ঢাকা ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী জঙ্গল সলিমপুরে পানিতে বিষ মিশিয়ে যৌথবাহিনী সদস্যদের হত্যাচেষ্টা! দেশে ১ কোটি লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী তুরাবদের রক্তের বিনিময়েই দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান জনগণের স্বার্থের বিপরীতে কিছু করলে দায়ভার সরকারের ওপরই পড়বে: মান্না অস্ত্র প্রস্তুত, তবে ইরানকে ‘কিছুটা সময়’ দিচ্ছেন ট্রাম্প : মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিএনপি মো. সাহাবুদ্দিনকে ‘সেফ এক্সিট’ দিতে চায়: আখতার প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে ঘিরে উত্তেজনা-ধস্তাধস্তি, বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান গণতন্ত্র যতবারই হোঁচট খেয়েছে, ততবারই মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: ডা. জাহিদ বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢুকে পড়লো কুর্মিটোলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে, নিহত ১

একটানা দুই ঘণ্টা বসে থেকে ইউটিউবে ভাইরাল

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে মানুষ ঘরেই থাকছে। খুব বেশি কাজ না থাকলে বের হচ্ছে না। ঘরে বসে সময় কাটানোর জন্য ইউটিউবে বা ফেসবুকে ভিডিও দেখার প্রবণতাও বেড়েছে হু হু করে। অন্যদিকে মানুষকে বিনোদন দেয়ার জন্য ভিডিও নির্মাণও বেড়েছে। যেহেতু মানুষ এখন দিনের অনেকটা সময় ইউটিউবে কাটাচ্ছে, তাই ভিডিওগুলোও কয়েকদিনের মধ্যে লাখ লাখ ভিউ অতিক্রম করছে। কিন্তু এমন ভিডিও কি কেউ দেখে যেখানে কেবল একজন বসে থেকেই সময় কাটাচ্ছে? অবাস্তব মনে হলেও সম্প্রতি ইউটিউবেএমনই একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

আসলে সোশ্যাল মিডিয়া, এমন একটা প্ল্যাটফর্ম যেখানে অনেক কিছু মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল অর্থাৎ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। অনেক বোকা বোকা বিষয়ও আমরা গোগ্রাসে গিলতে থাকি! ইন্দোনেশিয়ার এক ইউটিউবার হলেন এই ঘটনার সবচেয়ে বড় উদাহরণ, যিনি নিজের একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন, যেখানে তিনি দুই ঘন্টা ধরে বসে থাকা ছাড়া কিছুই করেননি। ‘2 JAM nggak ngapa-ngapain’ (দুই ঘন্টায় কিছুই করিনি) শীর্ষক ওই ভিডিওটি খুব তাড়াতাড়ি ভাইরাল হয়েছে।

গত ১০ জুলাই ভিডিওটি ইউটিউবে শেয়ার করেন ইউটিউবার মুহাম্মদ দিদিত। এখনো পর্যন্ত ওই ভিডিওটি ২ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ দেখেছেন। এই প্রসঙ্গে বলে রাখি, দিদিতের ইউটিউব চ্যানেলের নাম ‘sobat miskin official’, যেখানে তার ২৯ হাজারের কাছাকাছি সাবস্ক্রাইবার আছে।

ভিডিওটির দর্শকরা অনেকে অনুমান করার চেষ্টা করেছেন যে, দুই দুই ঘন্টার মধ্যে দিদিত ঠিক কী করছিলেন। আবার কেউ কেউ গুনে দেখছিলেন দিদিত কতবার চোখের পলক ফেলেছেন। অন্যদিকে কিছু মানুষ ভেবেছেন দিদিত হয়তো ভুলবশত রেকর্ড বাটন প্রেস করেছেন। তবে অনেকেই মন্তব্য করেছেন কীভাবে লক্ষ লক্ষ দর্শক এই ভিডিওটি দেখতে উৎসাহিত হয়েছেন।

এই বিষয়ে দিদিত বলেছেন, ইন্দোনেশীয় সমাজ তাকে শিক্ষা-বিষয়ক ভিডিও বানাতে জোর করেছে, ফলে অনিচ্ছা সত্ত্বেও ভারাক্রান্ত মন নিয়ে তিনি এই ভিডিওটি তৈরি করেছেন এবং সেটি দর্শকের দৃষ্টিভঙ্গির ওপর ছেড়ে দিয়েছেন। আপনার যদি হাতে অঢেল সময় থাকে তবে দু-ঘণ্টার এই ভিডিওটি অবশ্যই একবার দেখবেন!

