ঢাকা ০৮:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী জঙ্গল সলিমপুরে পানিতে বিষ মিশিয়ে যৌথবাহিনী সদস্যদের হত্যাচেষ্টা! দেশে ১ কোটি লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী তুরাবদের রক্তের বিনিময়েই দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান জনগণের স্বার্থের বিপরীতে কিছু করলে দায়ভার সরকারের ওপরই পড়বে: মান্না অস্ত্র প্রস্তুত, তবে ইরানকে ‘কিছুটা সময়’ দিচ্ছেন ট্রাম্প : মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিএনপি মো. সাহাবুদ্দিনকে ‘সেফ এক্সিট’ দিতে চায়: আখতার প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে ঘিরে উত্তেজনা-ধস্তাধস্তি, বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান গণতন্ত্র যতবারই হোঁচট খেয়েছে, ততবারই মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: ডা. জাহিদ বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢুকে পড়লো কুর্মিটোলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে, নিহত ১

ইরানের বিস্ময়কর রংধনু পর্বতমালা

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

প্রকৃতির অপরিসীম সৌন্দর্যের দেশ ইরান। তবে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত যে কেবল সবুজ শ্যামলিমা ও হরেক রঙের ফুলে শোভিত তা নয়, রঙিন মাটি ও পাহাড়-পর্বতও ইরানকে রঙিন করে রেখেছে। ইরান কোনো সমভূমি নয়, বরং একটি বন্ধুর ভূমি।

ইরানের পাহাড়-পর্বত দক্ষিণ ইউরোপ ও এশিয়ার পাহাড়-পর্বতগুলো সৃষ্টি হওয়ার সময়কালের বলে বিজ্ঞানীদের অনুমান। তৃতীয় ভূতাত্ত্বিক যুগের শেষ দিকে ভূমিকম্পের ফলে এসব পাহাড়-পর্বত তৈরি হয়েছে। তখন পাললিক শিলার ফাঁকে ফাঁকে গ্রানাইট পাথর মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছিল। বফাক, জানজন ও গোলপায়গানে এবং তাবাস ও ইয়াজদের পথে সাদা ও গোলাপি গ্রানাইট পাথর এখনও মাথা উঁচু করে আছে।

অনেকের মতে, দেড় কোটি বছর আগে এগুলো সৃষ্টি হয়েছে। ইরানের অনেক জায়গাতেই দেখা যায় বিশাল এলাকা জুড়ে সুউচ্চ পর্বতমালা, ঢালু পাদদেশ এবং সংকীর্ণ উপত্যকা ও গিরিপথ, আবার অদূরেই সমভূমি ও মরুময় অঞ্চল। প্রকৃতপক্ষে ইরান ভূখণ্ডের অর্ধেকেরও বেশি এলাকা পাহাড়-পর্বতে ঢেকে আছে। শত শত কিলোমিটার জুড়ে আলবোর্জ পর্বতমালার অবস্থান যেন ইরানের উত্তরাংশে একটি সুউচ্চ দেয়াল তৈরি করে দিয়েছে।

কেবল সুউচ্চ ও দুর্গম গিরিপথ হয়ে তা অতিক্রম করা যেতে পারে। তেমনি জাগ্রোস পর্বতমালায় রয়েছে বহু উঁচু ও সমান্তরাল পাহাড়- যার মাঝে রয়েছে অত্যন্ত নিচু ও খাদসংকুল উপত্যকা ও ঢালু পাদদেশ। জাগ্রোস পর্বতমালা ইরানের ভেতরের এলাকাগুলোকে পারস্য উপসাগরের উপকূল থেকে আলাদা করে রেখেছে। কেবল আঁকাবাঁকা উপত্যকাগুলো এবং লাখ লাখ বছরে সৃষ্টি হওয়া পার্বত্য নদীগুলোর মধ্য দিয়েই এসব পাহাড়-পর্বত অতিক্রম করা যেতে পারে।

