ঢাকা ০৪:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্ভুল অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশনা ফ্যামিলি কার্ডে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী আম্মারসহ শিবির নেতাদের হামলায় আহত ২ শিক্ষার্থী কারাগারে বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক যুক্ত হচ্ছে না: ডা. জাহেদ দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু নির্দোষ হয়েও আমি অপরাধী: আইভী বিনিয়োগ সেবা সহজ করতে ৬৬১.৫ কোটি টাকার ‘বাংলাবিজ’ প্রকল্প সরকারের শুধু আইন করে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়: মির্জা ফখরুল মিরসরাই শিল্পাঞ্চলে ৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্কের সানকো

৫০ বছর পর সন্ধান মিলল ‘নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগ’র

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

সন্ধান মিলল ‘নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগ’র। পশুপ্রেমীরা বিরল প্রজাতির এই কুকুরকে এই নামেই চেনেন। এই প্রজাতির কুকুরের ডাক এমনই যা শুনে মনে হবে যেন গান করছে। এই প্রজাতির কিছু কুকুর অল্প সংখ্যায় বিভিন্ন চিড়িয়াখানা বা সংরক্ষণ কেন্দ্রে থাকলেও বন্য এলাকা থেকে তারা অবলুপ্ত হয়ে গেছে বলেও মনে করা হত। কিন্তু সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়ার অরণ্যে ওই কুকুরের প্রজাতির খোঁজ পেয়েছেন গবেষকরা। সেই বিষয়টি সোমবার প্রকাশিত হয়েছে একটি বিজ্ঞান জার্নালে।

সারা বিশ্বের বিভিন্ন চিড়িয়াখানা ও সংরক্ষণ কেন্দ্র মিলিয়ে ২০০টির মতো সুরেলা কুকুর রয়েছে পৃথিবীতে। ১৯৭০-এর পর স্বাভাবিক বাসস্থানে এদের আর দেখা যায়নি। প্রায় ৫০ বছর পর প্রাকৃতিক বাসস্থানে ফের দেখা গেল ওই বিরল প্রজাতির কুকুরদের। ‌

নিউ গিনি হাইল্যান্ড ওয়াইল্ড ডগ ফাউন্ডেশনের গবেষক দল ২০১৬ সালে পাপুয়ার পুনকাক এলাকায় একটি গবেষণামূলক অভিযানে গিয়েছিল। সেখানে নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগের স্বর শুনতে পান। তা শুনেই বিষয়টি নিয়ে খোঁজ চালাতে শুরু করেন তাঁরা। এর দু’বছর পর ওই এলাকায় গিয়ে নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগের মতো স্বরযুক্ত কুকুরদের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করেন।
সেই নমুনা থেকে জিন পরীক্ষা করে গবেষকরা দেখেন নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগের সঙ্গে এদের জিনের প্রচুর মিল রয়েছে। ভিন্ন প্রজাতির সঙ্গে প্রজননের পর দেহের আকৃতিগত পরিবর্তন ঘটলেও বাদ বাকি জিন হুবহু এক।

এই বিষয়টি নিয়ে নিউ গিনিয়া হাইল্যান্ড ওয়াইল্ড ডগ ফাউন্ডেশনের গবেষক হেইদি পার্কার বলেছেন, ‘‘আমরা দেখেছি নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগ ও হাইল্যান্ড ওয়াইল্ড ডগের জিমোন বিন্যাসে প্রচুর মিল রয়েছে। আমরা ভেবেছি ওই প্রজাতির অবলুপ্তি ঘটেছে। কিন্তু বাস্তবে তারা এখনও অবলুপ্ত হয়নি।’’ নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগ থেকেই যে হাইল্যান্ড ওয়াইল্ড ডগের উৎপত্তি, সে ব্যাপারেও নিশ্চিত গবেষকরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

৫০ বছর পর সন্ধান মিলল ‘নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগ’র

আপডেট সময় ১০:১২:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

সন্ধান মিলল ‘নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগ’র। পশুপ্রেমীরা বিরল প্রজাতির এই কুকুরকে এই নামেই চেনেন। এই প্রজাতির কুকুরের ডাক এমনই যা শুনে মনে হবে যেন গান করছে। এই প্রজাতির কিছু কুকুর অল্প সংখ্যায় বিভিন্ন চিড়িয়াখানা বা সংরক্ষণ কেন্দ্রে থাকলেও বন্য এলাকা থেকে তারা অবলুপ্ত হয়ে গেছে বলেও মনে করা হত। কিন্তু সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়ার অরণ্যে ওই কুকুরের প্রজাতির খোঁজ পেয়েছেন গবেষকরা। সেই বিষয়টি সোমবার প্রকাশিত হয়েছে একটি বিজ্ঞান জার্নালে।

সারা বিশ্বের বিভিন্ন চিড়িয়াখানা ও সংরক্ষণ কেন্দ্র মিলিয়ে ২০০টির মতো সুরেলা কুকুর রয়েছে পৃথিবীতে। ১৯৭০-এর পর স্বাভাবিক বাসস্থানে এদের আর দেখা যায়নি। প্রায় ৫০ বছর পর প্রাকৃতিক বাসস্থানে ফের দেখা গেল ওই বিরল প্রজাতির কুকুরদের। ‌

নিউ গিনি হাইল্যান্ড ওয়াইল্ড ডগ ফাউন্ডেশনের গবেষক দল ২০১৬ সালে পাপুয়ার পুনকাক এলাকায় একটি গবেষণামূলক অভিযানে গিয়েছিল। সেখানে নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগের স্বর শুনতে পান। তা শুনেই বিষয়টি নিয়ে খোঁজ চালাতে শুরু করেন তাঁরা। এর দু’বছর পর ওই এলাকায় গিয়ে নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগের মতো স্বরযুক্ত কুকুরদের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করেন।
সেই নমুনা থেকে জিন পরীক্ষা করে গবেষকরা দেখেন নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগের সঙ্গে এদের জিনের প্রচুর মিল রয়েছে। ভিন্ন প্রজাতির সঙ্গে প্রজননের পর দেহের আকৃতিগত পরিবর্তন ঘটলেও বাদ বাকি জিন হুবহু এক।

এই বিষয়টি নিয়ে নিউ গিনিয়া হাইল্যান্ড ওয়াইল্ড ডগ ফাউন্ডেশনের গবেষক হেইদি পার্কার বলেছেন, ‘‘আমরা দেখেছি নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগ ও হাইল্যান্ড ওয়াইল্ড ডগের জিমোন বিন্যাসে প্রচুর মিল রয়েছে। আমরা ভেবেছি ওই প্রজাতির অবলুপ্তি ঘটেছে। কিন্তু বাস্তবে তারা এখনও অবলুপ্ত হয়নি।’’ নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগ থেকেই যে হাইল্যান্ড ওয়াইল্ড ডগের উৎপত্তি, সে ব্যাপারেও নিশ্চিত গবেষকরা।