ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারতে টি-২০ বিশ্বকাপ বর্জনের সিদ্ধান্ত সরকারের ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে : শফিকুল আলম সবকিছুর মালিক আল্লাহ, কেউ কেউ বেহেস্তের টিকিট’ বিক্রির মাধ্যমে ভোট চাচ্ছে : তারেক রহমান বিএনপি একটি উদারপন্থী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল: মির্জা ফখরুল ক্ষমতায় গেলে ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে: তারেক রহমান একটা বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের ক্রিকেট বন্ধ হবে না : আবুল কালাম শাহজালাল ফার্টিলাইজার প্রকল্প আত্মসাৎ: ৩১ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে নতুন যে বার্তা দিল জাতিসংঘ বিশ্বকাপ খেলতে চায় বাংলাদেশও, বন্ধ হয়নি সব দরজা : বুলবুল নিউজিল্যান্ডে ভয়াবহ ভূমিধস, বহু মানুষ নিখোঁজ, উদ্ধার অভিযান জোরদার

করোনায় দেশে এবার নতুন রোগ, ৪ সপ্তাহেই বিকল হৃদযন্ত্র-কিডনি!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাল্টিসিস্টেম ইনফ্লেমেটরি সিনড্রোম। করোনাভাইরাসের সাথে সম্পর্কিত নতুন একটি রোগ। জ্বর থেকে শুরু হয়ে ৪ সপ্তাহের মধ্যে হৃদযন্ত্র, কিডনিসহ অন্যান্য অর্গান নষ্ট করে দিতে পারে এ রোগ।

সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত শিশু-কিশোর বয়সীরা। চিকিৎসার আওতায় এসেছে, বাংলাদেশে এমন রোগীর সংখ্যা এখন ১৫ জন।

জ্বর, পেটে, ব্যথা ও বমি আর বয়স যদি হয় ১৫ এর মধ্যে তাহলে প্রাথমিক ধারণা হতে পারে মাল্টিসিস্টেম ইনফ্লেমেটরি সিনড্রোম।

এ ব্যাপারে এভারকেয়ার হাসপাতালের শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. তাহেরা নাজরীন জানান, উচ্চমাত্রায় জ্বর থাকে বাচ্চাদের এবং সেটা ১০১ থেকে ১০৫ ডিগ্রি পর্যন্ত হতে পারে। তিন থেকে পাঁচ দিনেই জ্বরের সাথে সাথেই হতে পারে অথবা ধাপে ধাপে কিছু লক্ষণ থাকে। যেমন; সারা গায়ে লাল লাল দানার মতো অথবা বক্তের মতো দাগ থাকতে পারে। এছাড়া সারা শরীরে লাগচে দাগ থাকা। কোভিড-১৯ এর ফলে সারা শরীরে যখন এক ধরনের প্রদাহ হয় তখন এই রোগটি প্রকাশ পায়। তখন হার্ট ফেল হয়, মাংস পেশি দুর্বল, চোখের প্রদাহ (লাল চোখ), গলা ও মুখগহবর লাল হয়ে যায়। এছাড়া করোনার প্রভাবে রক্তনালীগুলো ফুলে যায় এবং পাশাপাশি কিডনী আক্রান্ত হয়। এছাড়া কিডনীতে পানি জমে যায়। এমনকি নিউমোনিয়া হতে পারে। সারা শরীরে প্রদাহ হয়।

এভারকেয়ার হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. নুসরাত ফারুক বলেন, ব্লড প্রেসার কমে যাওয়া, শকে চলে যাওয়া, হার্টবিট আনস্টেবল হয়ে যাওয়া, হাত পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া, বাচ্চা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ইত্যাদি এই রোগের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

গত ১৫ ও ২৭ মে দুই শিশুর মধ্যে পাওয়া যায় এই রোগ। যাদের একজনের মধ্যে একজনের বয়স ছিল মাত্র দেড়মাস। রোগটি ভয়াবহ হলেও এর চিকিৎসা দেশেই রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। করোনার মতোই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালারও পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

শিশুর শরীরে এরকম লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. তাহেরা নাজরীন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্রিনল্যান্ডের দাম ১ বিলিয়ন ডলার, ট্রাম্পের হয়ে ডেনমার্ককে পুতিনের খোঁচা

করোনায় দেশে এবার নতুন রোগ, ৪ সপ্তাহেই বিকল হৃদযন্ত্র-কিডনি!

আপডেট সময় ০৬:০৯:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাল্টিসিস্টেম ইনফ্লেমেটরি সিনড্রোম। করোনাভাইরাসের সাথে সম্পর্কিত নতুন একটি রোগ। জ্বর থেকে শুরু হয়ে ৪ সপ্তাহের মধ্যে হৃদযন্ত্র, কিডনিসহ অন্যান্য অর্গান নষ্ট করে দিতে পারে এ রোগ।

সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত শিশু-কিশোর বয়সীরা। চিকিৎসার আওতায় এসেছে, বাংলাদেশে এমন রোগীর সংখ্যা এখন ১৫ জন।

জ্বর, পেটে, ব্যথা ও বমি আর বয়স যদি হয় ১৫ এর মধ্যে তাহলে প্রাথমিক ধারণা হতে পারে মাল্টিসিস্টেম ইনফ্লেমেটরি সিনড্রোম।

এ ব্যাপারে এভারকেয়ার হাসপাতালের শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. তাহেরা নাজরীন জানান, উচ্চমাত্রায় জ্বর থাকে বাচ্চাদের এবং সেটা ১০১ থেকে ১০৫ ডিগ্রি পর্যন্ত হতে পারে। তিন থেকে পাঁচ দিনেই জ্বরের সাথে সাথেই হতে পারে অথবা ধাপে ধাপে কিছু লক্ষণ থাকে। যেমন; সারা গায়ে লাল লাল দানার মতো অথবা বক্তের মতো দাগ থাকতে পারে। এছাড়া সারা শরীরে লাগচে দাগ থাকা। কোভিড-১৯ এর ফলে সারা শরীরে যখন এক ধরনের প্রদাহ হয় তখন এই রোগটি প্রকাশ পায়। তখন হার্ট ফেল হয়, মাংস পেশি দুর্বল, চোখের প্রদাহ (লাল চোখ), গলা ও মুখগহবর লাল হয়ে যায়। এছাড়া করোনার প্রভাবে রক্তনালীগুলো ফুলে যায় এবং পাশাপাশি কিডনী আক্রান্ত হয়। এছাড়া কিডনীতে পানি জমে যায়। এমনকি নিউমোনিয়া হতে পারে। সারা শরীরে প্রদাহ হয়।

এভারকেয়ার হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. নুসরাত ফারুক বলেন, ব্লড প্রেসার কমে যাওয়া, শকে চলে যাওয়া, হার্টবিট আনস্টেবল হয়ে যাওয়া, হাত পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া, বাচ্চা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ইত্যাদি এই রোগের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

গত ১৫ ও ২৭ মে দুই শিশুর মধ্যে পাওয়া যায় এই রোগ। যাদের একজনের মধ্যে একজনের বয়স ছিল মাত্র দেড়মাস। রোগটি ভয়াবহ হলেও এর চিকিৎসা দেশেই রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। করোনার মতোই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালারও পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

শিশুর শরীরে এরকম লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. তাহেরা নাজরীন।