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী

একটানা দুই ঘণ্টা বসে থেকে ইউটিউবে ভাইরাল

আপডেট সময় ১১:৪৮:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে মানুষ ঘরেই থাকছে। খুব বেশি কাজ না থাকলে বের হচ্ছে না। ঘরে বসে সময় কাটানোর জন্য ইউটিউবে বা ফেসবুকে ভিডিও দেখার প্রবণতাও বেড়েছে হু হু করে। অন্যদিকে মানুষকে বিনোদন দেয়ার জন্য ভিডিও নির্মাণও বেড়েছে। যেহেতু মানুষ এখন দিনের অনেকটা সময় ইউটিউবে কাটাচ্ছে, তাই ভিডিওগুলোও কয়েকদিনের মধ্যে লাখ লাখ ভিউ অতিক্রম করছে। কিন্তু এমন ভিডিও কি কেউ দেখে যেখানে কেবল একজন বসে থেকেই সময় কাটাচ্ছে? অবাস্তব মনে হলেও সম্প্রতি ইউটিউবেএমনই একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

আসলে সোশ্যাল মিডিয়া, এমন একটা প্ল্যাটফর্ম যেখানে অনেক কিছু মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল অর্থাৎ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। অনেক বোকা বোকা বিষয়ও আমরা গোগ্রাসে গিলতে থাকি! ইন্দোনেশিয়ার এক ইউটিউবার হলেন এই ঘটনার সবচেয়ে বড় উদাহরণ, যিনি নিজের একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন, যেখানে তিনি দুই ঘন্টা ধরে বসে থাকা ছাড়া কিছুই করেননি। ‘2 JAM nggak ngapa-ngapain’ (দুই ঘন্টায় কিছুই করিনি) শীর্ষক ওই ভিডিওটি খুব তাড়াতাড়ি ভাইরাল হয়েছে।

গত ১০ জুলাই ভিডিওটি ইউটিউবে শেয়ার করেন ইউটিউবার মুহাম্মদ দিদিত। এখনো পর্যন্ত ওই ভিডিওটি ২ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ দেখেছেন। এই প্রসঙ্গে বলে রাখি, দিদিতের ইউটিউব চ্যানেলের নাম ‘sobat miskin official’, যেখানে তার ২৯ হাজারের কাছাকাছি সাবস্ক্রাইবার আছে।

ভিডিওটির দর্শকরা অনেকে অনুমান করার চেষ্টা করেছেন যে, দুই দুই ঘন্টার মধ্যে দিদিত ঠিক কী করছিলেন। আবার কেউ কেউ গুনে দেখছিলেন দিদিত কতবার চোখের পলক ফেলেছেন। অন্যদিকে কিছু মানুষ ভেবেছেন দিদিত হয়তো ভুলবশত রেকর্ড বাটন প্রেস করেছেন। তবে অনেকেই মন্তব্য করেছেন কীভাবে লক্ষ লক্ষ দর্শক এই ভিডিওটি দেখতে উৎসাহিত হয়েছেন।

এই বিষয়ে দিদিত বলেছেন, ইন্দোনেশীয় সমাজ তাকে শিক্ষা-বিষয়ক ভিডিও বানাতে জোর করেছে, ফলে অনিচ্ছা সত্ত্বেও ভারাক্রান্ত মন নিয়ে তিনি এই ভিডিওটি তৈরি করেছেন এবং সেটি দর্শকের দৃষ্টিভঙ্গির ওপর ছেড়ে দিয়েছেন। আপনার যদি হাতে অঢেল সময় থাকে তবে দু-ঘণ্টার এই ভিডিওটি অবশ্যই একবার দেখবেন!