ঢাকা ০৯:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বুদ্ধ ফের আবির্ভূত হলে রোহিঙ্গাদের রক্ষা করতেন: দালাই লামা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের সংখ্যাগুরু বৌদ্ধ সম্প্রদায় ও সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে চলমান সংঘাত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিব্বতের ধর্মগুরু দালাই লামা। তিনিও ১৯৮৯ সালে তিব্বতের স্বাধীনতা সংগ্রামে অহিংস ভূমিকা পালন করার জন্য শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

ওয়াশিংটন ডিসিতে আমেরিকান পিস ইনস্টিটিউটে বক্তৃতাদানকালে তিনি বলেন, একজন নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে মায়ানমারের নেত্রী অং সান সূচীর নৈতিক দায়িত্ব হচ্ছে সংখ্যাগুরু বৌদ্ধ সম্প্রদায় ও সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে চলমান সংঘাত নিরসন করা। ২০১৬ সালে ক্ষমতায় আসার পরই সূচীর সঙ্গে বৈঠক করেন জানিয়ে দালাই লামা বলেন, আমি সূচীকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আরো খোলাখুলিভাবে আলোচনার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি। যদিও মানবাধিকার সংস্থা সমূহ রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সূচীর নীরবতার তীব্র নিন্দা করে আসছে।

দালাই লামা আরো বলেন, ‘মিয়ানমারের মুসলমানদের প্রতি কিছু বৌদ্ধ ভিক্ষুর ঘৃণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। যারা এ ধরণের চিন্তা ভাবনা ধারণ করেন, তাদেরকে তিনি বুদ্ধের চেহারা স্মরণ করতে বলেন।’ তিনি এও বলেছেন, ‘আজ যদি বুদ্ধ আবির্ভূত হতেন, তাহলে তিনি মিয়ানমারের অসহায় ওইসব মুসলিম ভাই-বোনদের রক্ষা করতেন।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বুদ্ধ ফের আবির্ভূত হলে রোহিঙ্গাদের রক্ষা করতেন: দালাই লামা

আপডেট সময় ০২:১৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের সংখ্যাগুরু বৌদ্ধ সম্প্রদায় ও সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে চলমান সংঘাত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিব্বতের ধর্মগুরু দালাই লামা। তিনিও ১৯৮৯ সালে তিব্বতের স্বাধীনতা সংগ্রামে অহিংস ভূমিকা পালন করার জন্য শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

ওয়াশিংটন ডিসিতে আমেরিকান পিস ইনস্টিটিউটে বক্তৃতাদানকালে তিনি বলেন, একজন নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে মায়ানমারের নেত্রী অং সান সূচীর নৈতিক দায়িত্ব হচ্ছে সংখ্যাগুরু বৌদ্ধ সম্প্রদায় ও সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে চলমান সংঘাত নিরসন করা। ২০১৬ সালে ক্ষমতায় আসার পরই সূচীর সঙ্গে বৈঠক করেন জানিয়ে দালাই লামা বলেন, আমি সূচীকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আরো খোলাখুলিভাবে আলোচনার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি। যদিও মানবাধিকার সংস্থা সমূহ রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সূচীর নীরবতার তীব্র নিন্দা করে আসছে।

দালাই লামা আরো বলেন, ‘মিয়ানমারের মুসলমানদের প্রতি কিছু বৌদ্ধ ভিক্ষুর ঘৃণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। যারা এ ধরণের চিন্তা ভাবনা ধারণ করেন, তাদেরকে তিনি বুদ্ধের চেহারা স্মরণ করতে বলেন।’ তিনি এও বলেছেন, ‘আজ যদি বুদ্ধ আবির্ভূত হতেন, তাহলে তিনি মিয়ানমারের অসহায় ওইসব মুসলিম ভাই-বোনদের রক্ষা করতেন।’