ঢাকা ০৭:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মিরসরাইয়ে সামরিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন করবে সরকার : বিডা চেয়ারম্যান একটি দল ভাবছে দেশটা তাদের হয়ে গেছে : মির্জা আব্বাস সব হাসপাতালকে জরুরি নির্দেশনা শিক্ষিত, ভদ্র ও নীতিবান মানুষদের নেতৃত্বে নিয়ে আসুন: মামুনুল হক যুক্তরাষ্ট্রে ৮ যাত্রী নিয়ে বোম্বার্ডিয়ার জেট বিধ্বস্ত শেখ হাসিনা পালিয়ে আমাদের বিপদে ফেলে গেছেন,তিনি থাকলে অন্তত একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চলত: মির্জা ফখরুল দুই হত্যা মামলায় হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা আগামী নির্বাচন হবে মানুষের জীবন ও ভাগ্য বদলে দেওয়ার নির্বাচন : সালাহউদ্দিন ডাকসু থেকে পদত্যাগের ঘোষণা সর্বমিত্র চাকমার চানখারপুলে ৬ হত্যা মামলার রায়ে অসন্তুষ্ট রাষ্ট্রপক্ষ, করা হবে আপিল

‘বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অর্থনৈতিক উত্তরণের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন’

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘বিশ্বব্যাংক একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান। তারা যখন কোনো দেশ সম্পর্কে বা কোনো বিষয় নিয়ে তথ্য উপস্থাপন করে, সঙ্গত কারণেই এটি সবাইকে প্রভাবিত করতে পারে।

তবে গতকাল বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি হার (জিডিপি) নিয়ে বিশ্বব্যাংক যে পূর্বাভাস দিয়েছে, তা বাংলাদেশের অর্থনীতির বর্তমান উত্তরণের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন। ’

শুক্রবার (০৯ অক্টোবর) অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়। এতে অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল বলেন, আমাদের জিডিপি সম্পর্কে এবার যে নম্বরগুলো বলেছে, তারা সেগুলো করোনার প্রভাবে অর্থনীতির স্বাভাবিক গতি শ্লথ হওয়ার শুরু থেকেই বলে আসছে এবং সেই একই জায়গাতেই তারা এখনও আছে। আমাদের অর্থবছরের তিন মাস পার হয়ে গেছে, এখনও নয় মাস সময় রয়েছে।

তিনি বলেন, করোনার প্রভাবে যে শ্লথ গতি অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছিল সেটি অনেকটা স্বাভাবিক। স্বাস্থ্য ও মহামারি পরিচালন ব্যবস্থার ওপর উল্লেখযোগ্য চাপ সত্ত্বেও সরকারের উপযুক্ত অর্থনৈতিক প্রণোদনা ও সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা অর্থনীতিকে সুসংহত করেছে, দরিদ্র ও দুর্বলদের জন্য মৌলিক সেবা ও পণ্যাদি নিশ্চিত করেছে। অভ্যন্তরীণ বেসরকারি ও সরকারি ব্যয়, বিনিয়োগ, রপ্তানি এবং রেমিট্যান্সসহ অর্থনীতির প্রায় সব খাত বেশ সক্ষম অবস্থানে রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (০৮ অক্টোবর) প্রকাশিত বিশ্ব ব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া ইকনোমিক ফোকাস ফল-২০২০ রিপোর্টের প্রতিক্রিয়ায় অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল এ কথা বলেন।

ওই রিপোর্টে বাংলাদেশের জিডিপিতে চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ১.৬ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৩.৪ শতাংশ। করোনা মহামারির প্রভাবে দক্ষিণ এশিয়া নজিরবিহীন অর্থনৈতিক মন্দা পরিস্থিতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলেও উল্লেখ করা হয় ওই রিপোর্টে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অর্থনৈতিক উত্তরণের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন’

আপডেট সময় ০৯:০৬:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘বিশ্বব্যাংক একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান। তারা যখন কোনো দেশ সম্পর্কে বা কোনো বিষয় নিয়ে তথ্য উপস্থাপন করে, সঙ্গত কারণেই এটি সবাইকে প্রভাবিত করতে পারে।

তবে গতকাল বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি হার (জিডিপি) নিয়ে বিশ্বব্যাংক যে পূর্বাভাস দিয়েছে, তা বাংলাদেশের অর্থনীতির বর্তমান উত্তরণের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন। ’

শুক্রবার (০৯ অক্টোবর) অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়। এতে অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল বলেন, আমাদের জিডিপি সম্পর্কে এবার যে নম্বরগুলো বলেছে, তারা সেগুলো করোনার প্রভাবে অর্থনীতির স্বাভাবিক গতি শ্লথ হওয়ার শুরু থেকেই বলে আসছে এবং সেই একই জায়গাতেই তারা এখনও আছে। আমাদের অর্থবছরের তিন মাস পার হয়ে গেছে, এখনও নয় মাস সময় রয়েছে।

তিনি বলেন, করোনার প্রভাবে যে শ্লথ গতি অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছিল সেটি অনেকটা স্বাভাবিক। স্বাস্থ্য ও মহামারি পরিচালন ব্যবস্থার ওপর উল্লেখযোগ্য চাপ সত্ত্বেও সরকারের উপযুক্ত অর্থনৈতিক প্রণোদনা ও সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা অর্থনীতিকে সুসংহত করেছে, দরিদ্র ও দুর্বলদের জন্য মৌলিক সেবা ও পণ্যাদি নিশ্চিত করেছে। অভ্যন্তরীণ বেসরকারি ও সরকারি ব্যয়, বিনিয়োগ, রপ্তানি এবং রেমিট্যান্সসহ অর্থনীতির প্রায় সব খাত বেশ সক্ষম অবস্থানে রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (০৮ অক্টোবর) প্রকাশিত বিশ্ব ব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া ইকনোমিক ফোকাস ফল-২০২০ রিপোর্টের প্রতিক্রিয়ায় অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল এ কথা বলেন।

ওই রিপোর্টে বাংলাদেশের জিডিপিতে চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ১.৬ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৩.৪ শতাংশ। করোনা মহামারির প্রভাবে দক্ষিণ এশিয়া নজিরবিহীন অর্থনৈতিক মন্দা পরিস্থিতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলেও উল্লেখ করা হয় ওই রিপোর্টে।