ঢাকা ০৪:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমরা সংবিধান সংশোধন করতে চাই, কখনও সংস্কারের কথা বলিনি : মির্জা ফখরুল বোয়ালখালীতে লবণ কারখানায় আগুনে দগ্ধ ২ শ্রমিকের মৃত্যু উত্তেজনার মধ্যেও ইরানের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী ট্রাম্প বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন করবে সরকার: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল মুর্শিদাবাদে স্কুল ভ্যানে ট্রেনের ধাক্কা, দুই শিক্ষার্থীসহ নিহত তিন ইরানের ৫ সেতু ও একাধিক শহরে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক হামলা, নিহত ৮ নাতনির মরদেহ নিয়ে ফেরার পথে প্রাণ গেল নানা-নানীসহ ৪ জনের এসএসসির ফল প্রকাশ কবে, যা জানাল শিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের অবশিষ্ট পরীক্ষা স্থগিত

ক্ষমতায় গেলে ভিসা-গ্রিনকার্ড সহজ করার প্রতিশ্রুতি বাইডেনের

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

আসছে নভেম্বরে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আমেরিকায়। এই নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় যেতে পারলে এইচ-১বি ভিসা পদ্ধতি সংশোধন করার পাশাপাশি গ্রিনকার্ডের জন্য দেশভিত্তিক কোটা তুলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী জো বাইডেন।

ইন্ডিয়া টুডে ও এনডিটিভি’র খবরে বলা হয়েছে, ভারতীয়-আমেরিকান কমিউনিটিকে প্রভাবিত করতে বাইডেনের নির্বাচনী কার্যক্রম থেকে শনিবার এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

অ-অভিবাসী শর্তে কর্মীজীবীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে কাজের সুযোগ পেতে এইচ-১বি ভিসা প্রয়োজন হয়। ভারত এবং চীন থেকে প্রচুর মানুষ এই ভিসা নিয়ে দেশটিতে কাজ করছেন।
পারিবারিক-ভিত্তিতেও অভিবাসীদের বৈধতার পদ্ধতি নিয়ে কাজ করছেন বাইডেন।

এই প্রথম ডেমোক্র্যাটিক দলের কোনও প্রেসিডেন্ট প্রার্থী এভাবে ‘স্পর্শকাতর ইস্যু’ নিয়ে নির্বাচনী প্রচারে বক্তব্য দিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রে আটটি স্টেটজুড়ে প্রায় ১.৩ মিলিয়ন ভারতীয় ভোটার আছেন।

বাইডেনের প্রচার কার্যক্রম থেকে বলা হয়েছে, ‘তিনি স্থায়ী, কাজ-ভিত্তিক অভিবাসী এবং স্নাতকদের ভিসার সংখ্যা বাড়াবেন। শরণার্থীদের সংখ্যা বাড়ানোর কথাও জানিয়েছেন তিনি।’

মার্কিন প্রযুক্তি শিল্পের জন্য এইচ-১বি ভিসা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অন্যান্য দেশের প্রযুক্তি বিষয়ে পড়াশোনা করা মেধাবীদের মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো এই ভিসার মাধ্যমেই চুক্তি ভিত্তিতে কাজে লাগাতে পারে। সেটা এমনকি বর্তমানের ট্রাম্প প্রশাসনেও।

তবে তিন বছর আগে মার্কিন রাজনৈতিক জটিলতার কারণে ভিসাটি উদ্বিগ্নের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ এই ভিসা প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি স্থগিত করা হয়েছে, যা প্রিমিয়াম প্রসেসিং নামে পরিচিত। এর মাধ্যমে অতিরিক্ত ১ হাজার ২২৫ ডলার ফি দিলে ভিসা প্রক্রিয়া ১৫ দিনের মধ্যে সম্পন্ন হয়। সেজন্য অবশ্যই লটারিতে নির্বাচিত হতে হবে। আর অন্যদের জন্য অর্থাৎ নন-প্রিমিয়াম ভিসার জন্য তাতে আট মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ক্ষমতায় গেলে ভিসা-গ্রিনকার্ড সহজ করার প্রতিশ্রুতি বাইডেনের

আপডেট সময় ০৪:৩১:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

আসছে নভেম্বরে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আমেরিকায়। এই নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় যেতে পারলে এইচ-১বি ভিসা পদ্ধতি সংশোধন করার পাশাপাশি গ্রিনকার্ডের জন্য দেশভিত্তিক কোটা তুলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী জো বাইডেন।

ইন্ডিয়া টুডে ও এনডিটিভি’র খবরে বলা হয়েছে, ভারতীয়-আমেরিকান কমিউনিটিকে প্রভাবিত করতে বাইডেনের নির্বাচনী কার্যক্রম থেকে শনিবার এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

অ-অভিবাসী শর্তে কর্মীজীবীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে কাজের সুযোগ পেতে এইচ-১বি ভিসা প্রয়োজন হয়। ভারত এবং চীন থেকে প্রচুর মানুষ এই ভিসা নিয়ে দেশটিতে কাজ করছেন।
পারিবারিক-ভিত্তিতেও অভিবাসীদের বৈধতার পদ্ধতি নিয়ে কাজ করছেন বাইডেন।

এই প্রথম ডেমোক্র্যাটিক দলের কোনও প্রেসিডেন্ট প্রার্থী এভাবে ‘স্পর্শকাতর ইস্যু’ নিয়ে নির্বাচনী প্রচারে বক্তব্য দিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রে আটটি স্টেটজুড়ে প্রায় ১.৩ মিলিয়ন ভারতীয় ভোটার আছেন।

বাইডেনের প্রচার কার্যক্রম থেকে বলা হয়েছে, ‘তিনি স্থায়ী, কাজ-ভিত্তিক অভিবাসী এবং স্নাতকদের ভিসার সংখ্যা বাড়াবেন। শরণার্থীদের সংখ্যা বাড়ানোর কথাও জানিয়েছেন তিনি।’

মার্কিন প্রযুক্তি শিল্পের জন্য এইচ-১বি ভিসা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অন্যান্য দেশের প্রযুক্তি বিষয়ে পড়াশোনা করা মেধাবীদের মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো এই ভিসার মাধ্যমেই চুক্তি ভিত্তিতে কাজে লাগাতে পারে। সেটা এমনকি বর্তমানের ট্রাম্প প্রশাসনেও।

তবে তিন বছর আগে মার্কিন রাজনৈতিক জটিলতার কারণে ভিসাটি উদ্বিগ্নের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ এই ভিসা প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি স্থগিত করা হয়েছে, যা প্রিমিয়াম প্রসেসিং নামে পরিচিত। এর মাধ্যমে অতিরিক্ত ১ হাজার ২২৫ ডলার ফি দিলে ভিসা প্রক্রিয়া ১৫ দিনের মধ্যে সম্পন্ন হয়। সেজন্য অবশ্যই লটারিতে নির্বাচিত হতে হবে। আর অন্যদের জন্য অর্থাৎ নন-প্রিমিয়াম ভিসার জন্য তাতে আট মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।