ঢাকা ১২:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে স্মারক ডাক টিকেট উদ্বোধন জুলাই অভ্যুত্থানে কওমি শিক্ষার্থীদের ভূমিকার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দাবি চীনের করিডর প্রস্তাব সরকার ইতিবাচক হিসেবে নিয়েছে: উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির খন্দকার লুৎফরকে বহিষ্কার, জাগপার নতুন সভাপতি জাকির হোসেন রিয়াজ বর্তমান সরকারও ফ্যাসিবাদের পথে: জিএম কাদের মুখে বালিশ চেপে ধরে কিশোরীকে অচেতন, ধর্ষণের পর ফেলে যায় চৌবাচ্চায় এনসিপির মাসব্যাপী ‘জুলাই পদযাত্রা’ ৬ জুলাই শুরু অহংকার যে একটি দেশ ও দলকে ধ্বংস করতে পারে তার প্রমাণ শেখ হাসিনা গুলিস্তানে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে জামায়াত নেতা আহত ‘আমাকে দেখে কি বেকুব মনে হয়’, পিডিকে প্রশ্ন মন্ত্রিপরিষদ সচিবের

রায়হান হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বদল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে পুলিশের নির্যাতনে নিহত রায়হান আহমদ হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বদলি করা হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মুহিদুল ইসলাম করোনা আক্রান্ত হওয়ায় মামলার তদন্তের স্বার্থে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সিলেটের পরিদর্শক আওলাদ হোসেনকে নতুন তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

পিবিআই সিলেটের পুলিশ সুপার খালেকুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। খালেকুজ্জামান বলেন, রায়হান হত্যা মামলায় আগের তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মুহিদুল ইসলাম করোনা আক্রান্ত হওয়ায় মামলার তদন্তের স্বার্থে আওলাদ হোসেনকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মুহিদুল ইসলাম সুস্থ হওয়ার পর পুনরায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

গত ২ নভেম্বর মামলা তদন্তকারী সংস্থা পিবিআইয়ের আট কর্মকর্তার করোনাভাইরাসে আক্রান্তের খবর পাওয়া যায়। সেদিন সিলেট পিবিআই পুলিশ সুপার খালেকুজ্জামান জানিয়েছিলেন, করোনা আক্রান্তরা রায়হান হত্যা মামলা তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। এ মামলাটি তদন্ত করার জন্য পিবিআই যে দলটি গঠন করেছে এতে আক্রান্তরা রয়েছেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়ে তাদের চিকিৎসা চলছে। করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতালে ৩ জন পুলিশ পরিদর্শক ও হোম কোয়ারেন্টাইনে আরও ২ জন রয়েছেন। পুলিশের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, করোনা আক্রান্ত হলেও মামলা তদন্তে কোনো বিঘ্ন ঘটবে না।

গত ১১ অক্টোবর রাত তিনটার দিকে রায়হানকে সিলেট কোতোয়ালি থানার বন্দরবাজার ফাঁড়িতে তুলে নিয়ে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। নির্যাতনে রায়হান মারা যান। এ ঘটনায় তার স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি পরদিন হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে মামলা করেন।

আলোচিত এ হত্যা মামলায় সাময়িক বরখাস্ত হওয়া এসআই আকবর পলাতক থাকলেও কারাগারে রয়েছে কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাস ও কনস্টেবল হারুনুর রশীদ। রিমান্ডে রয়েছেন এএসআই আশেক ই এলাহী। এছাড়া নিহত রায়হানকে ছিনতাকারী হিসেবে অভিযোগকারী শেখ সাইদুর রহমান। এছাড়াও পিবিআই কাছে রিমান্ডে রয়েছেন এএসআই আশেক এলাহি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে স্মারক ডাক টিকেট উদ্বোধন

রায়হান হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বদল

আপডেট সময় ১২:২৯:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে পুলিশের নির্যাতনে নিহত রায়হান আহমদ হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বদলি করা হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মুহিদুল ইসলাম করোনা আক্রান্ত হওয়ায় মামলার তদন্তের স্বার্থে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সিলেটের পরিদর্শক আওলাদ হোসেনকে নতুন তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

পিবিআই সিলেটের পুলিশ সুপার খালেকুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। খালেকুজ্জামান বলেন, রায়হান হত্যা মামলায় আগের তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মুহিদুল ইসলাম করোনা আক্রান্ত হওয়ায় মামলার তদন্তের স্বার্থে আওলাদ হোসেনকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মুহিদুল ইসলাম সুস্থ হওয়ার পর পুনরায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

গত ২ নভেম্বর মামলা তদন্তকারী সংস্থা পিবিআইয়ের আট কর্মকর্তার করোনাভাইরাসে আক্রান্তের খবর পাওয়া যায়। সেদিন সিলেট পিবিআই পুলিশ সুপার খালেকুজ্জামান জানিয়েছিলেন, করোনা আক্রান্তরা রায়হান হত্যা মামলা তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। এ মামলাটি তদন্ত করার জন্য পিবিআই যে দলটি গঠন করেছে এতে আক্রান্তরা রয়েছেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়ে তাদের চিকিৎসা চলছে। করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতালে ৩ জন পুলিশ পরিদর্শক ও হোম কোয়ারেন্টাইনে আরও ২ জন রয়েছেন। পুলিশের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, করোনা আক্রান্ত হলেও মামলা তদন্তে কোনো বিঘ্ন ঘটবে না।

গত ১১ অক্টোবর রাত তিনটার দিকে রায়হানকে সিলেট কোতোয়ালি থানার বন্দরবাজার ফাঁড়িতে তুলে নিয়ে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। নির্যাতনে রায়হান মারা যান। এ ঘটনায় তার স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি পরদিন হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে মামলা করেন।

আলোচিত এ হত্যা মামলায় সাময়িক বরখাস্ত হওয়া এসআই আকবর পলাতক থাকলেও কারাগারে রয়েছে কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাস ও কনস্টেবল হারুনুর রশীদ। রিমান্ডে রয়েছেন এএসআই আশেক ই এলাহী। এছাড়া নিহত রায়হানকে ছিনতাকারী হিসেবে অভিযোগকারী শেখ সাইদুর রহমান। এছাড়াও পিবিআই কাছে রিমান্ডে রয়েছেন এএসআই আশেক এলাহি।