ঢাকা ০৩:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের মানুষ জেগে উঠেছে, নির্বাচন কেউ কেউ ঠেকাতে পারবে না: মির্জা ফখরুল চট্টগ্রাম বন্দরে অচলাবস্থা, চলছে কর্মবিরতি ইমরান খানকে ‘লন্ডন সোসাইটি লায়ন’ আখ্যা জাতিসংঘ কর্মকর্তার ব্যক্তিতান্ত্রিক শাসনের অবসানের জন্যই জুলাই সনদ: আলী রীয়াজ সংস্কারের মূল তারেক রহমান, ৩ বছর আগেই তিনি সংস্কারের কথা বলেছেন’:এম এ কাইয়ুম মুন্সীর প্রার্থিতা বাতিল ব্যাংক ডাকাত ও ঋণখেলাপিদের জন্য একটি বার্তা: হাসনাত ৫মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইরান প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই : ইসি সানাউল্লাহ আপিলও খারিজ, নির্বাচন করতে পারবেন না হাসনাতের প্রতিদ্বন্দ্বী মুন্সী সিইসি ও ইসি সচিবের কুশপুত্তলিকায় ডিম নিক্ষেপ

ফলের আগেই নিজেকে বিজয়ী ঘোষণা ট্রাম্পের

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। এরই মধ্যে বেশিরভাগ রাজ্যের প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এমন অবস্থায় মধ্যরাতে হোয়াইট হাউসে বক্তৃতা রাখতে গিয়ে খেই হারালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এসময় তিনি নিজেকে বিজয়ী ঘোষণা করেন। আবার একই সঙ্গে ভোটে কারচুপি হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন। শুধু তাই নয় ব্যাটলগ্রাউন্ডখ্যাত পাঁচ অঙ্গরাজ্যে এখনো ভোট গণনা চলছে। সেটি বন্ধ করতে তিনি সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ারও ঘোষণা দিয়েছেন। খবর বিবিসির

ভোট দেয়ার জন্য আমেরিকান জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়ে হোয়াইট হাউজের ইস্ট রুম থেকে মঙ্গলবার মধ্যরাতে বক্তৃতা শুরু করেন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজেকে বিজয়ী দাবি করে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা বিজয়ের জন্য প্রস্তুত ছিলাম, সত্যি কথা বলতে, আমরাই বিজয়ী হয়েছি।’

এরপর কোন রকম প্রমাণ উপস্থাপন না করেই তিনি দাবি করেন, নির্বাচনে কারচুপি করা হয়েছে। এটা আমেরিকান জনগণের সঙ্গে প্রতারণা দাবি করে তিনি জানান, নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে লড়াই করতে তিনি সুপ্রিম কোর্টে যাবেন।

ট্রাম্পের কথায়, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে যাবো। এখন আমরা সব ভোট গণনা কার্যক্রম বন্ধ চাই। এটা খুবই দুঃখজনক একটি মুহূর্ত।’

২০২০ সালের নির্বাচনে কয়েক কোটি মানুষ ভোট দিয়েছে, যা এখনো গণনা চলছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প বিজয়ের যে দাবি করেছেন তার কোন বিশ্বাসযোগ্যতা এখন পর্যন্ত নেই বলে জানিয়েছে বিবিসি।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বাইডেন পেয়েছেন ২৩৮ ইলেকটোরাল ভোট। অপরদিকে ট্রাম্প পেয়েছেন ২১৩ ইলেকটোরাল ভোট। জিততে হলে ২৭০ ভোট পাওয়া প্রয়োজন।

পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্য উইসকনসিন, মিশিগান, পেনসিলভেনিয়া, নর্থ ক্যারোলিনা ও জর্জিয়ার ফল আসতে দেরি হতে পারে। আর এই অঙ্গরাজ্যগুলোর ফলাফলই মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সর্বশেষ ভূমিকা রাখবে। যিনি এগুলোর মধ্যে বেশি রাজ্যে জয়ী হবেন তিনিই হবে আগামী চার বছরের হোয়াইট হাউস বস।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের মানুষ জেগে উঠেছে, নির্বাচন কেউ কেউ ঠেকাতে পারবে না: মির্জা ফখরুল

ফলের আগেই নিজেকে বিজয়ী ঘোষণা ট্রাম্পের

আপডেট সময় ০৪:২৪:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। এরই মধ্যে বেশিরভাগ রাজ্যের প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এমন অবস্থায় মধ্যরাতে হোয়াইট হাউসে বক্তৃতা রাখতে গিয়ে খেই হারালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এসময় তিনি নিজেকে বিজয়ী ঘোষণা করেন। আবার একই সঙ্গে ভোটে কারচুপি হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন। শুধু তাই নয় ব্যাটলগ্রাউন্ডখ্যাত পাঁচ অঙ্গরাজ্যে এখনো ভোট গণনা চলছে। সেটি বন্ধ করতে তিনি সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ারও ঘোষণা দিয়েছেন। খবর বিবিসির

ভোট দেয়ার জন্য আমেরিকান জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়ে হোয়াইট হাউজের ইস্ট রুম থেকে মঙ্গলবার মধ্যরাতে বক্তৃতা শুরু করেন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজেকে বিজয়ী দাবি করে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা বিজয়ের জন্য প্রস্তুত ছিলাম, সত্যি কথা বলতে, আমরাই বিজয়ী হয়েছি।’

এরপর কোন রকম প্রমাণ উপস্থাপন না করেই তিনি দাবি করেন, নির্বাচনে কারচুপি করা হয়েছে। এটা আমেরিকান জনগণের সঙ্গে প্রতারণা দাবি করে তিনি জানান, নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে লড়াই করতে তিনি সুপ্রিম কোর্টে যাবেন।

ট্রাম্পের কথায়, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে যাবো। এখন আমরা সব ভোট গণনা কার্যক্রম বন্ধ চাই। এটা খুবই দুঃখজনক একটি মুহূর্ত।’

২০২০ সালের নির্বাচনে কয়েক কোটি মানুষ ভোট দিয়েছে, যা এখনো গণনা চলছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প বিজয়ের যে দাবি করেছেন তার কোন বিশ্বাসযোগ্যতা এখন পর্যন্ত নেই বলে জানিয়েছে বিবিসি।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বাইডেন পেয়েছেন ২৩৮ ইলেকটোরাল ভোট। অপরদিকে ট্রাম্প পেয়েছেন ২১৩ ইলেকটোরাল ভোট। জিততে হলে ২৭০ ভোট পাওয়া প্রয়োজন।

পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্য উইসকনসিন, মিশিগান, পেনসিলভেনিয়া, নর্থ ক্যারোলিনা ও জর্জিয়ার ফল আসতে দেরি হতে পারে। আর এই অঙ্গরাজ্যগুলোর ফলাফলই মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সর্বশেষ ভূমিকা রাখবে। যিনি এগুলোর মধ্যে বেশি রাজ্যে জয়ী হবেন তিনিই হবে আগামী চার বছরের হোয়াইট হাউস বস।