হার গত বছরের তুলনায় বেড়েছে এ অর্থবছরে। ১ জুলাই থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত আয়কর রিটার্ন দিয়েছেন ২১ লাখ ৫১ হাজার ৩২৬ করদাতা। ২০১৯ সালের একই সময়ে এটি ছিল ১৯ লাখ ২৫ হাজার ৭৭৭ জন। আগের বছরের চেয়ে এই সময়ের মধ্যে করদাতা বেড়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার ৫৪৯ জন।

এনবিআরে জমা দেওয়া রিটার্ন থেকে জানা যায়, নগদ অর্থ, ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, ফ্ল্যাট ও জমি কিনে কালো টাকা সাদা করেছেন ৭ হাজার ৪৪৫ জন। সরকার এই খাত থেকে কর পেয়েছে ৯৩৯ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। আর শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করেছেন ২০৫ জন। তাদের কাছ থেকে সরকার কর পেয়েছে ২২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা।

এর আগে মহামারির কারণে দেশের অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাবে আয়কর আদায়ে যে প্রভাব পড়বে, তা কাটিয়ে উঠতে আয়কর দেওয়ার মাধ্যমে অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার সুযোগ দেয় সরকার।

নতুন বিধানে করদাতারা তাদের আয়কর রিটার্নে অপ্রদর্শিত আয়ের নগদ অর্থ, ব্যাংক আমানত, সঞ্চয়পত্র, শেয়ার, বন্ড বা অন্য কোনো যেকোনো সম্পদের ওপর ১০ শতাংশ কর দেওয়ার মাধ্যমে বৈধ করতে পারবে।

ব্যক্তি পর্যায়ে প্রদর্শিত আয়ের ওপর সর্বোচ্চ প্রদেয় কর ২৫ শতাংশ। সেখানে অপ্রদর্শিত আয়ের ওপর এই হার মাত্র ১০ শতাংশ।

এনবিআর কালো টাকা সাদা করার এই সুযোগ দিচ্ছে এক বছরের জন্য। ২০২০ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কালো টাকার উৎস না জানিয়েই সাদা করা যাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ছয় মাসে কালো টাকা থেকে সরকারের আয় ৯৬২ কোটি টাকা

আপডেট সময় ০৪:৫৭:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

১ জুলাই থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলতি অর্থবছরের ছয় মাসে কালো টাকা সাদা করার মাধ্যমে ৭৬৫০ জন ব্যক্তি শ্রেণির করদাতার কাছ থেকে সরকার রাজস্ব পেয়েছে ৯৬২ কোটি টাকা।

সোমবার (৪ জানুয়ারি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সিনিয়র তথ্য অফিসার সৈয়দ এ মু’মেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

জানা যায়, কালো টাকা বিনিয়োগের মাধ্যমে ৭৬৫০ জন ব্যক্তি শ্রেণির করদাতার কাছ থেকে সরকার মোট ৯৬২ কোটি টাকা রাজস্ব পেয়েছে। তবে ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের রিটার্ন দেওয়ার হার গত বছরের তুলনায় বেড়েছে এ অর্থবছরে। ১ জুলাই থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত আয়কর রিটার্ন দিয়েছেন ২১ লাখ ৫১ হাজার ৩২৬ করদাতা। ২০১৯ সালের একই সময়ে এটি ছিল ১৯ লাখ ২৫ হাজার ৭৭৭ জন। আগের বছরের চেয়ে এই সময়ের মধ্যে করদাতা বেড়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার ৫৪৯ জন।

এনবিআরে জমা দেওয়া রিটার্ন থেকে জানা যায়, নগদ অর্থ, ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, ফ্ল্যাট ও জমি কিনে কালো টাকা সাদা করেছেন ৭ হাজার ৪৪৫ জন। সরকার এই খাত থেকে কর পেয়েছে ৯৩৯ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। আর শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করেছেন ২০৫ জন। তাদের কাছ থেকে সরকার কর পেয়েছে ২২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা।

এর আগে মহামারির কারণে দেশের অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাবে আয়কর আদায়ে যে প্রভাব পড়বে, তা কাটিয়ে উঠতে আয়কর দেওয়ার মাধ্যমে অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার সুযোগ দেয় সরকার।

নতুন বিধানে করদাতারা তাদের আয়কর রিটার্নে অপ্রদর্শিত আয়ের নগদ অর্থ, ব্যাংক আমানত, সঞ্চয়পত্র, শেয়ার, বন্ড বা অন্য কোনো যেকোনো সম্পদের ওপর ১০ শতাংশ কর দেওয়ার মাধ্যমে বৈধ করতে পারবে।

ব্যক্তি পর্যায়ে প্রদর্শিত আয়ের ওপর সর্বোচ্চ প্রদেয় কর ২৫ শতাংশ। সেখানে অপ্রদর্শিত আয়ের ওপর এই হার মাত্র ১০ শতাংশ।

এনবিআর কালো টাকা সাদা করার এই সুযোগ দিচ্ছে এক বছরের জন্য। ২০২০ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কালো টাকার উৎস না জানিয়েই সাদা করা যাবে।