ঢাকা ০৪:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

অবশেষে জামিন পেলেন কারাগারে বিয়ে করা ফেনীর সেই যুবক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ফেনীতে কারাগারে বিয়ে করা ধর্ষণ মামলার আসামি জহিরুল ইসলাম জিয়াকে ১ বছরের জন্য জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (৩০ নভেম্বর) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন বাপ্পী। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফারুক আলমগীর চৌধুরী।

গত ১৯ নভেম্বর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফেনী জেলা কারাগারে দুই পক্ষের পরিবারের ২০ থেকে ৩০ সদস্যের উপস্থিতিতে ৬ লাখ টাকা দেনমোহরে ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী কাজী আবদুর রহিম জিয়া ও ধর্ষণের শিকার তরুণীর বিয়ে পড়ান।

জানা যায়, সোনাগাজী উপজেলার উত্তর চরদরবেশ গ্রামের স্থানীয় ইউপি সদস্য আবু সুফিয়ানের ছেলে জহিরুল ইসলাম জিয়ার সঙ্গে প্রতিবেশী এক মেয়ের গভীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে উভয়ের সম্মতিতে তাদের শারীরিক সম্পর্কও হয়।

এ ঘটনা এলাকায় জানাজানি হলে দুই পরিবার তাদের বিয়ে দেওয়ার আলাপের উদ্যোগ নিচ্ছিল। কিন্তু উদ্যোগ সফল না হলে গত ২৭মে মেয়ের পরিবার থানায় জিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করে। সে মামলায় পুলিশ জিয়াকে গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

সবশেষ জিয়া হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। গত ১ নভেম্বর বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চ আদেশ দেন, জিয়া ওই মেয়েকে বিয়ে করলে জামিনের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

আদালত আদেশে উল্লেখ করেন, উভয়পক্ষ সম্মত থাকলে ফেনী জেলা কারাগার কর্তৃপক্ষ আদেশ প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন করবে।

ফেনী জেলা কারাগারের জেল সুপার আনোয়ারুল করিম জানান, হাইকোর্টের নির্দেশনা পেয়ে দুই পরিবারের মধ্যে আলোচনাক্রমে তাদের বিয়ের তারিখ ধার্য করা হয়েছিল। সে মোতাবেক ১৯ নভেম্বর কনেসহ দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে বিয়ে পড়ানো হয়েছে।

এরপর রোববার বিয়ের বিষয়টি আদালতে উপস্থাপন করেন আসামি পক্ষের আইনজীবী। আদালত এ বিষয়ে আদেশের জন্য সোমবার দিন ধার্য করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

অবশেষে জামিন পেলেন কারাগারে বিয়ে করা ফেনীর সেই যুবক

আপডেট সময় ০১:০৯:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ফেনীতে কারাগারে বিয়ে করা ধর্ষণ মামলার আসামি জহিরুল ইসলাম জিয়াকে ১ বছরের জন্য জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (৩০ নভেম্বর) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন বাপ্পী। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফারুক আলমগীর চৌধুরী।

গত ১৯ নভেম্বর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফেনী জেলা কারাগারে দুই পক্ষের পরিবারের ২০ থেকে ৩০ সদস্যের উপস্থিতিতে ৬ লাখ টাকা দেনমোহরে ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী কাজী আবদুর রহিম জিয়া ও ধর্ষণের শিকার তরুণীর বিয়ে পড়ান।

জানা যায়, সোনাগাজী উপজেলার উত্তর চরদরবেশ গ্রামের স্থানীয় ইউপি সদস্য আবু সুফিয়ানের ছেলে জহিরুল ইসলাম জিয়ার সঙ্গে প্রতিবেশী এক মেয়ের গভীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে উভয়ের সম্মতিতে তাদের শারীরিক সম্পর্কও হয়।

এ ঘটনা এলাকায় জানাজানি হলে দুই পরিবার তাদের বিয়ে দেওয়ার আলাপের উদ্যোগ নিচ্ছিল। কিন্তু উদ্যোগ সফল না হলে গত ২৭মে মেয়ের পরিবার থানায় জিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করে। সে মামলায় পুলিশ জিয়াকে গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

সবশেষ জিয়া হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। গত ১ নভেম্বর বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চ আদেশ দেন, জিয়া ওই মেয়েকে বিয়ে করলে জামিনের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

আদালত আদেশে উল্লেখ করেন, উভয়পক্ষ সম্মত থাকলে ফেনী জেলা কারাগার কর্তৃপক্ষ আদেশ প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন করবে।

ফেনী জেলা কারাগারের জেল সুপার আনোয়ারুল করিম জানান, হাইকোর্টের নির্দেশনা পেয়ে দুই পরিবারের মধ্যে আলোচনাক্রমে তাদের বিয়ের তারিখ ধার্য করা হয়েছিল। সে মোতাবেক ১৯ নভেম্বর কনেসহ দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে বিয়ে পড়ানো হয়েছে।

এরপর রোববার বিয়ের বিষয়টি আদালতে উপস্থাপন করেন আসামি পক্ষের আইনজীবী। আদালত এ বিষয়ে আদেশের জন্য সোমবার দিন ধার্য করেন।