ঢাকা ০৪:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ নির্বাচন ব্যবস্থায় কোনো নিরপেক্ষতা দেখছি না: জি এম কাদের সংবিধানের দুর্বলতা দূর করতেই গণভোট: আলী রীয়াজ নির্বাচনে ‘অনিয়ম’ হলেই কেবল জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন: আসিফ নজরুল ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর বিশ্বকাপে বাংলাদেশে বাদকে দিয়ে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা আমার কোনো প্রতিশ্রুতি নেই, যা প্রয়োজন তাই করব: মির্জা আব্বাস নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ না থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না : সুজন

দেশ ছয় লাখ টন পেঁয়াজ মজুদ আছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

আগামী এক মাসের চাহিদা অনুযায়ী দেশে প্রায় ছয় লাখ টন পেঁয়াজ মজুদ আছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনসী। আর এক মাস সময় পেলেই বিকল্প বাজার থেকে প্রয়োজনীয় পেঁয়াজ এনে পরবর্তী চাহিদা মেটানো সম্ভব বলে জানান তিনি।

বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।

পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই ভারত গত মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) হঠাৎ করে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। এরপর ২৪ ঘণ্টা পার না হতেই দেশের বাজারে পেঁয়াজের কেজি ১০০ টাকা ছুঁয়ে ফেলে।

অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্য বৃদ্ধি ও মজুদে ঘাটতির কারণে গত বছর এই সেপ্টেম্বরেই প্রথমে পেঁয়াজের রপ্তানি মূল্য বৃদ্ধি এবং পরে রপ্তানি বন্ধ করেছিল ভারত। এরপর বাংলাদেশের বাজারে হু হু করে বাড়তে থাকে পেঁয়াজের দাম, ৫০-৬০ টাকা কেজি দামের পেঁয়াজ বিক্রি হয় ২৫০-৩০০ টাকায়।

পরে মিয়ানমার, পাকিস্তান, চীন, মিশর, তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশ থেকে নানা রঙের ও স্বাদের পেঁয়াজ আমদানি করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে সরকার। নতুন পেঁয়াজ ওঠার পর গত মার্চে পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় ভারত।

এখন আবার পেঁয়াজ রপ্তানি না করার ঘোষণা দেয় ভারত। নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার কারণ সম্পর্কে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, “দাম বেড়ে গেছে এবং অভ্যন্তরীণ বাজারেও ঘাটতি রয়েছে। মওসুমের কারণে এই ঘাটতি দেখা দিলেও কোভিড-১৯ মহামারির মধ্যেই গত কয়েক মাসে বিপুল রপ্তানি হয়েছে।’ ভারত সরকারের পেঁয়াজ রপ্তানি নিষিদ্ধের ঘোষণার পর স্থলবন্দরগুলো দিয়ে পেঁয়াজ আসা বন্ধ হয়ে গেছে।

দাম আরও বাড়তে পারে- এমন আশঙ্কায় ঢাকার বাজারে ক্রেতারা হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন পেঁয়াজ কিনতে। অনেকে বেশি বেশি করে কিনেছেন। এ সুযোগ নেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বিক্রিও বহুগুণ বেড়েছে।

তবে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে, দেশে আগামী এক মাসের পেঁয়াজ মজুদ আছে। আর এ সময়ের মধ্যেই বিকল্প বাজার থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে সরবরাহ স্বাভাবিক করা যাবে। তবে, এ সময়টুকুর অপেক্ষায় না থেকে ক্রেতারা হুমড়ি খেয়ে পড়াতেই সিন্ডিকেটে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা অলরেডি মিয়ানমার, চীন ও তুরস্কের সঙ্গে কথা বলেছি। এক মাস সময় পেলেই সেখান থেকে পেঁয়াজ আনতে পারবো। আর এক মাসের জন্য যে পরিমাণ প্রয়োজন, সেটা আমাদের মজুদ আছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ

দেশ ছয় লাখ টন পেঁয়াজ মজুদ আছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:০৫:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

আগামী এক মাসের চাহিদা অনুযায়ী দেশে প্রায় ছয় লাখ টন পেঁয়াজ মজুদ আছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনসী। আর এক মাস সময় পেলেই বিকল্প বাজার থেকে প্রয়োজনীয় পেঁয়াজ এনে পরবর্তী চাহিদা মেটানো সম্ভব বলে জানান তিনি।

বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।

পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই ভারত গত মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) হঠাৎ করে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। এরপর ২৪ ঘণ্টা পার না হতেই দেশের বাজারে পেঁয়াজের কেজি ১০০ টাকা ছুঁয়ে ফেলে।

অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্য বৃদ্ধি ও মজুদে ঘাটতির কারণে গত বছর এই সেপ্টেম্বরেই প্রথমে পেঁয়াজের রপ্তানি মূল্য বৃদ্ধি এবং পরে রপ্তানি বন্ধ করেছিল ভারত। এরপর বাংলাদেশের বাজারে হু হু করে বাড়তে থাকে পেঁয়াজের দাম, ৫০-৬০ টাকা কেজি দামের পেঁয়াজ বিক্রি হয় ২৫০-৩০০ টাকায়।

পরে মিয়ানমার, পাকিস্তান, চীন, মিশর, তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশ থেকে নানা রঙের ও স্বাদের পেঁয়াজ আমদানি করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে সরকার। নতুন পেঁয়াজ ওঠার পর গত মার্চে পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় ভারত।

এখন আবার পেঁয়াজ রপ্তানি না করার ঘোষণা দেয় ভারত। নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার কারণ সম্পর্কে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, “দাম বেড়ে গেছে এবং অভ্যন্তরীণ বাজারেও ঘাটতি রয়েছে। মওসুমের কারণে এই ঘাটতি দেখা দিলেও কোভিড-১৯ মহামারির মধ্যেই গত কয়েক মাসে বিপুল রপ্তানি হয়েছে।’ ভারত সরকারের পেঁয়াজ রপ্তানি নিষিদ্ধের ঘোষণার পর স্থলবন্দরগুলো দিয়ে পেঁয়াজ আসা বন্ধ হয়ে গেছে।

দাম আরও বাড়তে পারে- এমন আশঙ্কায় ঢাকার বাজারে ক্রেতারা হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন পেঁয়াজ কিনতে। অনেকে বেশি বেশি করে কিনেছেন। এ সুযোগ নেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বিক্রিও বহুগুণ বেড়েছে।

তবে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে, দেশে আগামী এক মাসের পেঁয়াজ মজুদ আছে। আর এ সময়ের মধ্যেই বিকল্প বাজার থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে সরবরাহ স্বাভাবিক করা যাবে। তবে, এ সময়টুকুর অপেক্ষায় না থেকে ক্রেতারা হুমড়ি খেয়ে পড়াতেই সিন্ডিকেটে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা অলরেডি মিয়ানমার, চীন ও তুরস্কের সঙ্গে কথা বলেছি। এক মাস সময় পেলেই সেখান থেকে পেঁয়াজ আনতে পারবো। আর এক মাসের জন্য যে পরিমাণ প্রয়োজন, সেটা আমাদের মজুদ আছে।