ঢাকা ১২:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কাশ্মীরে রেকর্ড মূল্যে কেনা হল পবিত্র কোরআনের পাণ্ডুলিপি

আকাশ নিউজ ডেস্ক:   

এবার রেকর্ড মূল্যে বিক্রি হয়েছে পবিত্র কোরআন শরীফের একটি পাণ্ডুলিপি।

কাশ্মীরি শিল্পীর হাতে লেখা কোরআন শরীফের এ পাণ্ডুলিপিটি এক লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ ব্রিটিশ পাউন্ডের বিনিময়ে বিক্রি হয়েছে।

এ পর্যন্ত বিক্রি হওয়া কোরআন শরীফের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মূল্যে এটি বিক্রি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা বলছেন।

ডেইলি জংয়ের খবরে বলা হয়েছে, ভারতীয় রুপিতে এর মূল্য এক কোটি উনত্রিশ লাখ এবং পাকিস্তানি টাকায় ২ কোটিরও বেশি।

এটি বিক্রির আগে ওয়েবসাইটে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে পাণ্ডুলিপির বিশেষত্ব বর্ণনায় তারা বলে- ১৯ শতকে লিখিত কোরআন শরীফের মধ্যে অত্যন্ত আকর্ষণীয় হস্তলিপিতে লিখিত পাণ্ডুলিপিগুলোর অন্যতম এটি।

প্রায় দুই শতাব্দী সময় পার হয়ে গেলেও কোরআনের এ পাণ্ডুলিপিটি আজও আগের মতোই আছে।

জানা যায়, ১৯ শতকে কাশ্মীরে লেখা পবিত্র কোরআন শরীফের এই পাণ্ডুলিপিটি দৃষ্টিনন্দন হস্তলিপি ও বৈচিত্র্যময় ক্যালিওগ্রাফির কারণে সমগ্র বিশ্বে এটি দুষ্প্রাপ্য।

এই কপির মূল শিল্পী মুহাম্মদ হাসান। প্রতিটি পৃষ্ঠায় চারপাশের মার্জিনে কোরআনের ব্যাখ্যা ও ক্যালিওগ্রাফি করেছেন মুহাম্মদ ইসমাইল।

১৮৩১ সালে লিখিত এই পাণ্ডুলিপিতে মোট পৃষ্ঠা সংখ্যা ৫৪৪। শিল্পকর্মে নীল এবং লাল কালি ব্যবহার করা হয়েছে।

ভারতের শীর্ষ সাংস্কৃতিক ও গবেষণা সংস্থা কাশ্মীর ন্যাশনাল ট্রাস্ট ফর আর্ট অ্যান্ড কালচারাল হেরিটেজের একজন কর্মকর্তা মুহাম্মদ সালিম বলেছেন, কোরআনের ঐতিহাসিক এ পাণ্ডুলিপিটি কাশ্মীরের ক্যালিওগ্রাফারদের নিপুন শিল্পের প্রমাণ বহন করে।

ডেইলি জং উর্দূ অবলম্বনে- তোফায়েল গাজালি

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাশ্মীরে রেকর্ড মূল্যে কেনা হল পবিত্র কোরআনের পাণ্ডুলিপি

আপডেট সময় ১০:৪৩:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক:   

এবার রেকর্ড মূল্যে বিক্রি হয়েছে পবিত্র কোরআন শরীফের একটি পাণ্ডুলিপি।

কাশ্মীরি শিল্পীর হাতে লেখা কোরআন শরীফের এ পাণ্ডুলিপিটি এক লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ ব্রিটিশ পাউন্ডের বিনিময়ে বিক্রি হয়েছে।

এ পর্যন্ত বিক্রি হওয়া কোরআন শরীফের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মূল্যে এটি বিক্রি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা বলছেন।

ডেইলি জংয়ের খবরে বলা হয়েছে, ভারতীয় রুপিতে এর মূল্য এক কোটি উনত্রিশ লাখ এবং পাকিস্তানি টাকায় ২ কোটিরও বেশি।

এটি বিক্রির আগে ওয়েবসাইটে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে পাণ্ডুলিপির বিশেষত্ব বর্ণনায় তারা বলে- ১৯ শতকে লিখিত কোরআন শরীফের মধ্যে অত্যন্ত আকর্ষণীয় হস্তলিপিতে লিখিত পাণ্ডুলিপিগুলোর অন্যতম এটি।

প্রায় দুই শতাব্দী সময় পার হয়ে গেলেও কোরআনের এ পাণ্ডুলিপিটি আজও আগের মতোই আছে।

জানা যায়, ১৯ শতকে কাশ্মীরে লেখা পবিত্র কোরআন শরীফের এই পাণ্ডুলিপিটি দৃষ্টিনন্দন হস্তলিপি ও বৈচিত্র্যময় ক্যালিওগ্রাফির কারণে সমগ্র বিশ্বে এটি দুষ্প্রাপ্য।

এই কপির মূল শিল্পী মুহাম্মদ হাসান। প্রতিটি পৃষ্ঠায় চারপাশের মার্জিনে কোরআনের ব্যাখ্যা ও ক্যালিওগ্রাফি করেছেন মুহাম্মদ ইসমাইল।

১৮৩১ সালে লিখিত এই পাণ্ডুলিপিতে মোট পৃষ্ঠা সংখ্যা ৫৪৪। শিল্পকর্মে নীল এবং লাল কালি ব্যবহার করা হয়েছে।

ভারতের শীর্ষ সাংস্কৃতিক ও গবেষণা সংস্থা কাশ্মীর ন্যাশনাল ট্রাস্ট ফর আর্ট অ্যান্ড কালচারাল হেরিটেজের একজন কর্মকর্তা মুহাম্মদ সালিম বলেছেন, কোরআনের ঐতিহাসিক এ পাণ্ডুলিপিটি কাশ্মীরের ক্যালিওগ্রাফারদের নিপুন শিল্পের প্রমাণ বহন করে।

ডেইলি জং উর্দূ অবলম্বনে- তোফায়েল গাজালি