ঢাকা ১১:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

৪ শিল্পকে রপ্তানিসক্ষম করতে ৪ কোটি ডলার ব্যয় হবে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত চারটি শিল্পখাতকে রপ্তানিতে সক্ষম করে তুলতে চার কোটি মার্কিন ডলার বা ৩৪০ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ‘এক্সপোর্ট কম্পিটিটিভনেস ফর জবস (ইসিফোরজে)’ প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে।এতে রপ্তানিকারকরা অনেক উপকৃত হবেন।

বুধবার (৯ ডিসেম্বর) ঢাকায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ‘এক্সপোর্ট কম্পিটিটিভনেস ফর জবস (ইসিফোরজে)’ প্রকল্পের আওতায় পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফ্যাসিলিটি ফর ইনফ্রাস্ট্রাকচার কন্সট্রেইন্টস (পিআইএফআইসি)” কর্মসূচি চালুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্যু(িয়ালি অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের রপ্তানি বাড়াতে সরকার রপ্তানিকারকদের বিভিন্ন সহায়তা দিচ্ছে। এখন রপ্তানি বাড়াতে তাদের এগিয়ে আসতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান ব্যবসাবান্ধব সরকার নানামুখী পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রতিযোগিতামূলক রপ্তানি বাণিজ্যে এগিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রয়েছে বাংলাদেশের। ফলে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাকের পাশাপাশি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত সম্ভাবনাময় চারটি শিল্পখাত রয়েছে। এগুলো হচ্ছে- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, জুতা, হালকা প্রকৌশল ও প্লাস্টিক পণ্য খাত। এগুলো বহুমুখীকরণের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় “এক্সপোর্ট কম্পিটিটিভনেস ফর জবস (ইসিফোরজে) প্রকল্পের মাধ্যমে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।

টিপু মুনশি বলেন, দেশ ২০২০ সালকে মুজিববর্ষ হিসেবে পালন করছে। ২০২১ সালে আমরা পালন করবো মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অর্থনৈতিক, সামাজিকসহ সব ক্ষেত্রে আমরা দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছি। ২০১৮ সালের মার্চ মাসে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের তিন সূচকে বাংলাদেশ সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছে। প্রত্যাশা ২০৩০ সালে বৈশ্বিক উন্নয়ন এজেন্ডা এসডিজি বাস্তবায়নোলে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে।

‘দেশের সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় পণ্য ও বাজার বহুমুখীকরণের উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। আর এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে “এক্সপোর্ট কম্পিটিটিভনেস ফর জবস (ইসিফোরজে)’ প্রকল্প কাজ করে যাচ্ছে। অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত চারটি শিল্পখাতকে রপ্তানিতে সক্ষম করে তোলার জন্য এ কর্মসূচির আওতায় ৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করা হবে। ’

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এবং ইসিফোরজে প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. ওবায়দুল আজমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ভার্যু. য়ালি বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাণিজ্যসচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন লেদার অ্যান্ড লেদারগুডস, ফুটওয়্যার প্রস্তুত কারক ও রপ্তানি কারক সমিতির সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ প্লাস্টিক পণ্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ প্রকৌশল শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক এবং ওয়াল্ড ব্যাংক গ্রুপের বেসরকারিখাত বিশেষজ্ঞ মিসেস সোহনা ফেরদৌস সুমি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিউইয়র্কে বিশ্বনেতাদের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিলেন কাতারের আমীর

৪ শিল্পকে রপ্তানিসক্ষম করতে ৪ কোটি ডলার ব্যয় হবে

আপডেট সময় ০৫:৪৪:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত চারটি শিল্পখাতকে রপ্তানিতে সক্ষম করে তুলতে চার কোটি মার্কিন ডলার বা ৩৪০ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ‘এক্সপোর্ট কম্পিটিটিভনেস ফর জবস (ইসিফোরজে)’ প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে।এতে রপ্তানিকারকরা অনেক উপকৃত হবেন।

বুধবার (৯ ডিসেম্বর) ঢাকায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ‘এক্সপোর্ট কম্পিটিটিভনেস ফর জবস (ইসিফোরজে)’ প্রকল্পের আওতায় পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফ্যাসিলিটি ফর ইনফ্রাস্ট্রাকচার কন্সট্রেইন্টস (পিআইএফআইসি)” কর্মসূচি চালুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্যু(িয়ালি অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের রপ্তানি বাড়াতে সরকার রপ্তানিকারকদের বিভিন্ন সহায়তা দিচ্ছে। এখন রপ্তানি বাড়াতে তাদের এগিয়ে আসতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান ব্যবসাবান্ধব সরকার নানামুখী পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রতিযোগিতামূলক রপ্তানি বাণিজ্যে এগিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রয়েছে বাংলাদেশের। ফলে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাকের পাশাপাশি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত সম্ভাবনাময় চারটি শিল্পখাত রয়েছে। এগুলো হচ্ছে- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, জুতা, হালকা প্রকৌশল ও প্লাস্টিক পণ্য খাত। এগুলো বহুমুখীকরণের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় “এক্সপোর্ট কম্পিটিটিভনেস ফর জবস (ইসিফোরজে) প্রকল্পের মাধ্যমে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।

টিপু মুনশি বলেন, দেশ ২০২০ সালকে মুজিববর্ষ হিসেবে পালন করছে। ২০২১ সালে আমরা পালন করবো মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অর্থনৈতিক, সামাজিকসহ সব ক্ষেত্রে আমরা দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছি। ২০১৮ সালের মার্চ মাসে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের তিন সূচকে বাংলাদেশ সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছে। প্রত্যাশা ২০৩০ সালে বৈশ্বিক উন্নয়ন এজেন্ডা এসডিজি বাস্তবায়নোলে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে।

‘দেশের সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় পণ্য ও বাজার বহুমুখীকরণের উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। আর এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে “এক্সপোর্ট কম্পিটিটিভনেস ফর জবস (ইসিফোরজে)’ প্রকল্প কাজ করে যাচ্ছে। অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত চারটি শিল্পখাতকে রপ্তানিতে সক্ষম করে তোলার জন্য এ কর্মসূচির আওতায় ৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করা হবে। ’

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এবং ইসিফোরজে প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. ওবায়দুল আজমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ভার্যু. য়ালি বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাণিজ্যসচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন লেদার অ্যান্ড লেদারগুডস, ফুটওয়্যার প্রস্তুত কারক ও রপ্তানি কারক সমিতির সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ প্লাস্টিক পণ্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ প্রকৌশল শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক এবং ওয়াল্ড ব্যাংক গ্রুপের বেসরকারিখাত বিশেষজ্ঞ মিসেস সোহনা ফেরদৌস সুমি।