ঢাকা ০৫:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে ২৩ দেশে এমএলএআর পাঠিয়েছে সরকার:সংসদে অর্থমন্ত্রী ‘স্মার্ট কৃষি’ কার্যক্রম বাস্তবায়নে একগুচ্ছ মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়ালি আদালত পরিচালনায় বিচারকাজে সমস্যা হবে না : অ্যাটর্নি জেনারেল শিগগিরই ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেয়া হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী এক রাত পর শিশু সন্তানসহ কারামুক্ত হলেন সেই মহিলা লীগ নেত্রী চলতি বোরো মৌসুমের ১৮ লাখ মেট্রিক টন ধান-চাল কিনবে সরকার প্রাথমিক শিক্ষা ধাপে ধাপে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করা হবে: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বাংলাদেশকে জরিমানা করল আইসিসি হরমুজ ‘অবরুদ্ধ’ রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র, খুলতে চাইছে ইরান: ট্রাম্প আবার যুদ্ধ হলে ‘শত্রুর বাকি সম্পদ চূর্ণবিচূর্ণ’ করে দেব: আইআরজিসি

বুদ্ধ ফের আবির্ভূত হলে রোহিঙ্গাদের রক্ষা করতেন: দালাই লামা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের সংখ্যাগুরু বৌদ্ধ সম্প্রদায় ও সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে চলমান সংঘাত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিব্বতের ধর্মগুরু দালাই লামা। তিনিও ১৯৮৯ সালে তিব্বতের স্বাধীনতা সংগ্রামে অহিংস ভূমিকা পালন করার জন্য শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

ওয়াশিংটন ডিসিতে আমেরিকান পিস ইনস্টিটিউটে বক্তৃতাদানকালে তিনি বলেন, একজন নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে মায়ানমারের নেত্রী অং সান সূচীর নৈতিক দায়িত্ব হচ্ছে সংখ্যাগুরু বৌদ্ধ সম্প্রদায় ও সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে চলমান সংঘাত নিরসন করা। ২০১৬ সালে ক্ষমতায় আসার পরই সূচীর সঙ্গে বৈঠক করেন জানিয়ে দালাই লামা বলেন, আমি সূচীকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আরো খোলাখুলিভাবে আলোচনার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি। যদিও মানবাধিকার সংস্থা সমূহ রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সূচীর নীরবতার তীব্র নিন্দা করে আসছে।

দালাই লামা আরো বলেন, ‘মিয়ানমারের মুসলমানদের প্রতি কিছু বৌদ্ধ ভিক্ষুর ঘৃণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। যারা এ ধরণের চিন্তা ভাবনা ধারণ করেন, তাদেরকে তিনি বুদ্ধের চেহারা স্মরণ করতে বলেন।’ তিনি এও বলেছেন, ‘আজ যদি বুদ্ধ আবির্ভূত হতেন, তাহলে তিনি মিয়ানমারের অসহায় ওইসব মুসলিম ভাই-বোনদের রক্ষা করতেন।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে ২৩ দেশে এমএলএআর পাঠিয়েছে সরকার:সংসদে অর্থমন্ত্রী

বুদ্ধ ফের আবির্ভূত হলে রোহিঙ্গাদের রক্ষা করতেন: দালাই লামা

আপডেট সময় ০২:১৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের সংখ্যাগুরু বৌদ্ধ সম্প্রদায় ও সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে চলমান সংঘাত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিব্বতের ধর্মগুরু দালাই লামা। তিনিও ১৯৮৯ সালে তিব্বতের স্বাধীনতা সংগ্রামে অহিংস ভূমিকা পালন করার জন্য শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

ওয়াশিংটন ডিসিতে আমেরিকান পিস ইনস্টিটিউটে বক্তৃতাদানকালে তিনি বলেন, একজন নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে মায়ানমারের নেত্রী অং সান সূচীর নৈতিক দায়িত্ব হচ্ছে সংখ্যাগুরু বৌদ্ধ সম্প্রদায় ও সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে চলমান সংঘাত নিরসন করা। ২০১৬ সালে ক্ষমতায় আসার পরই সূচীর সঙ্গে বৈঠক করেন জানিয়ে দালাই লামা বলেন, আমি সূচীকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আরো খোলাখুলিভাবে আলোচনার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি। যদিও মানবাধিকার সংস্থা সমূহ রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সূচীর নীরবতার তীব্র নিন্দা করে আসছে।

দালাই লামা আরো বলেন, ‘মিয়ানমারের মুসলমানদের প্রতি কিছু বৌদ্ধ ভিক্ষুর ঘৃণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। যারা এ ধরণের চিন্তা ভাবনা ধারণ করেন, তাদেরকে তিনি বুদ্ধের চেহারা স্মরণ করতে বলেন।’ তিনি এও বলেছেন, ‘আজ যদি বুদ্ধ আবির্ভূত হতেন, তাহলে তিনি মিয়ানমারের অসহায় ওইসব মুসলিম ভাই-বোনদের রক্ষা করতেন।’