ঢাকা ০১:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ নির্বাচন ব্যবস্থায় কোনো নিরপেক্ষতা দেখছি না: জি এম কাদের সংবিধানের দুর্বলতা দূর করতেই গণভোট: আলী রীয়াজ নির্বাচনে ‘অনিয়ম’ হলেই কেবল জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন: আসিফ নজরুল ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর বিশ্বকাপে বাংলাদেশে বাদকে দিয়ে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা আমার কোনো প্রতিশ্রুতি নেই, যা প্রয়োজন তাই করব: মির্জা আব্বাস নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ না থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না : সুজন

খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ ৬ মাস বাড়ল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে। বিএনপি প্রধানের দণ্ডাদেশ শর্তসাপেক্ষে ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে পরবর্তী ৬ মাসের জন্য স্থগিতের অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। খালেদা জিয়ার আরও ৬ মাস মুক্তির ক্ষেত্রে আগে যেসব শর্ত ছিল সেগুলো অপরিবর্তিত থাকবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল মঙ্গলবার দুপুরে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, মুক্তির বর্ধিত মেয়াদে খালেদা জিয়া নিজ বাসায় থেকে তার চিকিৎসা গ্রহণ করবেন। এ সময় তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার ভাইয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ দণ্ডাদেশ শর্তসাপেক্ষে ৬ মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। এ সময় খালেদা জিয়া ঢাকায় থেকে চিকিৎসা নিতে পারবেন কিন্তু বিদেশ যেতে পারবেন না। খালেদা জিয়ার আরও ৬ মাস মুক্তির ক্ষেত্রে আগে যেসব শর্ত ছিল সেগুলো অপরিবর্তিত থাকবে।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, খালেদা জিয়ার ভাই তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করেছিলেন। কিছুক্ষণ আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই আবেদনে অনুমোদন দেন। তবে এর আগে আইন মন্ত্রণালয়ও ছয় মাস বাড়ানোর জন্য আইনগত সুপারিশ করেছিল। করোনাভাইরাসের কারণে গত ছয় মাস খালেদা জিয়ার পরিবার তার কোনো চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারেনি। এ বিবেচনায় তার মুক্তির মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়ানো হয়েছে।

দুই বছরের বেশি সময় কারাভোগের পর ২৫ মার্চ মুক্তি পান খালেদা জিয়া। এরপর থেকে তিনি গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় আছেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন খালেদা জিয়া। সেখানে তার সঙ্গে ছিলেন গৃহকর্মী ফাতেমা। কারাগারে থাকাকালীন জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাতেও সাজা হয় তার।

শারীরিক নানা সমস্যা নিয়ে প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন ছিলেন বিএনপি প্রধান। শারীরিক অসুস্থতার কথা তুলে ধরে আইনজীবীরা একাধিকবার খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন করলে প্রতিবারই তা নাকচ হয়ে যায়।

প্রথমে পুরান ঢাকার পরিত্যক্ত কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হলেও গত বছর ১ এপ্রিল থেকে তাকে বিএসএমএমইউ হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সরকারের নির্বাহী আদেশে গত ২৫ মার্চ খালেদা জিয়া মুক্তি পান। যার মেয়াদ শেষ হবে ২৪ সেপ্টেম্বর। মেয়াদ শেষের আগেই খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষে মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই সরকার তার মুক্তির মেয়াদ ৬ মাস বাড়াল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ

খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ ৬ মাস বাড়ল

আপডেট সময় ০৪:১২:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে। বিএনপি প্রধানের দণ্ডাদেশ শর্তসাপেক্ষে ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে পরবর্তী ৬ মাসের জন্য স্থগিতের অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। খালেদা জিয়ার আরও ৬ মাস মুক্তির ক্ষেত্রে আগে যেসব শর্ত ছিল সেগুলো অপরিবর্তিত থাকবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল মঙ্গলবার দুপুরে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, মুক্তির বর্ধিত মেয়াদে খালেদা জিয়া নিজ বাসায় থেকে তার চিকিৎসা গ্রহণ করবেন। এ সময় তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার ভাইয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ দণ্ডাদেশ শর্তসাপেক্ষে ৬ মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। এ সময় খালেদা জিয়া ঢাকায় থেকে চিকিৎসা নিতে পারবেন কিন্তু বিদেশ যেতে পারবেন না। খালেদা জিয়ার আরও ৬ মাস মুক্তির ক্ষেত্রে আগে যেসব শর্ত ছিল সেগুলো অপরিবর্তিত থাকবে।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, খালেদা জিয়ার ভাই তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করেছিলেন। কিছুক্ষণ আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই আবেদনে অনুমোদন দেন। তবে এর আগে আইন মন্ত্রণালয়ও ছয় মাস বাড়ানোর জন্য আইনগত সুপারিশ করেছিল। করোনাভাইরাসের কারণে গত ছয় মাস খালেদা জিয়ার পরিবার তার কোনো চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারেনি। এ বিবেচনায় তার মুক্তির মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়ানো হয়েছে।

দুই বছরের বেশি সময় কারাভোগের পর ২৫ মার্চ মুক্তি পান খালেদা জিয়া। এরপর থেকে তিনি গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় আছেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন খালেদা জিয়া। সেখানে তার সঙ্গে ছিলেন গৃহকর্মী ফাতেমা। কারাগারে থাকাকালীন জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাতেও সাজা হয় তার।

শারীরিক নানা সমস্যা নিয়ে প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন ছিলেন বিএনপি প্রধান। শারীরিক অসুস্থতার কথা তুলে ধরে আইনজীবীরা একাধিকবার খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন করলে প্রতিবারই তা নাকচ হয়ে যায়।

প্রথমে পুরান ঢাকার পরিত্যক্ত কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হলেও গত বছর ১ এপ্রিল থেকে তাকে বিএসএমএমইউ হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সরকারের নির্বাহী আদেশে গত ২৫ মার্চ খালেদা জিয়া মুক্তি পান। যার মেয়াদ শেষ হবে ২৪ সেপ্টেম্বর। মেয়াদ শেষের আগেই খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষে মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই সরকার তার মুক্তির মেয়াদ ৬ মাস বাড়াল।