কেউ যদি ফটোগ্রাফিতে উৎসাহী কিংবা সাধারণ প্রকৃতিপ্রেমী হন এবং এমন কোনো বিস্ময়কর জায়গা খুঁজছেন যেখানে ভিন্ন কোনো গ্রহে হাঁটার মতো আনন্দ পাওয়া যাবে তাহলে তার জন্য ইরানের উত্তর খোসারান প্রদেশের রঙিন আলাদাগলার পর্বতমালা একটি বিকল্প হতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী

ইরানের বিস্ময়কর রংধনু পর্বতমালা

আপডেট সময় ১০:৩০:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

প্রকৃতির অপরিসীম সৌন্দর্যের দেশ ইরান। তবে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত যে কেবল সবুজ শ্যামলিমা ও হরেক রঙের ফুলে শোভিত তা নয়, রঙিন মাটি ও পাহাড়-পর্বতও ইরানকে রঙিন করে রেখেছে। ইরান কোনো সমভূমি নয়, বরং একটি বন্ধুর ভূমি।

ইরানের পাহাড়-পর্বত দক্ষিণ ইউরোপ ও এশিয়ার পাহাড়-পর্বতগুলো সৃষ্টি হওয়ার সময়কালের বলে বিজ্ঞানীদের অনুমান। তৃতীয় ভূতাত্ত্বিক যুগের শেষ দিকে ভূমিকম্পের ফলে এসব পাহাড়-পর্বত তৈরি হয়েছে। তখন পাললিক শিলার ফাঁকে ফাঁকে গ্রানাইট পাথর মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছিল। বফাক, জানজন ও গোলপায়গানে এবং তাবাস ও ইয়াজদের পথে সাদা ও গোলাপি গ্রানাইট পাথর এখনও মাথা উঁচু করে আছে।

অনেকের মতে, দেড় কোটি বছর আগে এগুলো সৃষ্টি হয়েছে। ইরানের অনেক জায়গাতেই দেখা যায় বিশাল এলাকা জুড়ে সুউচ্চ পর্বতমালা, ঢালু পাদদেশ এবং সংকীর্ণ উপত্যকা ও গিরিপথ, আবার অদূরেই সমভূমি ও মরুময় অঞ্চল। প্রকৃতপক্ষে ইরান ভূখণ্ডের অর্ধেকেরও বেশি এলাকা পাহাড়-পর্বতে ঢেকে আছে। শত শত কিলোমিটার জুড়ে আলবোর্জ পর্বতমালার অবস্থান যেন ইরানের উত্তরাংশে একটি সুউচ্চ দেয়াল তৈরি করে দিয়েছে।

কেবল সুউচ্চ ও দুর্গম গিরিপথ হয়ে তা অতিক্রম করা যেতে পারে। তেমনি জাগ্রোস পর্বতমালায় রয়েছে বহু উঁচু ও সমান্তরাল পাহাড়- যার মাঝে রয়েছে অত্যন্ত নিচু ও খাদসংকুল উপত্যকা ও ঢালু পাদদেশ। জাগ্রোস পর্বতমালা ইরানের ভেতরের এলাকাগুলোকে পারস্য উপসাগরের উপকূল থেকে আলাদা করে রেখেছে। কেবল আঁকাবাঁকা উপত্যকাগুলো এবং লাখ লাখ বছরে সৃষ্টি হওয়া পার্বত্য নদীগুলোর মধ্য দিয়েই এসব পাহাড়-পর্বত অতিক্রম করা যেতে পারে।

কেউ যদি ফটোগ্রাফিতে উৎসাহী কিংবা সাধারণ প্রকৃতিপ্রেমী হন এবং এমন কোনো বিস্ময়কর জায়গা খুঁজছেন যেখানে ভিন্ন কোনো গ্রহে হাঁটার মতো আনন্দ পাওয়া যাবে তাহলে তার জন্য ইরানের উত্তর খোসারান প্রদেশের রঙিন আলাদাগলার পর্বতমালা একটি বিকল্প হতে পারে।