ঢাকা ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ নির্বাচন ব্যবস্থায় কোনো নিরপেক্ষতা দেখছি না: জি এম কাদের সংবিধানের দুর্বলতা দূর করতেই গণভোট: আলী রীয়াজ নির্বাচনে ‘অনিয়ম’ হলেই কেবল জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন: আসিফ নজরুল ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর বিশ্বকাপে বাংলাদেশে বাদকে দিয়ে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা আমার কোনো প্রতিশ্রুতি নেই, যা প্রয়োজন তাই করব: মির্জা আব্বাস নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ না থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না : সুজন

অনলাইনে ভূমি কর দেয়ার কার্যক্রম শুরু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

হাতের মুঠোয় ভূমিসেবা- এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধের জন্য একটি সফটওয়্যারের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করেছে মন্ত্রণালয়।

বুধবার সচিবালয়ে এই ‘ডিজিটাল ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যারে’র পরীক্ষামূলক (১ম পর্যায়) কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী।

প্রথম পর্যায়ে আট জেলার নয়টি উপজেলার নয়টি পৌর/ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ১৯টি মৌজার মানুষ এই প্রক্রিয়ায় অনলাইনে ভূমি কর পরিশোধের সুযোগ পাবেন।

গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া উপজেলার পাটগাতি ইউনিয়ন ভূমি অফিস, ঢাকার সাভার উপজেলার বাগধনিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস, মানিকগঞ্জ সদরের মানিকগঞ্জ পৌর ভূমি অফিস, চট্টগ্রামের আনোয়ারার খাসখামা ইউনিয়ন ভূমি অফিস এবং কিশোরগঞ্জ সদরের কিশোরগঞ্জ পৌর ভূমি অফিস এই পরীক্ষামূলক সফটওয়্যারের আওতায় থাকছে।

এছাড়া নারায়ণগঞ্জ সদরের নারায়ণগঞ্জ সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিস, জামালপুর সদরের জামালপুর পৌর ভূমি অফিস, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের ফরিদগঞ্জ পৌর ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস (শুধুমাত্র পৌর অংশে পাইলটিং হবে) এবং চাঁদপুরের মতলবের মতলব পৌর ভূমি অফিসেও পরীক্ষামূলক এ কার্যক্রম চলবে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ভূমি সংস্কার বোর্ড এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, দেশে তিন কোটি ৬০ লাখ মানুষ এসব ভূমি অফিস থেকে সেবা নেন। আর ৫১১টি উপজেলা ভূমি অফিসের অধীন তিন হাজার ৪৬২টি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের মাধ্যমে প্রায় পাঁচ কোটি হোল্ডিং থেকে ভূমি উন্নয়ন কর বাবদ প্রায় ৬০৬ কোটি টাকা আদায় করা হয়।

করের অর্থ পরিশোধে সশরীরে ভূমি অফিসে যেতে হয় বলে সময়ের পাশাপাশি ও খরচও বাড়ে। আবার কর দিতে গিয়ে হয়রানি ও বিড়ম্বনার অভিযোগও বিভিন্ন সময়ে এসেছে।

নতুন সফটওয়্যারের উদ্বোধন করে ভূমিমন্ত্রী বলেন, এখন যে কোনো সময়, যে কোনো জায়গা থেকে ভূমি উন্নয়ন কর সংক্রান্ত তথ্য দেখার পাশাপাশি তা পরিশোধ করা যাবে। ফলে সময় ও যাতায়ত খরচ বাঁচবে।

এছাড়া ভূমি উন্নয়ন কর আদায় ও ব্যবস্থাপনা সহজ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাও নিশ্চিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ

অনলাইনে ভূমি কর দেয়ার কার্যক্রম শুরু

আপডেট সময় ০৭:৩০:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

হাতের মুঠোয় ভূমিসেবা- এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধের জন্য একটি সফটওয়্যারের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করেছে মন্ত্রণালয়।

বুধবার সচিবালয়ে এই ‘ডিজিটাল ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যারে’র পরীক্ষামূলক (১ম পর্যায়) কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী।

প্রথম পর্যায়ে আট জেলার নয়টি উপজেলার নয়টি পৌর/ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ১৯টি মৌজার মানুষ এই প্রক্রিয়ায় অনলাইনে ভূমি কর পরিশোধের সুযোগ পাবেন।

গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া উপজেলার পাটগাতি ইউনিয়ন ভূমি অফিস, ঢাকার সাভার উপজেলার বাগধনিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস, মানিকগঞ্জ সদরের মানিকগঞ্জ পৌর ভূমি অফিস, চট্টগ্রামের আনোয়ারার খাসখামা ইউনিয়ন ভূমি অফিস এবং কিশোরগঞ্জ সদরের কিশোরগঞ্জ পৌর ভূমি অফিস এই পরীক্ষামূলক সফটওয়্যারের আওতায় থাকছে।

এছাড়া নারায়ণগঞ্জ সদরের নারায়ণগঞ্জ সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিস, জামালপুর সদরের জামালপুর পৌর ভূমি অফিস, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের ফরিদগঞ্জ পৌর ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস (শুধুমাত্র পৌর অংশে পাইলটিং হবে) এবং চাঁদপুরের মতলবের মতলব পৌর ভূমি অফিসেও পরীক্ষামূলক এ কার্যক্রম চলবে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ভূমি সংস্কার বোর্ড এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, দেশে তিন কোটি ৬০ লাখ মানুষ এসব ভূমি অফিস থেকে সেবা নেন। আর ৫১১টি উপজেলা ভূমি অফিসের অধীন তিন হাজার ৪৬২টি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের মাধ্যমে প্রায় পাঁচ কোটি হোল্ডিং থেকে ভূমি উন্নয়ন কর বাবদ প্রায় ৬০৬ কোটি টাকা আদায় করা হয়।

করের অর্থ পরিশোধে সশরীরে ভূমি অফিসে যেতে হয় বলে সময়ের পাশাপাশি ও খরচও বাড়ে। আবার কর দিতে গিয়ে হয়রানি ও বিড়ম্বনার অভিযোগও বিভিন্ন সময়ে এসেছে।

নতুন সফটওয়্যারের উদ্বোধন করে ভূমিমন্ত্রী বলেন, এখন যে কোনো সময়, যে কোনো জায়গা থেকে ভূমি উন্নয়ন কর সংক্রান্ত তথ্য দেখার পাশাপাশি তা পরিশোধ করা যাবে। ফলে সময় ও যাতায়ত খরচ বাঁচবে।

এছাড়া ভূমি উন্নয়ন কর আদায় ও ব্যবস্থাপনা সহজ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাও নিশ্চিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।