ঢাকা ১২:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াতের সঙ্গে বৈঠকে সিইসি বিএনপি-এনসিপির পালটাপালটি কর্মসূচি, হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি এমপি​ হিসেবে সরোয়ার আলমগীরের দায়িত্ব পালনে বাধা নেই:আপিল বিভাগ রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১ মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী সারের ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী ছাত্রলীগের প্রতি মায়াকান্না দেখানো সাংবাদিকদের জড়ো করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ পক্ষপাতদুষ্ট নিয়োগ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে: গোলাম পরওয়ার বাংলাদেশকে ‘কম দামে’ ইউরিয়া সার দিতে চায় রাশিয়া

শুক্রে প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

আমাদের চেনা পৃথিবী ছাড়া অন্য গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে কি না তা নিয়ে বিজ্ঞানীদের আগ্রহের কমতি নেই! সম্প্রতি শুক্রগ্রহ এ বিষয়ে আশা জাগিয়েছিল। শুক্রের মেঘে ফসফিন যৌগের সন্ধান পেয়ে তা প্রাণধারণের উপযোগী বলে মনে করছিলেন গবেষকরা। সেই গবেষণায় জোর দিয়ে আরও কিছু নতুন তথ্য হাতে এল।

বিজ্ঞানীদের দাবি, শুক্রগ্রহে তারা খুঁজে পেয়েছেন প্রাণের অনুকূল পরিবেশ। তাদের সেই গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয় ‘নেচার অ্যাস্ট্রোনমি’ গবেষণাপত্রে। এবার মিলল নাসার এক পুরনো এক নথি। সেই নথি থেকে আরও জোরালো হল শুক্রে প্রাণের অস্তিত্বের সম্ভাবনা।

ক্যালিফোর্নিয়ার এক জীববিজ্ঞানী রাকেশ মোগুলের দাবি, মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার পুরনো নথি ঘেঁটে তিনি ও তার সহকারীরা জানতে পেরেছেন ১৯৭৮ সালেই শুক্রে ফসফিন গ্যাসের অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিল নাসা।

প্রসঙ্গত, ফসফরাস ও হাইড্রোজেন মিশে এই রাসায়নিক যৌগ তৈরি হয়। পৃথিবীতে কিছু ব্যাকটেরিয়া প্রাকৃতিক ভাবেই ফসফরাস ও হাইড্রোজেনের মিলন ঘটিয়ে এই গ্যাস তৈরি করে।

শুক্র-পৃষ্ঠের ৫০ কিলোমিটার উপরে জমাট মেঘের মধ্যে এই বিষাক্ত গ্যাসের উপস্থিতি এই গ্রহে প্রাণ থাকার সম্ভাবনাকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে প্রাণ থাকলেও তারা অণুজীব বলেই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। সৌরজগতের মধ্যে প্রাণের সন্ধান বহুদিন ধরেই করা হচ্ছে। কখনও মঙ্গল, কখনও বা শনি, বৃহস্পতির কোনও কোনও উপগ্রহকে ঘিরে আশা জেগেছে। কিন্তু উষ্ণ ও বিষাক্ত গ্রহ শুক্রে প্রাণের অস্তিত্ব থাকা সম্ভবই নয় বলে ধারণা ছিল। এবার সেই গ্রহ ঘিরেই জীবনের অস্তিত্বের সম্ভাবনা জেগে উঠল।

যদিও গবেষকরা জানাচ্ছেন, শুক্রে প্রাণের ব্যাপারে এখনই কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন দীর্ঘ সময় ধরে রাসায়নিক ও ভূতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করা হবে। তবে শুধু ফসফিনই শুক্রে প্রাণ ধারণের অনুকূল পরিবেশের পক্ষে যথেষ্ট উপযোগী কি না, তার কিনারা করতে এখনও বিস্তর গবেষণা প্রয়োজন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াতের সঙ্গে বৈঠকে সিইসি

শুক্রে প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

আপডেট সময় ০৯:২৪:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

আমাদের চেনা পৃথিবী ছাড়া অন্য গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে কি না তা নিয়ে বিজ্ঞানীদের আগ্রহের কমতি নেই! সম্প্রতি শুক্রগ্রহ এ বিষয়ে আশা জাগিয়েছিল। শুক্রের মেঘে ফসফিন যৌগের সন্ধান পেয়ে তা প্রাণধারণের উপযোগী বলে মনে করছিলেন গবেষকরা। সেই গবেষণায় জোর দিয়ে আরও কিছু নতুন তথ্য হাতে এল।

বিজ্ঞানীদের দাবি, শুক্রগ্রহে তারা খুঁজে পেয়েছেন প্রাণের অনুকূল পরিবেশ। তাদের সেই গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয় ‘নেচার অ্যাস্ট্রোনমি’ গবেষণাপত্রে। এবার মিলল নাসার এক পুরনো এক নথি। সেই নথি থেকে আরও জোরালো হল শুক্রে প্রাণের অস্তিত্বের সম্ভাবনা।

ক্যালিফোর্নিয়ার এক জীববিজ্ঞানী রাকেশ মোগুলের দাবি, মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার পুরনো নথি ঘেঁটে তিনি ও তার সহকারীরা জানতে পেরেছেন ১৯৭৮ সালেই শুক্রে ফসফিন গ্যাসের অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিল নাসা।

প্রসঙ্গত, ফসফরাস ও হাইড্রোজেন মিশে এই রাসায়নিক যৌগ তৈরি হয়। পৃথিবীতে কিছু ব্যাকটেরিয়া প্রাকৃতিক ভাবেই ফসফরাস ও হাইড্রোজেনের মিলন ঘটিয়ে এই গ্যাস তৈরি করে।

শুক্র-পৃষ্ঠের ৫০ কিলোমিটার উপরে জমাট মেঘের মধ্যে এই বিষাক্ত গ্যাসের উপস্থিতি এই গ্রহে প্রাণ থাকার সম্ভাবনাকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে প্রাণ থাকলেও তারা অণুজীব বলেই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। সৌরজগতের মধ্যে প্রাণের সন্ধান বহুদিন ধরেই করা হচ্ছে। কখনও মঙ্গল, কখনও বা শনি, বৃহস্পতির কোনও কোনও উপগ্রহকে ঘিরে আশা জেগেছে। কিন্তু উষ্ণ ও বিষাক্ত গ্রহ শুক্রে প্রাণের অস্তিত্ব থাকা সম্ভবই নয় বলে ধারণা ছিল। এবার সেই গ্রহ ঘিরেই জীবনের অস্তিত্বের সম্ভাবনা জেগে উঠল।

যদিও গবেষকরা জানাচ্ছেন, শুক্রে প্রাণের ব্যাপারে এখনই কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন দীর্ঘ সময় ধরে রাসায়নিক ও ভূতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করা হবে। তবে শুধু ফসফিনই শুক্রে প্রাণ ধারণের অনুকূল পরিবেশের পক্ষে যথেষ্ট উপযোগী কি না, তার কিনারা করতে এখনও বিস্তর গবেষণা প্রয়োজন।